![]() |
| এসব ড্রামে ভরে পানি নিয়ে ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হতো বিক্রির জন্য। ছবি: জুয়েল শীল |
অবৈধ
গভীর নলকূপ বসিয়ে এবং ওয়াসার লাইন নিয়ে ‘মিনি ওয়াসা’ বানিয়ে পানির
ব্যবসা শুরু করেছিলেন নগরের হালিশহর এক্সেস রোডের আনন্দপুর এলাকার মো.
মোরশেদ নামের এক ব্যক্তি। আজ রোববার বিকেলে চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষের
অভিযানে এই জোচ্চুরি ধরা পড়ে। পরে তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার
টাকা জরিমানা করা হয়।
মো. মোরশেদের আনন্দপুর এলাকায় নিজের দোতলা বাড়িতে এই ব্যবসা খুলে বসেন। অভিযানকালে জব্দ করা হয় পানি বিক্রির ছয়টি ভ্যান গাড়ি, প্লাস্টিকের পাইপ ও পানি তোলার কাজে নিয়োজিত তিনটি পাম্প।
মো. মোরশেদের আনন্দপুর এলাকায় নিজের দোতলা বাড়িতে এই ব্যবসা খুলে বসেন। অভিযানকালে জব্দ করা হয় পানি বিক্রির ছয়টি ভ্যান গাড়ি, প্লাস্টিকের পাইপ ও পানি তোলার কাজে নিয়োজিত তিনটি পাম্প।
![]() |
| দুটি বৈধ লাইন থাকলেও ওয়াসার লাইন থেকে চুরি করে আরও চারটি লাইন নেওয়া হয়। ছবি: জুয়েল শীল |
ওয়াসার
ম্যাজিস্ট্রেট হিল্লোল বিশ্বাস অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় ওয়াসার
রাজস্ব কর্মকর্তা হোসাইন আলী উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ অভিযানে সহযোগিতা করে।
হিল্লোল বিশ্বাস বলেন, মোরশেদ তাঁর বাড়ির সামনে সীমানা দেয়ালঘেরা খোলা জায়গায় পাম্প দিয়ে পানি তুলে তা বিক্রি করছিলেন। এটি একটি মিনি ওয়াসার মতো ব্যাপার। তাঁর দুটি বৈধ লাইন থাকলেও ওয়াসার লাইন থেকে চুরি করে আরও চারটি লাইন নেন। একটি গভীর নলকূপও স্থাপন করেন। এ জন্য কোনো অনুমতিও নেননি।
হিল্লোল বিশ্বাস বলেন, মোরশেদ তাঁর বাড়ির সামনে সীমানা দেয়ালঘেরা খোলা জায়গায় পাম্প দিয়ে পানি তুলে তা বিক্রি করছিলেন। এটি একটি মিনি ওয়াসার মতো ব্যাপার। তাঁর দুটি বৈধ লাইন থাকলেও ওয়াসার লাইন থেকে চুরি করে আরও চারটি লাইন নেন। একটি গভীর নলকূপও স্থাপন করেন। এ জন্য কোনো অনুমতিও নেননি।
![]() |
| কেটে দেওয়া হয় ড্রামে পানি ভর্তির পাইপ। ছবি: জুয়েল শীল |
সরেজমিনে
দেখা গেছে, গভীর নলকূপ ও অবৈধ লাইন থেকে পানি তুলে একটি পাঁচ হাজার লিটার
প্লাস্টিক ট্যাংকে জমা রাখা হয়। পরে ওই ট্যাংক থেকে পাইপের মাধ্যমে পানির
বিভিন্ন ড্রামে ভর্তি করা হচ্ছে।
অভিযানকালে সেখানে পানির ছয়টি ভ্যান দেখা যায়। মো. মোরশেদ অভিযানের সময় ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান, মোট ১৫টি ভ্যানে করে পানি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়।
হিল্লোল বিশ্বাস বলেন, প্রতি ড্রামের পানির জন্য নেওয়া ২৫০ টাকা। ২০০৭ সাল থেকে তিনি এই ব্যবসা করে আসছেন। তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়।
অভিযানকালে সেখানে পানির ছয়টি ভ্যান দেখা যায়। মো. মোরশেদ অভিযানের সময় ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান, মোট ১৫টি ভ্যানে করে পানি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়।
হিল্লোল বিশ্বাস বলেন, প্রতি ড্রামের পানির জন্য নেওয়া ২৫০ টাকা। ২০০৭ সাল থেকে তিনি এই ব্যবসা করে আসছেন। তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়।



No comments:
Post a Comment