কক্সবাজারে
বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত কার্গো বিমানের নিখোঁজ পাইলট ও কো-পাইলটের লাশ
পাওয়া গেছে। আজ বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সোনাদিয়া এলাকায় সাগরের নিচে
বিমানের ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁদের লাশ তোলেন উদ্ধারকর্মীরা। ঘটনাস্থল থেকে
মুঠোফোনে প্রথম আলোকে এ তথ্য জানিয়েছেন কোস্টগার্ড কক্সবাজারের
কন্টিনজেন্ট কমান্ডার আহসান হাবিব।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, এ নিয়ে এ ঘটনায় বিমানে থাকা চার আরোহীর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হলো। একজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আরোহীদের সবাই ইউক্রেনের বাসিন্দা। উদ্ধারকাজে অংশ নেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে চিংড়ির পোনা নিয়ে ট্রু অ্যাভিয়েশন নামের একটি কার্গো বিমান কক্সবাজার থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হয়। কিন্তু ওড়ার পরপরই বিমানটি জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে এবং যশোরযাত্রা বাতিল করে কক্সবাজারে অবতরণ করবে বলে রেডিও বার্তা পাঠায়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে কক্সবাজার টাওয়ারের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে জানা যায়, বিমানবন্দর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে বিমানটি নাজিরহাট ও সোনাদিয়া দ্বীপের কাছে বিধ্বস্ত হয়। এরপর সেখান থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই গুফারেডের মৃত্যু হয়েছে। আর ফ্লাইট নেভিগেটর প্যাট্রোবিবান জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
ট্রু অ্যাভিয়েশনের পরিচালক গিয়াসউদ্দিন জানান, ভাড়ায় চালিত এসব কার্গো বিমান ইউক্রেন থেকে আনা হয়। দুর্ঘটনার পর প্রথমে বিমানটির ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার গুফারেড (৪০) ও ফ্লাইট নেভিগেটর প্যাট্রোবিবানকে উদ্ধার করা হয়। এরপর পাইলট মুরাদ ও কো-পাইলট পেট্রট ইভানের লাশ উদ্ধার হয়।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার মোহন্ত বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে চিংড়ি পোনা নিয়ে কার্গো বিমানটি যশোরের দিকে যাচ্ছিল। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি কয়েক চক্কর দিয়ে সাগরে বিধ্বস্ত হয়। এর কারণ এখনো জানা যায়নি।
ঘটনা তদন্তে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, এ নিয়ে এ ঘটনায় বিমানে থাকা চার আরোহীর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হলো। একজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আরোহীদের সবাই ইউক্রেনের বাসিন্দা। উদ্ধারকাজে অংশ নেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে চিংড়ির পোনা নিয়ে ট্রু অ্যাভিয়েশন নামের একটি কার্গো বিমান কক্সবাজার থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হয়। কিন্তু ওড়ার পরপরই বিমানটি জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে এবং যশোরযাত্রা বাতিল করে কক্সবাজারে অবতরণ করবে বলে রেডিও বার্তা পাঠায়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে কক্সবাজার টাওয়ারের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে জানা যায়, বিমানবন্দর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে বিমানটি নাজিরহাট ও সোনাদিয়া দ্বীপের কাছে বিধ্বস্ত হয়। এরপর সেখান থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই গুফারেডের মৃত্যু হয়েছে। আর ফ্লাইট নেভিগেটর প্যাট্রোবিবান জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
ট্রু অ্যাভিয়েশনের পরিচালক গিয়াসউদ্দিন জানান, ভাড়ায় চালিত এসব কার্গো বিমান ইউক্রেন থেকে আনা হয়। দুর্ঘটনার পর প্রথমে বিমানটির ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার গুফারেড (৪০) ও ফ্লাইট নেভিগেটর প্যাট্রোবিবানকে উদ্ধার করা হয়। এরপর পাইলট মুরাদ ও কো-পাইলট পেট্রট ইভানের লাশ উদ্ধার হয়।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার মোহন্ত বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে চিংড়ি পোনা নিয়ে কার্গো বিমানটি যশোরের দিকে যাচ্ছিল। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি কয়েক চক্কর দিয়ে সাগরে বিধ্বস্ত হয়। এর কারণ এখনো জানা যায়নি।
ঘটনা তদন্তে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

No comments:
Post a Comment