চট্টগ্রামের
বাসিন্দা ৬৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তির রক্তের নমুনায় জিকা ভাইরাসের অস্তিত্ব
পাওয়া গেছে। দুই বছর আগে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ
করা হয়েছিল। তখন অবশ্য জিকা ভাইরাসের পরীক্ষা করা হয়নি। কিছুদিন আগে রক্তের
ওই নমুনা পুনরায় পরীক্ষা করা হলে জিকা ভাইরাস শনাক্ত হয়।
দেশে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার তথ্য গতকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তি এখন সুস্থ রয়েছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ভালো আছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিকা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। গর্ভবতী নারীদের মশা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি। জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত নারীর গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক অপরিপক্ব থেকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
দুপুরে ঢাকায় প্রতিমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর বিকেলে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির নাম-পরিচয় গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অহেতুক আতঙ্ক না ছড়াতে এবং রোগীর সামাজিক সম্মানহানি যাতে না হয় সে জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে রয়েছেন। তবে ওই ব্যক্তি কখনো দেশের বাইরে ছিলেন কি না—সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি।
সিভিল সার্জন বলেন, ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করেছিলেন ওই ব্যক্তি। তাঁর রক্তের নমুনা পরীক্ষায় তখন ডেঙ্গু শনাক্ত হয়নি। ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে জানানো হয়েছিল, রক্তের নমুনা পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত না হলেও শরীরে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে কি না সে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এরপর বিভিন্ন হাসপাতালে যেসব রোগী ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য রক্তের নমুনা জমা দিয়েছিলেন, তা পুনরায় পর্যালোচনা করা হয়। পর্যালোচনা করার সময়ই সন্দেহ তৈরি হয়েছিল ওই ব্যক্তি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাঁর রক্তের নমুনা পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে পাঠানো হয়।
আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একটি দল ১৪ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ছিল। তাঁরা ওই ব্যক্তির রক্তের নমুনা নতুন করে সংগ্রহ করেন। নতুন করে সংগ্রহ করা রক্তের নমুনাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এই রোগ অনেকটা ডেঙ্গুর মতো। প্রাথমিক লক্ষণ হচ্ছে চোখ লাল হয়ে যাওয়া, সর্দি, জ্বর, কাশি। এর চিকিৎসাও অনেকটা ডেঙ্গুর মতো। রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার খেতে হয়।
জানতে চাইলে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আইইডিসিআর, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য। সেই নমুনা বিশ্লেষণের সময় জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে।
দেশে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার তথ্য গতকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তি এখন সুস্থ রয়েছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ভালো আছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিকা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। গর্ভবতী নারীদের মশা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি। জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত নারীর গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক অপরিপক্ব থেকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
দুপুরে ঢাকায় প্রতিমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর বিকেলে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির নাম-পরিচয় গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অহেতুক আতঙ্ক না ছড়াতে এবং রোগীর সামাজিক সম্মানহানি যাতে না হয় সে জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে রয়েছেন। তবে ওই ব্যক্তি কখনো দেশের বাইরে ছিলেন কি না—সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি।
সিভিল সার্জন বলেন, ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করেছিলেন ওই ব্যক্তি। তাঁর রক্তের নমুনা পরীক্ষায় তখন ডেঙ্গু শনাক্ত হয়নি। ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে জানানো হয়েছিল, রক্তের নমুনা পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত না হলেও শরীরে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে কি না সে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এরপর বিভিন্ন হাসপাতালে যেসব রোগী ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য রক্তের নমুনা জমা দিয়েছিলেন, তা পুনরায় পর্যালোচনা করা হয়। পর্যালোচনা করার সময়ই সন্দেহ তৈরি হয়েছিল ওই ব্যক্তি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাঁর রক্তের নমুনা পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে পাঠানো হয়।
আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একটি দল ১৪ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ছিল। তাঁরা ওই ব্যক্তির রক্তের নমুনা নতুন করে সংগ্রহ করেন। নতুন করে সংগ্রহ করা রক্তের নমুনাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এই রোগ অনেকটা ডেঙ্গুর মতো। প্রাথমিক লক্ষণ হচ্ছে চোখ লাল হয়ে যাওয়া, সর্দি, জ্বর, কাশি। এর চিকিৎসাও অনেকটা ডেঙ্গুর মতো। রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার খেতে হয়।
জানতে চাইলে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আইইডিসিআর, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য। সেই নমুনা বিশ্লেষণের সময় জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে।

No comments:
Post a Comment