রাজধানীর
যাত্রাবাড়ী থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ২৮
জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার
মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এ আদেশ দেন।
আজ এ মামলায় অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত এই আদেশ দেন।
গত বছরের ৬ মে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত শেষে খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে অভিযোগপত্র দেয়। অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়াসহ ২৮ জনকে পলাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে পুলিশ। আজ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। আদালত আগামী ২৭ এপ্রিল পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন। এ মামলায় খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, এ মামলায় ঘটনার দিন খালেদা জিয়া পুলিশ দ্বারা অবরুদ্ধ ছিলেন। কিন্তু খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শেষে তাঁকে পলাতক দেখিয়ে অভিযোগপত্র দিয়েছে।
খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী মাছুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, আদালতে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তা নাকচ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। খালেদা জিয়া আত্মসমর্পণ করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাঁর বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা আছে, তিনি সবগুলোতেই হাজির হয়েছেন। এই মামলাটিতেও আইনগতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত খালেদাসহ পলাতক ২৮ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, হাবিব-উন-নবী খান, সালাউদ্দিন আহমদ, সালাউদ্দিন আহমেদ ও তাঁর ছেলে তানভীর আহমেদ, সুলতান সালাউদ্দিন, নবী উল্লাহ নবী প্রমুখ। এ মামলায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, শওকত মাহমুদ, সেলিম ভুইয়া ও রফিকুল ইসলাম জামিনে আছেন। চারজন কারাগারে আটক আছেন।
২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামে এক যাত্রী। ওই ঘটনায় ২৪ জানুয়ারি বিকেলে খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে মামলা করে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ।
আজ এ মামলায় অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত এই আদেশ দেন।
গত বছরের ৬ মে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত শেষে খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে অভিযোগপত্র দেয়। অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়াসহ ২৮ জনকে পলাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে পুলিশ। আজ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। আদালত আগামী ২৭ এপ্রিল পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন। এ মামলায় খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, এ মামলায় ঘটনার দিন খালেদা জিয়া পুলিশ দ্বারা অবরুদ্ধ ছিলেন। কিন্তু খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শেষে তাঁকে পলাতক দেখিয়ে অভিযোগপত্র দিয়েছে।
খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী মাছুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, আদালতে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তা নাকচ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। খালেদা জিয়া আত্মসমর্পণ করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাঁর বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা আছে, তিনি সবগুলোতেই হাজির হয়েছেন। এই মামলাটিতেও আইনগতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত খালেদাসহ পলাতক ২৮ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, হাবিব-উন-নবী খান, সালাউদ্দিন আহমদ, সালাউদ্দিন আহমেদ ও তাঁর ছেলে তানভীর আহমেদ, সুলতান সালাউদ্দিন, নবী উল্লাহ নবী প্রমুখ। এ মামলায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, শওকত মাহমুদ, সেলিম ভুইয়া ও রফিকুল ইসলাম জামিনে আছেন। চারজন কারাগারে আটক আছেন।
২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামে এক যাত্রী। ওই ঘটনায় ২৪ জানুয়ারি বিকেলে খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে মামলা করে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ।

No comments:
Post a Comment