প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে দ্বিপক্ষীয়, বহুপক্ষীয়
ও বৈশ্বিক অংশীদারত্ব প্রয়োজন। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে
আসতে হবে।
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন বিষয়ে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পার্লামেন্টের স্পিকারদের সম্মেলনে গতকাল রোববার প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের শেষ দিন ছিল গতকাল। ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) প্রেসিডেন্ট সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব করেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, আইপিইউ ও ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকসহ সব ধরনের উৎস থেকে সম্পদের সরবরাহ প্রয়োজন। কাজেই বৈদেশিক উন্নয়ন-সহায়তা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে এর অন্যতম শর্ত।
সম্মেলনে ১২ দফা ঢাকা ঘোষণা গ্রহণ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এ জন্য প্রতিটি সংসদকে কার্যকর পথ খুঁজে বের করতে হবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আন্তসংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে হবে।
ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে অন্যতম সমস্যা তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার। তাই গ্রাহকের কেনার ক্ষমতা কমিয়ে আনতে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বাড়াতে হবে। সে বিষয়ে সংসদকে কাজ করতে হবে।
সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা, অংশীদারত্ব, সুশাসন, অধিকার ও নিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় আইপিইউর প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রেরণায় বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই উন্নয়নকাজ পর্যবেক্ষণের জন্য সংসদকে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সে জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আইনসভার মধ্যে রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশগুলোকে বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে আগামী মার্চ থেকে তামাকজাত পণ্যের মোড়কে ছবি সংযোজন করে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকের ব্যবহার নির্মূল করতে চাই।’
সম্মেলনে ভারতের লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশ একসঙ্গে শুধু ইতিহাস অনুসরণ করে না, উন্নয়নমূলক কাজও একসঙ্গে করে যাবে। প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে এ অঞ্চলের দেশগুলো একসঙ্গে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছায় সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নেও রাজনৈতিক সদিচ্ছা লাগবে। তাই এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব বাড়াতে হবে।
ভুটানের স্পিকার জিগমে জাংপো বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আঞ্চলিক সহযোগী হিসেবে ভুটান অন্যদের সহযোগিতা করবে।
শ্রীলঙ্কার ডেপুটি স্পিকার থিলাংগা সুমাথিপালা বলেন, এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। এ জন্য অন্য দেশগুলোর সহযোগিতা দরকার।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আফগানিস্তানের স্পিকার আবদুল রউফ ইব্রাহীিম ও মালদ্বীপের স্পিকার আবদুল্লাহ মাসেহ মোহামেদ।
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন বিষয়ে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পার্লামেন্টের স্পিকারদের সম্মেলনে গতকাল রোববার প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের শেষ দিন ছিল গতকাল। ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) প্রেসিডেন্ট সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব করেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, আইপিইউ ও ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকসহ সব ধরনের উৎস থেকে সম্পদের সরবরাহ প্রয়োজন। কাজেই বৈদেশিক উন্নয়ন-সহায়তা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে এর অন্যতম শর্ত।
সম্মেলনে ১২ দফা ঢাকা ঘোষণা গ্রহণ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এ জন্য প্রতিটি সংসদকে কার্যকর পথ খুঁজে বের করতে হবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আন্তসংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে হবে।
ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে অন্যতম সমস্যা তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার। তাই গ্রাহকের কেনার ক্ষমতা কমিয়ে আনতে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বাড়াতে হবে। সে বিষয়ে সংসদকে কাজ করতে হবে।
সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা, অংশীদারত্ব, সুশাসন, অধিকার ও নিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় আইপিইউর প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রেরণায় বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই উন্নয়নকাজ পর্যবেক্ষণের জন্য সংসদকে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সে জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আইনসভার মধ্যে রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশগুলোকে বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে আগামী মার্চ থেকে তামাকজাত পণ্যের মোড়কে ছবি সংযোজন করে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকের ব্যবহার নির্মূল করতে চাই।’
সম্মেলনে ভারতের লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশ একসঙ্গে শুধু ইতিহাস অনুসরণ করে না, উন্নয়নমূলক কাজও একসঙ্গে করে যাবে। প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে এ অঞ্চলের দেশগুলো একসঙ্গে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছায় সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নেও রাজনৈতিক সদিচ্ছা লাগবে। তাই এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব বাড়াতে হবে।
ভুটানের স্পিকার জিগমে জাংপো বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আঞ্চলিক সহযোগী হিসেবে ভুটান অন্যদের সহযোগিতা করবে।
শ্রীলঙ্কার ডেপুটি স্পিকার থিলাংগা সুমাথিপালা বলেন, এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। এ জন্য অন্য দেশগুলোর সহযোগিতা দরকার।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আফগানিস্তানের স্পিকার আবদুল রউফ ইব্রাহীিম ও মালদ্বীপের স্পিকার আবদুল্লাহ মাসেহ মোহামেদ।

No comments:
Post a Comment