ইতিবাচক
প্রবৃদ্ধির ধারায় রফতানি আয়। গত চার মাস থেকে এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। একক
মাস হিসেবে জানুয়ারিতে রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ। আর
অর্থবছরের ৭ মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) বাংলাদেশের রফতানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৯২৬
কোটি ৯৫ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৭৭৯ কোটি ৯৩ লাখ
ডলার। এ হিসাবে রফতানি আয় বেড়েছে ১৪৭ কোটি ডলার। সোমবার রফতানি উন্নয়ন
ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের রফতানি আয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ চিত্র
তুলে ধরা হয়েছে। চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই রফতানি আয়ের
প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক। সে মাসে আয় কমে যায় ১১ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তবে আগস্টে
অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত নভেম্বর শেষে রফতানি
আয়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ ধারা অব্যাহত ছিল ডিসেম্বরেও। প্রতিবেদনে
আরও জানানো হয়েছে, এই সাত মাসে সর্বোচ্চ রফতানি আয় হয়েছে তৈরি পোশাক খাত
থেকে; নিট ও ওভেন মিলিয়ে এক হাজার ৫৭৬ কোটি ডলার। গত বছরের এ সময়ের তুলনায়
এই আয় ৯ শতাংশ বেশি। একক মাস হিসেবে জানুয়ারিতে মোট রফতানি আয় হয়েছে ৩১৮
কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ রফতানি আয় বেশি হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে রফতানি আয়
হয়েছে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার
চেয়ে ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেশি। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য রফতানিতে
বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছিল ১ হাজার ৭৭৯ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।
অর্থাৎ গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে
পণ্য রফতানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের শুধু জানুয়ারিতে বিভিন্ন খাতের রফতানিতে আয় হয়েছে ৩১৮ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। এই মাসে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩০২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ এই মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৫ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও এর আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় প্রায় ২ কোটি মার্কিন ডলার কম আয় হয়েছে জানুয়ারিতে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে রফতানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেশি। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য রফতানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছিল ১ হাজার ৭৭৯ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে তৈরি পোশাকের নিটওয়্যার খাতে আয় হয়েছে ৭৬০ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। ওভেন খাতের পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছে ৮১৫ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেশি। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারির তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে হিমায়িত খাদ্য রফতানি আয় ১৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমেছে।
চলতি অর্থবছরের শুধু জানুয়ারিতে বিভিন্ন খাতের রফতানিতে আয় হয়েছে ৩১৮ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। এই মাসে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩০২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ এই মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৫ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও এর আগের মাস ডিসেম্বরের তুলনায় প্রায় ২ কোটি মার্কিন ডলার কম আয় হয়েছে জানুয়ারিতে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে রফতানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেশি। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য রফতানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছিল ১ হাজার ৭৭৯ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে তৈরি পোশাকের নিটওয়্যার খাতে আয় হয়েছে ৭৬০ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। ওভেন খাতের পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছে ৮১৫ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেশি। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারির তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে হিমায়িত খাদ্য রফতানি আয় ১৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমেছে।

No comments:
Post a Comment