![]() |
| অমর একুশে গ্রন্থমেলার একটি স্টলে চলছে বই সাজানোর কাজ। ছবিঃ প্রথম আলো |
প্রতীক্ষার
অবসান হচ্ছে। আজ সোমবার বিকেল থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ সরব হয়ে উঠবে
বইপ্রেমীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে। সেই প্রাণস্পন্দন ছড়িয়ে পড়বে অতীতের
যেকোনো বারের তুলনায় দীর্ঘ পরিসরে সাজানো মেলার সম্প্রসারিত স্থান
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও। আজ বেলা আড়াইটায় শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
ভাষাশহীদদের স্মরণে আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করবেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা একাডেমি গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে উদ্যাপন করে আসছে এই বইমেলা। যার প্রাতিষ্ঠানিক নাম ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’। এবার গ্রন্থমেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাঙালি জাতিসত্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের প্রতীক বাংলা একাডেমির ৬০ বছরপূর্তি-হীরকজয়ন্তী যুক্ত হয়ে মেলায় সৃষ্টি হয়েছে নতুনতর মাত্রা।
আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুধু আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য। উদ্বোধনের পরে বিকেলে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে প্রবেশপথ। ১ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলা। সাপ্তাহিক ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত আটটা এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মেলা চলবে। বিগত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বই ৩০% কমিশনে এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫% কমিশনে বই বিক্রি করবে।
বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রন্থমেলা পরিদর্শন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত বিদেশি অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্রিটিশ কবি ও জীবনানন্দ অনুবাদক জো উইন্টার, চেক প্রজাতন্ত্রের লেখক-গবেষক রিবেক মার্টিন, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সমিতির (আইপিএ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রিচার্ড ডেনিস পল শার্কিন এবং জোসেফ ফেলিক্স বুরঘিনো। ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতিসচিব বেগম আকতারী মমতাজ। স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
গ্রন্থমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হবে। উদ্বোধন মঞ্চে সৈয়দ শামসুল হক রচিত এবং বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর বীরগাথা বইয়ের ব্রেইল ও অডিও সংস্করণ প্রকাশিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর হাতে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত আধুনিক বাংলা অভিধান তুলে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এবারের গ্রন্থমেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে আধুনিক বাংলা অভিধান শিরোনামের একটি নতুন অভিধানসহ শতাধিক নতুন বই।
শুধু আলোচনা আর সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া-নেওয়ায় সীমাবদ্ধ থাকবে না আজকের আয়োজনটি। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের গান শোনাবেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা এবং নজরুলের গান শোনাবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পৌত্রী অনিন্দিতা কাজী।
২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল চারটায় গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার। বাংলা একাডেমির হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে একাডেমির ইতিহাস এবং বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড, অমর একুশে গ্রন্থমেলা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ঐতিহাসিক ছয় দফার সুবর্ণজয়ন্তী এবং শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-রাজনীতি-সমকালীন প্রসঙ্গ এবং বিশিষ্ট বাঙালি মনীষীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া মাসব্যাপী প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
গ্রন্থমেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং একাডেমি সম্মুখস্থ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। অমর একুশের গ্রন্থমেলায় এবার কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান—মেলার উভয় অংশসহ চারুকলা অনুষদ থেকে পুরো টিএসসি এলাকা হয়ে দোয়েল চত্বর থাকবে সিসি ক্যামেরার আওতায়। র্যাবের একটি বিশেষ ক্যাম্প থাকবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে টিএসসি গেট-সংলগ্ন এলাকায়। আরও থাকবে চারটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। প্রকাশকেরাও আশা করছেন নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র থাকবে। গতকাল রোববার বিকেলে মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এ সময় সেখানে একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অমর একুশে গ্রন্থমেলার ২০১৬-এর সদস্যসচিব জালাল আহমেদ গতকাল রোববার প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাটি অপরিবর্তিত আছে। অর্থাৎ একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮২টি প্রতিষ্ঠানকে ১১১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩২০টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৪০টি ইউনিট; মোট ৪০২টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৫১টি ইউনিট এবং বাংলা একাডেমিসহ ১৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে মোট ছয় হাজার বর্গফুট আয়তনের ১৫টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ৯২টি লিটল ম্যাগাজিনকে বর্ধমান হাউসের দক্ষিণ পাশে লিটল ম্যাগাজিন কর্নারে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র প্রকাশনা সংস্থা এবং ব্যক্তি উদ্যোগে যাঁরা বই প্রকাশ করেছেন, তাঁদের বই বিক্রি ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের স্টলে। একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলা একাডেমির দুটি প্যাভিলিয়ন, একাডেমি প্রকাশিত অভিধান বিক্রয়কেন্দ্র, একাডেমির শিশু-কিশোর প্রকাশনাভিত্তিক বিক্রয়কেন্দ্র এবং একাডেমির সাহিত্য মাসিক উত্তরাধিকার-এর বিক্রয়কেন্দ্র থাকবে।
অমর একুশে গ্রন্থমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশকে ১৫টি গুচ্ছে সাজানো হয়েছে। ভাষাশহীদ আবুল বরকত, আবদুস সালাম, শফিউর রহমান, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার, শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আলতাফ মাহমুদ, সিরাজুদ্দীন হোসেন, ডা. আলীম চৌধুরী, সেলিনা পারভীন, শিশুসাহিত্যিক সাজেদুল করিম, হাবীবুর রহমান, ফয়েজ আহমদ এবং রোকনুজ্জামান খান দাদাভাইয়ের নামে চত্বরগুলো নামাঙ্কিত থাকবে ।
