Thursday, March 31, 2016

আফ্রিদি সিরিয়াস ছিলেন না,অভিযোগ ওয়াকারের

আফ্রিদি সিরিয়াস ছিলেন না বলেই দাবি ওয়াকারের।
প্রতিবেদনটা গোপনীয় ছিল। এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ব্যর্থতার কারণ বর্ণনা করে তদন্ত কমিটির কাছে প্রতিবেদনটা জমা দিয়েছিলেন কোচ ওয়াকার ইউনিস। কিন্তু সেই প্রতিবেদন ফাঁস হয়ে গেছে। সবাই জেনে গেছে ওয়াকার কী বলেছেন, তার খেলোয়াড়দের ব্যাপারে। কোচের সবচেয়ে বেশি অভিযোগের তির অধিনায়কের দিকেই। তাঁর অভিযোগ এশিয়া কাপ আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি একেবারেই সিরিয়াস ছিলেন না। মোহাম্মদ হাফিজও নাকি দুটি টুর্নামেন্ট খেলেছেন তাঁর হাঁটুর চোট গোপন করে। ওয়াকার তাঁর প্রতিবেদনে বলেছেন, আফ্রিদি প্রায়ই দলের অনুশীলন মিস করতেন। অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও টিম মিটিংয়ে অনেক দিনই দিনই অনুপস্থিত ছিলেন। মোট কথা, খেলা নিয়ে মোটেও সিরিয়াস ছিলেন না আফ্রিদি। উমর আকমল ও আহমেদ শেহজাদের শৃঙ্খলা-বিরোধী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন ওয়াকার। নিজের প্রতিবেদনে ওয়াকার পাকিস্তানের ক্রিকেটকে ঢেলে সাজানোরও পরামর্শ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘ক্রিকেটকে বাঁচাতে একেবারে শিকড়ে যেতে হবে। অতীতেও এই ধরনের পরিস্থিতিতে কর্মপন্থা নিয়ে ভাবা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবে কোনো কিছুই কাজে আসেনি। এবার এই পরিস্থিতি বদলানো দরকার। আমাদের দলে “বীর” দরকার, কোনো “তারকা”র দরকার নেই।’ মিডিয়ায় এসব ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর ওয়াকার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। যদিও এ রকম অতি গোপনীয় তথ্য ফাঁস হওয়া পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন কোনো ঘটনা নয়। ওয়াকার বলেছেন, ‘আমি সত্যিই খুব হতাশ ও বি​​স্মিত যেভাবে এই প্রতিবেদন ফাঁস হয়ে গেল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের উচিত কে বা কারা এটা কী উদ্দেশ্যে ফাঁস করল তা তদন্ত করে দেখা।’ মিডিয়ায় তাঁর প্রতিবেদন সম্পর্কে যেসব কথা এসেছে, তার কোনোটাই কিন্তু ওয়াকার অস্বীকার করেননি। বরং বলেছেন, ‘শুধু এতটুকু বলতে পারি, যা মন থেকে অনুভব করেছি সেটাই লিখেছি প্রতিবেদনে। এখন বোর্ডকে ঠিক করতে হবে তারা কী করব। আগেও বলেছি, লোক দেখানো কিছু পরিবর্তন করলে সেটা কখনোই পাকিস্তানের ক্রিকেটে ভালো কিছু আনবে না।’

No comments:

Post a Comment