রাজধানীর
পুরানা পল্টনে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ করেছে হেফাজতে
ইসলামসহ অন্যান্য ইসলামিক সংগঠন। ‘বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম বহাল ও
সংবিধান থেকে ইসলাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে শুক্রবার জুম্মার
নামাজের পর এ বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা। জুম্মা নামাজের পর থেকে হাজার
হাজার কর্মী এ বিক্ষোভে অংশ নিয়ে মিছিল করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুরানা পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলার মোড় পর্যন্ত পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ছিল। পল্টন মোড়ের বায়তুল মোকাররম মসজিদের পথটি পুলিশ আটকে দেয়। যাতে করে ইসলামী সংগঠনগুলোর মিছিল পল্টন মোড় অতিক্রম করতে না পারে। এ ছাড়াও পুলিশের সাঁজোয়া যানও পল্টন মোড়ে প্রস্তুত রাখা হয়। পুরানা পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলার মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুই পারে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়।
হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরের সভাপতি আল্লামা যোবায়ের হোসাইন কাশমীর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন— হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সদস্য সচিব মাওলানা শফিক উদ্দিন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা মতিউর রহমান গাজিপুরী, মুফতি শরীফুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হাকিম, ইসলামী ফ্রন্ট যুবসেনার সভাপতি অধ্যাপক এম এ মমিন প্রমুখ।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পেট্রোলটিমের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ‘বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য এ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরানা পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলার মোড় পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।’
এর আগে, বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাতিলের ষড়যন্ত্র বন্ধ এবং রাষ্ট্রধর্মের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে শুনানির কার্যতালিকায় থাকা রিট মামলা বাতিলের দাবিতে ২৫ মার্চ সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুরানা পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলার মোড় পর্যন্ত পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ছিল। পল্টন মোড়ের বায়তুল মোকাররম মসজিদের পথটি পুলিশ আটকে দেয়। যাতে করে ইসলামী সংগঠনগুলোর মিছিল পল্টন মোড় অতিক্রম করতে না পারে। এ ছাড়াও পুলিশের সাঁজোয়া যানও পল্টন মোড়ে প্রস্তুত রাখা হয়। পুরানা পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলার মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুই পারে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়।
হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরের সভাপতি আল্লামা যোবায়ের হোসাইন কাশমীর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন— হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সদস্য সচিব মাওলানা শফিক উদ্দিন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা মতিউর রহমান গাজিপুরী, মুফতি শরীফুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হাকিম, ইসলামী ফ্রন্ট যুবসেনার সভাপতি অধ্যাপক এম এ মমিন প্রমুখ।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পেট্রোলটিমের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, ‘বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য এ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরানা পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলার মোড় পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।’
এর আগে, বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাতিলের ষড়যন্ত্র বন্ধ এবং রাষ্ট্রধর্মের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে শুনানির কার্যতালিকায় থাকা রিট মামলা বাতিলের দাবিতে ২৫ মার্চ সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম।

No comments:
Post a Comment