এবার মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকবে শিশুকর্নার। শিশু-কিশোর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বইমেলায় ক্রয়-বিক্রয়ের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, সে জন্যই এ ব্যবস্থা।
মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা একাডেমি গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে উদ্যাপন করে আসছে এই বইমেলা। যার প্রাতিষ্ঠানিক নাম ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’। এবার গ্রন্থমেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাঙালি জাতিসত্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের প্রতীক বাংলা একাডেমির ৬০ বছরপূর্তি-হীরকজয়ন্তী যুক্ত হয়ে মেলায় সৃষ্টি হয়েছে নতুনতর মাত্রা।
আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুধু আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য। উদ্বোধনের পরে বিকেলে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে প্রবেশপথ। ১ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলা। সাপ্তাহিক ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত আটটা এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মেলা চলবে। বিগত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বই ৩০% কমিশনে এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫% কমিশনে বই বিক্রি করবে।
বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রন্থমেলা পরিদর্শন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত বিদেশি অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্রিটিশ কবি ও জীবনানন্দ অনুবাদক জো উইন্টার, চেক প্রজাতন্ত্রের লেখক-গবেষক রিবেক মার্টিন, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সমিতির (আইপিএ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রিচার্ড ডেনিস পল শার্কিন এবং জোসেফ ফেলিক্স বুরঘিনো। ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতিসচিব বেগম আকতারী মমতাজ। স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
গ্রন্থমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হবে। উদ্বোধন মঞ্চে সৈয়দ শামসুল হক রচিত এবং বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর বীরগাথা বইয়ের ব্রেইল ও অডিও সংস্করণ প্রকাশিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর হাতে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত আধুনিক বাংলা অভিধান তুলে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এবারের গ্রন্থমেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে আধুনিক বাংলা অভিধান শিরোনামের একটি নতুন অভিধানসহ শতাধিক নতুন বই।
শুধু আলোচনা আর সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া-নেওয়ায় সীমাবদ্ধ থাকবে না আজকের আয়োজনটি। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের গান শোনাবেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা এবং নজরুলের গান শোনাবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পৌত্রী অনিন্দিতা কাজী।
২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল চারটায় গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার। বাংলা একাডেমির হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে একাডেমির ইতিহাস এবং বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড, অমর একুশে গ্রন্থমেলা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ঐতিহাসিক ছয় দফার সুবর্ণজয়ন্তী এবং শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-রাজনীতি-সমকালীন প্রসঙ্গ এবং বিশিষ্ট বাঙালি মনীষীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া মাসব্যাপী প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
গ্রন্থমেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং একাডেমি সম্মুখস্থ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। অমর একুশের গ্রন্থমেলায় এবার কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান—মেলার উভয় অংশসহ চারুকলা অনুষদ থেকে পুরো টিএসসি এলাকা হয়ে দোয়েল চত্বর থাকবে সিসি ক্যামেরার আওতায়। র্যাবের একটি বিশেষ ক্যাম্প থাকবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে টিএসসি গেট-সংলগ্ন এলাকায়। আরও থাকবে চারটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। প্রকাশকেরাও আশা করছেন নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র থাকবে। গতকাল রোববার বিকেলে মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এ সময় সেখানে একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অমর একুশে গ্রন্থমেলার ২০১৬-এর সদস্যসচিব জালাল আহমেদ গতকাল রোববার প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাটি অপরিবর্তিত আছে। অর্থাৎ একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮২টি প্রতিষ্ঠানকে ১১১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩২০টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৪০টি ইউনিট; মোট ৪০২টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৫১টি ইউনিট এবং বাংলা একাডেমিসহ ১৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে মোট ছয় হাজার বর্গফুট আয়তনের ১৫টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ৯২টি লিটল ম্যাগাজিনকে বর্ধমান হাউসের দক্ষিণ পাশে লিটল ম্যাগাজিন কর্নারে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র প্রকাশনা সংস্থা এবং ব্যক্তি উদ্যোগে যাঁরা বই প্রকাশ করেছেন, তাঁদের বই বিক্রি ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের স্টলে। একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলা একাডেমির দুটি প্যাভিলিয়ন, একাডেমি প্রকাশিত অভিধান বিক্রয়কেন্দ্র, একাডেমির শিশু-কিশোর প্রকাশনাভিত্তিক বিক্রয়কেন্দ্র এবং একাডেমির সাহিত্য মাসিক উত্তরাধিকার-এর বিক্রয়কেন্দ্র থাকবে।
অমর একুশে গ্রন্থমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশকে ১৫টি গুচ্ছে সাজানো হয়েছে। ভাষাশহীদ আবুল বরকত, আবদুস সালাম, শফিউর রহমান, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার, শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আলতাফ মাহমুদ, সিরাজুদ্দীন হোসেন, ডা. আলীম চৌধুরী, সেলিনা পারভীন, শিশুসাহিত্যিক সাজেদুল করিম, হাবীবুর রহমান, ফয়েজ আহমদ এবং রোকনুজ্জামান খান দাদাভাইয়ের নামে চত্বরগুলো নামাঙ্কিত থাকবে ।
এবার মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকবে শিশুকর্নার। শিশু-কিশোর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বইমেলায় ক্রয়-বিক্রয়ের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, সে জন্যই এ ব্যবস্থা।

No comments:
Post a Comment