![]() |
| বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর ফজলে কবির দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে গতকাল রোববার ঢাকার মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন |
নতুন
কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত গভর্নর ফজলে কবির।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে তিনি বাংলাদেশ
ব্যাংকে যোগ দেন। এর আগে তিনি সকাল সোয়া ১০টার দিকে তাঁর পূর্ব কর্মস্থল
সোনালী ব্যাংকে যান। সেখানে পদত্যাগপত্রের আনুষঙ্গিক দাপ্তরিক কার্যক্রম
শেষে নতুন কর্মস্থলে যান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যোগদানের পরপরই নিজের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গভর্নর। এ সময় তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ মার্চ আতিউর রহমানের পদত্যাগের পর সরকার ১৬ মার্চ ফজলে কবিরকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়। গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। গভর্নর হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের আগে সেই পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
নবনিযুক্ত গভর্নর সাংবাদিকদের বলেছেন, অর্থ চুরির মতো ঘটনার যাতে আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদার করা হবে তাঁর দ্বিতীয় অগ্রাধিকার কাজ। এ ছাড়া অর্থ চুরির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মধ্যে যদি আস্থার ঘাটতি তৈরি হয় সেটি দূর করে তাঁদের মনোবল ফিরিয়ে আনাকে অগ্রাধিকার কাজের তালিকায় রেখেছেন গভর্নর।
এদিকে, রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য ‘জেগে উঠার ডাক (ওয়েক আপ কল)’ হিসেবে অভিহিত করেন ফজলে কবির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এ সময় সাংবাদিকদের বেশ কিছু প্রশ্নেরও জবাব দেন গভর্নর। এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, অতীতের অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব কার্যক্রম রয়েছে সেগুলো যথারীতি চলবে। সেখানে কোনো পরিবর্তন করা হবে না।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে কমিটি করা হয়েছে সেটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ সময় সাংবাদিকেরা জানতে চান রাকেশ আস্তানার বর্তমান যে কার্যক্রম সেটি অব্যাহত থাকবে কি না? জবাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, রাকেশ আস্তানাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রকল্পের আওতায় আইটি গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট হিসেবে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কাজের যে পরিধি সেটির অংশ হিসেবে তাঁকে অর্থ চুরির ঘটনা অনুসন্ধানে ‘ফরেনসিক তদন্ত’কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থেকে ফরেনসিক তদন্তকাজ করছে রাকেশ আস্তানার প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ইনফোমেট্রিক্স ও যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকনভ্যালিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফায়ারআই। ফায়ারআইকে রাকেশ আস্তানা এ কাজে যুক্ত করেছে।
এদিকে, দুপুরে নতুন গভর্নর বাংলাদেশ ব্যাংকে পৌঁছালে দুই ডেপুটি গভর্নরসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যোগদানের পরপরই নিজের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গভর্নর। এ সময় তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ মার্চ আতিউর রহমানের পদত্যাগের পর সরকার ১৬ মার্চ ফজলে কবিরকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়। গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। গভর্নর হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের আগে সেই পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
নবনিযুক্ত গভর্নর সাংবাদিকদের বলেছেন, অর্থ চুরির মতো ঘটনার যাতে আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদার করা হবে তাঁর দ্বিতীয় অগ্রাধিকার কাজ। এ ছাড়া অর্থ চুরির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মধ্যে যদি আস্থার ঘাটতি তৈরি হয় সেটি দূর করে তাঁদের মনোবল ফিরিয়ে আনাকে অগ্রাধিকার কাজের তালিকায় রেখেছেন গভর্নর।
এদিকে, রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য ‘জেগে উঠার ডাক (ওয়েক আপ কল)’ হিসেবে অভিহিত করেন ফজলে কবির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এ সময় সাংবাদিকদের বেশ কিছু প্রশ্নেরও জবাব দেন গভর্নর। এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, অতীতের অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব কার্যক্রম রয়েছে সেগুলো যথারীতি চলবে। সেখানে কোনো পরিবর্তন করা হবে না।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যে কমিটি করা হয়েছে সেটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ সময় সাংবাদিকেরা জানতে চান রাকেশ আস্তানার বর্তমান যে কার্যক্রম সেটি অব্যাহত থাকবে কি না? জবাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, রাকেশ আস্তানাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রকল্পের আওতায় আইটি গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট হিসেবে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কাজের যে পরিধি সেটির অংশ হিসেবে তাঁকে অর্থ চুরির ঘটনা অনুসন্ধানে ‘ফরেনসিক তদন্ত’কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থেকে ফরেনসিক তদন্তকাজ করছে রাকেশ আস্তানার প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ইনফোমেট্রিক্স ও যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকনভ্যালিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফায়ারআই। ফায়ারআইকে রাকেশ আস্তানা এ কাজে যুক্ত করেছে।
এদিকে, দুপুরে নতুন গভর্নর বাংলাদেশ ব্যাংকে পৌঁছালে দুই ডেপুটি গভর্নরসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

No comments:
Post a Comment