কুড়িগ্রাম
পৌরসভার গাড়িয়াল পাড়ায় হোসেন আলী (৬৮) নামের এক খ্রিষ্টান নাগরিককে গলা
কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সকাল ৭টার দিকে হোসেন আলীর নিজ বাড়ির
সামনে এই ঘটনা ঘটে। ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পালিয়ে যায়
দুর্বৃত্তরা। ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন
বিভাগ।
পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী মোগলবাসা ইউনিয়নের চর সিতাই ঝাড়ের মৃত: ছেপাত উল্লাহ ছেলে। তিনি পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে গেল বছর অবসরে যান। চাকুরির সুবাদে ২০ বছর আগে এই এলাকায় বাড়ি করেন তিনি। এরমধ্যে ১০ বছর আগে তিনি মুসলিম ধর্ম থেকে খ্রিষ্টান ধর্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ নং-ম-৯৪৭৩৫৫ এবং স্বারক নাম্বার বি/ম/সা/কুড়িগ্রাম/প্র:৩/৪৩/২০০২/২৯৮০। প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ির সামনে আশরাফিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পাকা রাস্তায় হাটাহাটি করছিলেন। সকাল বেলা রাস্তায় তেমন লোকজনের সমাগম ছিলনা। একটি মোটর সাইকেলে ৩ জন আরোহী ছিল। যাদের মধ্যে ২ জন হেলমেট পড়েছিল এবং অপর একজন ফর্সা করে যুবক হেলমেট ছাড়া। তারা প্রত্যেকেই শার্ট এবং ফুলপ্যান্ট পড়া ছিল। এদের মধ্যে মোটর সাইকেল থেকে ২ জন আকস্মিকভাবে নেমে আল্লাহু আকবার বলে পথচারি মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে কোপ মারলে তিনি পড়ে যায়। পরে তাকে জবাই করে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা সেখানে ২টি ককটেল ফাটিয়ে পালিয়ে যায়। মৃত্যু নিশ্চিত করে যাওয়ার সময় কলেজ পাড়ার তালতলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সাকিবের বাড়ির গেটের সামনে আরো একটি ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে লোকজনের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। জেলা পুলিশ সুপার তবারক উল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় আতংক ছড়ানোর চেষ্টা করে। এরমধ্যে ২টি ককটেল অবিষ্ফোরিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আমাদের বিশেষ দল সেগুলো নষ্ট করবে। তবে উগ্রপন্থি নাকি শত্রুতার কারণে এই হত্যাকান্ড ঘটেছে তা আমরা ক্ষতিয়ে দেখেছি।
পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী মোগলবাসা ইউনিয়নের চর সিতাই ঝাড়ের মৃত: ছেপাত উল্লাহ ছেলে। তিনি পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে গেল বছর অবসরে যান। চাকুরির সুবাদে ২০ বছর আগে এই এলাকায় বাড়ি করেন তিনি। এরমধ্যে ১০ বছর আগে তিনি মুসলিম ধর্ম থেকে খ্রিষ্টান ধর্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ নং-ম-৯৪৭৩৫৫ এবং স্বারক নাম্বার বি/ম/সা/কুড়িগ্রাম/প্র:৩/৪৩/২০০২/২৯৮০। প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ির সামনে আশরাফিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পাকা রাস্তায় হাটাহাটি করছিলেন। সকাল বেলা রাস্তায় তেমন লোকজনের সমাগম ছিলনা। একটি মোটর সাইকেলে ৩ জন আরোহী ছিল। যাদের মধ্যে ২ জন হেলমেট পড়েছিল এবং অপর একজন ফর্সা করে যুবক হেলমেট ছাড়া। তারা প্রত্যেকেই শার্ট এবং ফুলপ্যান্ট পড়া ছিল। এদের মধ্যে মোটর সাইকেল থেকে ২ জন আকস্মিকভাবে নেমে আল্লাহু আকবার বলে পথচারি মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে কোপ মারলে তিনি পড়ে যায়। পরে তাকে জবাই করে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা সেখানে ২টি ককটেল ফাটিয়ে পালিয়ে যায়। মৃত্যু নিশ্চিত করে যাওয়ার সময় কলেজ পাড়ার তালতলায় জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সাকিবের বাড়ির গেটের সামনে আরো একটি ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে লোকজনের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। জেলা পুলিশ সুপার তবারক উল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় আতংক ছড়ানোর চেষ্টা করে। এরমধ্যে ২টি ককটেল অবিষ্ফোরিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আমাদের বিশেষ দল সেগুলো নষ্ট করবে। তবে উগ্রপন্থি নাকি শত্রুতার কারণে এই হত্যাকান্ড ঘটেছে তা আমরা ক্ষতিয়ে দেখেছি।

No comments:
Post a Comment