মিয়ানমারের
গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী ও ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান অং
সান সু চি মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার জন্য মনোনীত হয়েছেন। তিনি পরবর্তী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার
কারণে প্রেসিডেন্ট হতে না পারা সু চি প্রশাসনিক কোনো পদে আনুষ্ঠানিকভাবে
মনোনীত হলেন।
আজ মঙ্গলবার এএফপির খবরে জানানো হয়, পার্লামেন্টের স্পিকার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। তবে সু চি ও অন্যরা কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেননি তিনি।
পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে স্পিকার মান উইন খাইং বলেন, ‘যাঁরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে পারেন বলে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্টের কাছে প্রস্তাব করছেন, তাঁদের নামের তালিকা তুলে ধরছি।’ এই সপ্তাহের শেষ দিকে পার্লামেন্টে ভোটাভুটির মাধ্যমে মন্ত্রিত্ব চূড়ান্ত করা হবে।
পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, সু চি সম্ভবত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। এতে তিনি দেশটির প্রভাবশালী নিরাপত্তা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাব বজায় রাখতে পারবেন। দেশের প্রভাবশালী নিরাপত্তা পরিষদে এখনো সামরিক বাহিনীর প্রভাব অনেক বেশি।
আজ মঙ্গলবার এএফপির খবরে জানানো হয়, পার্লামেন্টের স্পিকার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। তবে সু চি ও অন্যরা কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেননি তিনি।
পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে স্পিকার মান উইন খাইং বলেন, ‘যাঁরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে পারেন বলে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্টের কাছে প্রস্তাব করছেন, তাঁদের নামের তালিকা তুলে ধরছি।’ এই সপ্তাহের শেষ দিকে পার্লামেন্টে ভোটাভুটির মাধ্যমে মন্ত্রিত্ব চূড়ান্ত করা হবে।
পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, সু চি সম্ভবত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। এতে তিনি দেশটির প্রভাবশালী নিরাপত্তা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাব বজায় রাখতে পারবেন। দেশের প্রভাবশালী নিরাপত্তা পরিষদে এখনো সামরিক বাহিনীর প্রভাব অনেক বেশি।

No comments:
Post a Comment