Tuesday, March 29, 2016

বাড্ডার স্কুল থেকে দুই শিশু বহিষ্কার  বাবার রিটের শুনানি হতে পারে আজ- পড়তে চেয়ে হাইকোর্টে শিশুরা

মালিহা মাসকান আহমেদ ও মানইউ আহমেদ
নামের দুই শিক্ষার্থীকে জন উইলসন স্কুল কর্তৃক
বহিষ্কার করায় তাদের বাবা মিনহাজ আহমেদ
হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। গতকাল তিনি
দুই শিশুকে নিয়ে হাইকোর্টে যান
বাড্ডার স্যার জন উইলসন স্কুলের দুই শিক্ষার্থীকে স্কুল কর্তৃপক্ষের বহিষ্কারাদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন ওই দুই শিক্ষার্থীর বাবা মিনহাজ আহমেদ। আজ মঙ্গলবার আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের আজকের কার্যতালিকায় আবেদনটি ৪২ নম্বরে শুনানির জন্য রয়েছে। মিনহাজ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ২৪ মার্চ তিনি হাইকোর্টে এই আবেদনটি করেন। গতকাল সোমবার এটি কার্যতালিকার ৮২ নম্বরে ছিল। তবে গতকাল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ১০ মার্চ মিনহাজ আহমেদ তাঁর ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে গেলে ওই স্কুলের অভ্যর্থনাকক্ষে থাকা কর্মী জানতে চান, স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কেমন হয়েছে। ওই কর্মীর কথার জবাবে তিনি বলেন, ভালোই। কিন্তু স্কুলের মাঠটি এতই ছোট যে সেখানে ঠিকভাবে খেলাধুলা করা যায় না। এ সময় অভ্যর্থনাকক্ষের কর্মী মাঠ না থাকার বিষয়টি প্রকল্প পরিচালককে জানাতে বলেন। কর্মীর সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে এক ব্যক্তি এগিয়ে এসে নিজেকে প্রকল্প পরিচালক পরিচয় দিয়ে কথা বলতে চান। এরপর মাঠ নিয়ে তাঁর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। মিনহাজ আহমেদ বলেন, ‘আমি তাদের বলি স্কুলটি যেহেতু নিজের জায়গায় জমি কিনে ভবন করেছে, সেখানে মাঠটা একটু বড় করলেই হতো। এতে ওই ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে তর্ক শুরু করেন। আমি তখন আর এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হইনি। ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ফেরার পর ওই দিন বিকেলেই স্কুল কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়ে জানায়, আমার দুই সন্তান আর এই স্কুলে পড়তে পারবে না।’ পরে মিনহাজ আহমেদ স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। তবে তারপরও তাঁর সন্তানদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। এরপর তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। মিনহাজ আহমেদের এক মেয়ে ও এক ছেলে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। জন উইলসন স্কুলটি আগে গুলশানে ছিল। মাস তিনেক আগে এটি বাড্ডার সাতারকুলে কেনা জমিতে স্থায়ী ভবনে যায়।

No comments:

Post a Comment