স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরী:
কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে র্দীঘদিন থেকে বেশ কিছু মারাত্মক ঝুকিপূর্ন
,পরিত্যাক্ত ও ব্যবহার অনুপযোগী, জরাজীর্ণ ভিবিন্ন দপ্তরের সরকারী ভবন পড়ে
থাকলেও কর্তৃপক্ষের নজর নাই এমন অভিযোগ স্থানীয় সচেতন মহলের। এমন ভবনের
মধ্যে মাতারবাড়ী টিএন্ডটি ভবন, কালারমারছড়ায় সর্বোচ্চ চারটি , তাহলো উত্তর
নলবিলা বিসিক ভবন, উত্তর নলবিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন,
ইউনিুছখালী সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের একটি ভবন ও নোনাছড়ি কমিউনিটি সেন্টার ভবন ,
ও ভিবিন্ন ইউনিয়নে আরো ৬টি এমন পরিত্যাক্ত ভবন যুগ যুগ ধরে অনেকটা
বে-ওয়ারিশ সম্পদের মতো পড়ে থাকলেও দেখার যেন কেউ নেই। পরিত্যাক্ত বিসিক
অফিসটি মহেশখালী উপজেলার প্রবেশ দ্বার উত্তর নলবিলায় অবস্থিত। প্রায় সময়
সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা মহেশখালীতে আসা যাওয়ার পথে ভবনে দৃষ্টি
পড়লেও লাখ লাখ টাকা মূল্যের সরকারী ভবন ভাঙার কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় অনেকেই
কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। দীর্ঘদিন ঝরা জীর্ন অবস্থায় থাকার
ফলে প্রাকৃতিক দূর্যোগে দূর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও তা নিয়ে
কার্যতঃ কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের
পরির্দশনে দেখা যায়, দীর্ঘ কয়েক যুগধরে ব্যবহার অনুপযোগি ও ঝুকিপূর্ন
২০/২১টি ভবন রয়েছে। নিলামের ব্যবস্থা নিলে এগুলোর আনুমানিক মূল্য ৬০/৭০ লাখ
টাকায় দাড়াতে পারে বলে জানান অভিজ্ঞ মহল। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,
ঝুকিপূর্ন ভবনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। যার কারনে যে কোন
সময় দূর্ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রাণ হানির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান
সচেতন মহল ও অভিভাবক সমাজ। প্রায় সময় অফিসে সংশ্লিষ্ট উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষ
পরিদর্শনে আসলেও ঝুকিপূর্ন ও পরিত্যাক্ত ভবন নিয়ে কার্যকরি কোন পদক্ষেপ
নেয়নি। ফলে মহেশখালী উপজেলায় প্রায় কোটি টাকা মূল্যের সরকারী সম্পদ অযতœ
অবহেলায় দিনের পর দিন ক্রমেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের ভবন নিলামে বিক্রি
করলে সরকার পাবে উল্লেখ যোগ্য রাজস্ব অনাকাংখিত দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা
পাবে জানমাল এমনটি জানান সচেতন মহল। অনেকেই জানান, সরকারী পরিত্যাক্ত ভবন
গুলোর দরজা জানালার গ্রীল ও ব্যবহার উপযোগী মূল্যবান জিনিস গুলো রাতের
অন্ধকারে চুরি হয়ে যাচ্ছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয়দের অভিযোগ,
পরিত্যাক্ত সরকারী ভবনের অংশ বিশেষ চুরি হওয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসের
লোকজনের হাত থাকতে পারে। দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ অবহেলা না করে ভবন
গুলো নিলামে বিক্রি করে দিলে সরকার রাজস্ব পাওয়ার পাশাপাশি সরকারী সম্পদের
যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হতো। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোহাম্মদ আবুল কালাম জানান-উপজেলায় সরকারী ব্যবহার অনুপযোগী ভবনের তালিকা
তৈরী করার জন্য উপজেলা মিটিং এ বিষয়টি আলোচনায় রাখা হবে এবং দ্রুত
ঝুকিপূর্ন ভবনের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে।
পরিত্যাক্ত বিসিক ভবন নিয়ে কক্সবাজার বিসিক অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক
মুহাম্মদ আবছার উদ্দীন’র দৃষ্টি আকর্ষন করলে তিনি জানান, জেলার যে সব
জায়গায় বিসিক’র পরিত্যাক্ত ভবন ঝুকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে সে গুলো নিলামে
বিক্রির ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর চিঠি পাঠানো
হয়েছে। আশারাখি বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment