![]() |
| দিনের পর দিন এভাবেই গাদাগাদি করে বসবাস ও পড়াশোনা করছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ছাত্রীরা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা -প্রথম আলো |
৪০
জনের জন্য একটি শৌচাগার, বেসিনও একটি। নেই পড়তে বসার চেয়ার-টেবিল। জায়গা
বাঁচাতে দুই খাট একত্র করে দুজনকে ঘুমাতে হয়। দিনের পর দিন এমন দুর্ভোগ
পোহাচ্ছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের শতাধিক ছাত্রী।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে তিনটি ছাত্রীনিবাস রয়েছে। ৬৫০ জন ছাত্রী এগুলোতে বাস করেন। এর মধ্যে ১২৪ জন ছাত্রীকে থাকতে হয় মানবেতর পরিবেশে। এঁদের আেয়শা সিদ্দিকা ও ফাল্গুনী ছাত্রীনিবাসের টিভি কক্ষে ও নামাজঘরে গাদাগাদি করে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আেয়শা সিদ্দিকা ছাত্রীনিবাসের দ্বিতীয় তলার টিভি কক্ষে ৪০ জন এবং নামাজঘরে ১৭ জন ছাত্রীকে রাখা হয়েছে। ৪০ জন ছাত্রীর জন্য দুটি শৌচাগার ছিল, এর একটি অচল। দুটি বেসিনেরও একটি নষ্ট। তৃতীয় তলার ১৭ জন ছাত্রী, তাঁদের জন্যও রয়েছে একটিমাত্র শৌচাগার ও বেসিন।
ফাল্গুনী ছাত্রীনিবাসের তৃতীয় তলায় কমনরুমে একই অবস্থায় রাখা হয়েছে ৩০ জনকে, চতুর্থ তলায় ২৫ জন এবং দ্বিতীয় তলায় নামাজঘরে রাখা হয়েছে ১২ জন শিক্ষার্থীকে। তাঁদেরও একইভাবে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। তাঁদের জন্য পৃথক কোনো শৌচাগার নেই।
২০১১ সাল থেকে ছাত্রীনিবাসে তাঁদের আসন সংকুলান হচ্ছে না। ১৫ মার্চ দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের আেয়শা সিদ্দিকা ছাত্রীনিবাসের দ্বিতীয় তলার ওই গণরুমে গিয়ে হাটবাজারের মতো দৃশ্য দেখা গেল। খাটগুলো এমনভাবে ঠাসাঠাসি করে রাখা, যেন দেখে মনে হচ্ছে, গ্রামের হাটের ছোট ছোট দোকান। বিছানার ওপরই বালিশ, বইপুস্তক, খাতাপত্র, কাঁথা—সবই রাখা। তার মধ্যেই ছাত্রীরা বসে বইয়ের ওপর যেন উপুড় হয়ে পড়ে আছেন। পড়তে পড়তে এর মাঝেই কেউ কেউ ঘুমিয়ে পড়েছেন।
ছাত্রীরা বলেন, ৪০ জন এক জায়গায় বসে কিছুতেই পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। মানুষ শব্দ না করে তো চলাফেরা করতে পারে না। কেউ ঘুমাতে চাইলেও পাশের জনের জ্বেলে রাখা আলোর কারণে ঘুম আসে না। আবার কেউ বেশি রাত জাগতে চাইলে অন্যের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে আলো জ্বেলে রাখে না।
এ ছাড়া ঠিকমতো লাইনে পানি আসে না। এক বালতি পানি ভরতেই ২০ মিনিট সময় চলে যায়। সকালে শৌচাগারে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ক্লাসের সময় পার হয়ে যায়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ নওশাদ আলী বলেন, প্রথমে ৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য এই মেডিকেল কলেজ করা হয়েছিল। এখন এমবিবিএস ও বিডিএস মিলে প্রতি ব্যাচে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬০ জনে। এ রকম পাঁচটি ব্যাচ সব সময় ক্যাম্পাসে থাকে। সাম্প্রতিক কালে ছাত্রীর সংখ্যা ছাত্রের অনুপাতে বেশি হয়ে যাচ্ছে। এ জন্য তিনটি হোস্টেলে ছাত্রীদের স্থান সংকুলান হচ্ছে না। মন্ত্রীরা যখন এখানে আসেন, তাঁদের এই সমস্যার কথা বলা হয়। কিন্তু কোনোই সমাধান হচ্ছে না।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে তিনটি ছাত্রীনিবাস রয়েছে। ৬৫০ জন ছাত্রী এগুলোতে বাস করেন। এর মধ্যে ১২৪ জন ছাত্রীকে থাকতে হয় মানবেতর পরিবেশে। এঁদের আেয়শা সিদ্দিকা ও ফাল্গুনী ছাত্রীনিবাসের টিভি কক্ষে ও নামাজঘরে গাদাগাদি করে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আেয়শা সিদ্দিকা ছাত্রীনিবাসের দ্বিতীয় তলার টিভি কক্ষে ৪০ জন এবং নামাজঘরে ১৭ জন ছাত্রীকে রাখা হয়েছে। ৪০ জন ছাত্রীর জন্য দুটি শৌচাগার ছিল, এর একটি অচল। দুটি বেসিনেরও একটি নষ্ট। তৃতীয় তলার ১৭ জন ছাত্রী, তাঁদের জন্যও রয়েছে একটিমাত্র শৌচাগার ও বেসিন।
ফাল্গুনী ছাত্রীনিবাসের তৃতীয় তলায় কমনরুমে একই অবস্থায় রাখা হয়েছে ৩০ জনকে, চতুর্থ তলায় ২৫ জন এবং দ্বিতীয় তলায় নামাজঘরে রাখা হয়েছে ১২ জন শিক্ষার্থীকে। তাঁদেরও একইভাবে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। তাঁদের জন্য পৃথক কোনো শৌচাগার নেই।
২০১১ সাল থেকে ছাত্রীনিবাসে তাঁদের আসন সংকুলান হচ্ছে না। ১৫ মার্চ দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের আেয়শা সিদ্দিকা ছাত্রীনিবাসের দ্বিতীয় তলার ওই গণরুমে গিয়ে হাটবাজারের মতো দৃশ্য দেখা গেল। খাটগুলো এমনভাবে ঠাসাঠাসি করে রাখা, যেন দেখে মনে হচ্ছে, গ্রামের হাটের ছোট ছোট দোকান। বিছানার ওপরই বালিশ, বইপুস্তক, খাতাপত্র, কাঁথা—সবই রাখা। তার মধ্যেই ছাত্রীরা বসে বইয়ের ওপর যেন উপুড় হয়ে পড়ে আছেন। পড়তে পড়তে এর মাঝেই কেউ কেউ ঘুমিয়ে পড়েছেন।
ছাত্রীরা বলেন, ৪০ জন এক জায়গায় বসে কিছুতেই পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। মানুষ শব্দ না করে তো চলাফেরা করতে পারে না। কেউ ঘুমাতে চাইলেও পাশের জনের জ্বেলে রাখা আলোর কারণে ঘুম আসে না। আবার কেউ বেশি রাত জাগতে চাইলে অন্যের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে আলো জ্বেলে রাখে না।
এ ছাড়া ঠিকমতো লাইনে পানি আসে না। এক বালতি পানি ভরতেই ২০ মিনিট সময় চলে যায়। সকালে শৌচাগারে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ক্লাসের সময় পার হয়ে যায়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ নওশাদ আলী বলেন, প্রথমে ৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য এই মেডিকেল কলেজ করা হয়েছিল। এখন এমবিবিএস ও বিডিএস মিলে প্রতি ব্যাচে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬০ জনে। এ রকম পাঁচটি ব্যাচ সব সময় ক্যাম্পাসে থাকে। সাম্প্রতিক কালে ছাত্রীর সংখ্যা ছাত্রের অনুপাতে বেশি হয়ে যাচ্ছে। এ জন্য তিনটি হোস্টেলে ছাত্রীদের স্থান সংকুলান হচ্ছে না। মন্ত্রীরা যখন এখানে আসেন, তাঁদের এই সমস্যার কথা বলা হয়। কিন্তু কোনোই সমাধান হচ্ছে না।

No comments:
Post a Comment