আরবের
অন্যতম গৃহযুদ্ধ কবলিত ও দারিদ্র্যতম দেশ ইয়েমেনে আগামী ১০ এপ্রিল থেকে
অস্ত্রবিরতি চুক্তি কার্যকর কারার কথা বলা হয়েছে। এর মাত্র এক সপ্তাহ পরই
নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু করবে দেশটির সরকার ও শিয়াপন্থি হাউথি
বিদ্রোহীরা। গত বুধবার জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইসমাইল ওউলদ চেইখ আহমেদের বরাতে
এ তথ্য জানা গেছে। এ অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি গৃহযুদ্ধ
থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ দূত। ইয়েমেনে
গৃহযুদ্ধের শুরু ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। তখন ইরানের মদতপুষ্ট হাউথি
বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা দখল করে নিলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এডেন
শহরে চলে যেতে বাধ্য হয়। গত বুধবার নিউ ইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের
বিশেষ দূত ইসমাইল ওউলদ চেইখ আহমেদ বলেন, বিবাদমান দুই পক্ষই জাতীয় পর্যায়ে
অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে রাজি হয়েছে। ১০ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ওই চুক্তি
কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ১৮ এপ্রিল কুয়েতে
অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় পর্যায়ের শান্তি আলোচনায় যোগ দেবেন সরকার ও বিদ্রোহী
প্রতিনিধিরা।
ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় এ পর্যন্ত ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। গতবছরের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া ওই বিমান হামলায় বেশ কিছু এলাকা থেকে পিছু হটেছে হাউথি বিদ্রোহীরা। যদিও তারা এখনো রাজধানী সানা দখল করে আছে। জাতিসংঘের উদ্যোগে এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর আরো একবার অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছিল লড়াইরত দুই পক্ষ। কিন্তু তখন তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘণের অভিযোগ আনায় সেটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। যার ফলে গত ২ জানুয়ারি অস্ত্রবিরতি চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল সৌদি জোট। মাত্র গত মাসেই জাতিসংঘ দূত ইসমাইল ওউলদ বলেছিলেন, ইয়েমেনের লড়াইরত দলগুলো নতুন দফা শান্তি আলোচনায় একমত হতে পারেনি। এবার অস্ত্রবিরতির খবর আসার পর মনে হচ্ছে তারা বেশ কিছু বিষয়ে একমত হতে পেরেছে।
মাত্র এর একদিন আগেই দেশটির পার্বত্য অঞ্চলে আল-কায়েদা ও তার সহযোগীদের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে মার্কিন সামরিক বিমান হামলায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছিল। নিহতদের অধিকাংশই আল-কায়দার যোদ্ধা বলে জানিয়েছিল পেন্টাগন। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা গেছে নিহতের মধ্যে বেশ কিছু নারী ও শিশুও ছিল। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে দেশটিতে হাউথি বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যকার বিভাজনের সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদা। দেশটিতে গৃহযুদ্ধ ও সৌদি হস্তক্ষেপের মধ্যে দিয়ে নাজুক অবস্থায় পড়ে সরকারবিহীন অবস্থায় কাটাচ্ছে দেশটির জনগণ। এমতাবস্থায় আল-কায়েদা যে এর সুযোগ নেবে সেটি আগে থেকেই জানা ছিল। বিগত কয়েক মাসে আল-কায়েদা বেশ কিছু অঞ্চলের দখল নেয়ার মধ্য দিয়ে সে অবস্থারই প্রতিফলন ঘটেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছে। এমতাবস্থায় দেশটির বিবদমান দুটি পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরোতি ও শান্তি আলোচনা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বিশেষজ্ঞরা। এএফপি, আল-জাজিরা, আল আরাবিয়া।
ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় এ পর্যন্ত ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। গতবছরের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া ওই বিমান হামলায় বেশ কিছু এলাকা থেকে পিছু হটেছে হাউথি বিদ্রোহীরা। যদিও তারা এখনো রাজধানী সানা দখল করে আছে। জাতিসংঘের উদ্যোগে এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর আরো একবার অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছিল লড়াইরত দুই পক্ষ। কিন্তু তখন তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘণের অভিযোগ আনায় সেটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। যার ফলে গত ২ জানুয়ারি অস্ত্রবিরতি চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল সৌদি জোট। মাত্র গত মাসেই জাতিসংঘ দূত ইসমাইল ওউলদ বলেছিলেন, ইয়েমেনের লড়াইরত দলগুলো নতুন দফা শান্তি আলোচনায় একমত হতে পারেনি। এবার অস্ত্রবিরতির খবর আসার পর মনে হচ্ছে তারা বেশ কিছু বিষয়ে একমত হতে পেরেছে।
মাত্র এর একদিন আগেই দেশটির পার্বত্য অঞ্চলে আল-কায়েদা ও তার সহযোগীদের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে মার্কিন সামরিক বিমান হামলায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছিল। নিহতদের অধিকাংশই আল-কায়দার যোদ্ধা বলে জানিয়েছিল পেন্টাগন। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা গেছে নিহতের মধ্যে বেশ কিছু নারী ও শিশুও ছিল। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে দেশটিতে হাউথি বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যকার বিভাজনের সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদা। দেশটিতে গৃহযুদ্ধ ও সৌদি হস্তক্ষেপের মধ্যে দিয়ে নাজুক অবস্থায় পড়ে সরকারবিহীন অবস্থায় কাটাচ্ছে দেশটির জনগণ। এমতাবস্থায় আল-কায়েদা যে এর সুযোগ নেবে সেটি আগে থেকেই জানা ছিল। বিগত কয়েক মাসে আল-কায়েদা বেশ কিছু অঞ্চলের দখল নেয়ার মধ্য দিয়ে সে অবস্থারই প্রতিফলন ঘটেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছে। এমতাবস্থায় দেশটির বিবদমান দুটি পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরোতি ও শান্তি আলোচনা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বিশেষজ্ঞরা। এএফপি, আল-জাজিরা, আল আরাবিয়া।

No comments:
Post a Comment