আওয়ামী
লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ অনেক ত্যাগী
নেতার জন্ম দিয়েছে বলেই বারবার আঘাত আসার পরও কেউ আওয়ামী লীগের কিছু করতে
পারেনি। তাই ত্যাগী নেতাদের আদর্শে নেতাকর্মীদের রাজনীতি করতে হবে। আওয়ামী
লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক প্রয়াত নুরুল ইসলাম ও প্রয়াত ঢাকা মহানগর
আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজ স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি
এসব কথা বলেন। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিকালে এ
আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। এতে সভাপতিত্ব করেন নগর
আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামাল আহমেদ মজুমদার। আলোচনা সভায় দলের কেন্দ্রীয় ও
মহানগর নেতারা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম
ও এমএ আজিজের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণা করে তাদের বিদেহী
আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ অনেক ত্যাগী নেতার জন্ম দিয়েছে। নেতারা ত্যাগী ছিলেন বলেই বারবার আঘাত আসার পরও কেউ আওয়ামী লীগের কিছুই করতে পারেনি। নিবেদিতপ্রাণ এ কর্মীরা এই দলকে টিকিয়ে রেখেছে। তিনি বলেন, আইয়ুব, ইয়াহিয়া, জিয়া, এরশাদ প্রতিটি সরকারের আমলেই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অত্যাচার নির্যাতন সইতে হয়েছে। কিন্তু তারা সব সময় পাশে থেকেছে। প্রয়াত নুরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এখনকার মতো তখন এত ছাপাখানা ছিল না। নুরুল ইসলাম দিনের পর দিন রাতের পর রাত পোস্টার লিখতেন। ছয় দফাসহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, লিফলেট অনেক কিছুই তার সংগ্রহে ছিল। বঙ্গবন্ধুরও খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি।
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এমএ আজিজের অবদান সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তাদের পরিবারের (সরদার পরিবার) বিরাট অবদান রয়েছে। আওয়ামী লীগের জন্মলগ্ন থেকেই আজিজ ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক। আমি যখন ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসি তখন আর্থিক সীমাবদ্ধতাসহ নানা সমস্যা ছিল। কিন্তু যখনই প্রয়োজন পড়েছে আজিজ ভাই পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। শেখ হাসিনা আরও বলেন, বিগত ওয়ান ইলেভেনের সময় আমি যখন জেলে ছিলাম কখনও কারাগারে কখনও আদালতে আমার মুক্তির জন্য তিনি সক্রিয় ছিলেন। তিনি ২৫ লক্ষ গণস্বাক্ষর সংগ্রহে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছিলেন। এই গণস্বাক্ষর তখনকার সরকারের কাছে পাঠানোর পরই তারা বুঝেছিল আওয়ামী লীগকে কখনও পরাজিত করা যাবে না। এভাবেই আজিজ ভাই দলের জন্য শুধু দিয়েই গেছেন। কখনও হামবড়া ভাব দেখাননি।
আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ৮৬ সালে এমএ আজিজকে যখন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয় তখন থেকেই তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি নিজে নেত্রীর (শেখ হাসিনা) নির্দেশে পরিচালিত হতেন অন্যকেও পারিচালনা করতেন। প্রয়াত এমএ আজিজ ও নুরুল ইসলামের আত্মা মাগফিরাত কামনা করেন তিনি। উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, নুরুল ইসলামকে ছাত্রজীবন থেকেই চিনতাম। চরম দুর্দিনেও তিনি আওয়ামী লীগের পাশে ছিলেন। তিনি বলেন, ৮১ সালের পর থেকে এমএ আজিজ আওয়ামী লীগের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন।
আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সংসদ সদস্য একেএম রহমতউল্লা, ফজলে নূর তাপস, হাজী মো. সেলিম, মরহুম এমএ আজিজের ছেলে ওমর বিন আজিজ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ অনেক ত্যাগী নেতার জন্ম দিয়েছে। নেতারা ত্যাগী ছিলেন বলেই বারবার আঘাত আসার পরও কেউ আওয়ামী লীগের কিছুই করতে পারেনি। নিবেদিতপ্রাণ এ কর্মীরা এই দলকে টিকিয়ে রেখেছে। তিনি বলেন, আইয়ুব, ইয়াহিয়া, জিয়া, এরশাদ প্রতিটি সরকারের আমলেই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অত্যাচার নির্যাতন সইতে হয়েছে। কিন্তু তারা সব সময় পাশে থেকেছে। প্রয়াত নুরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এখনকার মতো তখন এত ছাপাখানা ছিল না। নুরুল ইসলাম দিনের পর দিন রাতের পর রাত পোস্টার লিখতেন। ছয় দফাসহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, লিফলেট অনেক কিছুই তার সংগ্রহে ছিল। বঙ্গবন্ধুরও খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি।
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এমএ আজিজের অবদান সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তাদের পরিবারের (সরদার পরিবার) বিরাট অবদান রয়েছে। আওয়ামী লীগের জন্মলগ্ন থেকেই আজিজ ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক। আমি যখন ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসি তখন আর্থিক সীমাবদ্ধতাসহ নানা সমস্যা ছিল। কিন্তু যখনই প্রয়োজন পড়েছে আজিজ ভাই পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। শেখ হাসিনা আরও বলেন, বিগত ওয়ান ইলেভেনের সময় আমি যখন জেলে ছিলাম কখনও কারাগারে কখনও আদালতে আমার মুক্তির জন্য তিনি সক্রিয় ছিলেন। তিনি ২৫ লক্ষ গণস্বাক্ষর সংগ্রহে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছিলেন। এই গণস্বাক্ষর তখনকার সরকারের কাছে পাঠানোর পরই তারা বুঝেছিল আওয়ামী লীগকে কখনও পরাজিত করা যাবে না। এভাবেই আজিজ ভাই দলের জন্য শুধু দিয়েই গেছেন। কখনও হামবড়া ভাব দেখাননি।
আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ৮৬ সালে এমএ আজিজকে যখন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয় তখন থেকেই তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি নিজে নেত্রীর (শেখ হাসিনা) নির্দেশে পরিচালিত হতেন অন্যকেও পারিচালনা করতেন। প্রয়াত এমএ আজিজ ও নুরুল ইসলামের আত্মা মাগফিরাত কামনা করেন তিনি। উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, নুরুল ইসলামকে ছাত্রজীবন থেকেই চিনতাম। চরম দুর্দিনেও তিনি আওয়ামী লীগের পাশে ছিলেন। তিনি বলেন, ৮১ সালের পর থেকে এমএ আজিজ আওয়ামী লীগের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন।
আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সংসদ সদস্য একেএম রহমতউল্লা, ফজলে নূর তাপস, হাজী মো. সেলিম, মরহুম এমএ আজিজের ছেলে ওমর বিন আজিজ প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment