| আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসে পেঁৗছার পর বিমান থেকে সপরিবারে নামছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা |
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কিউবায় তাঁর ঐতিহাসিক সফর শেষ করে গতকাল বুধবার
আর্জেন্টিনা গেছেন। এই সফরকে ঘিরে আর্জেন্টিনায় জোর দাবি উঠেছে, দেশটিতে
১৯৭৬ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত চলা কঠোর সামরিক শাসনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের
সমর্থনের বিষয়টি ওবামা স্বীকার করুন।
প্রেসিডেন্ট ওবামা অবশ্য ‘ডার্টি ওয়ার’ নামে পরিচিত সেই সামরিক নিগ্রহের শিকার নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে স্মৃতিসৌধে আজ বৃহস্পতিবার শ্রদ্ধা জানাবেন। আজ ওই সামরিক অভ্যুত্থানের ৪০তম বার্ষিকী। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত গোপন দলিল অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তৎকালীন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ওই অভ্যুত্থানকে সমর্থন করেছিলেন। গতকাল ভোরে স্ত্রী মিশেল, দুই মেয়ে ও শাশুড়িকে নিয়ে বুয়েনস এইরেসে পৌঁছান ওবামা। বিমানবন্দরে আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুসানা মালকোরা অতিথিদের স্বাগত জানান। গতকালই ওবামার আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মৌরিফিও মাকরির সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল। ব্রাসেলসে মঙ্গলবারের জঙ্গি হামলার পর কঠোর নিরাপত্তা নেওয়া হয় আর্জেন্টিনাজুড়ে। কিউবা সফরের পর ওবামার দক্ষিণ আমেরিকা সফর শুরুর অন্যতম লক্ষ্য, এ মহাদেশের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা। অতীতে বিভিন্ন সামরিক অভ্যুত্থান ও হত্যাকাণ্ডে মার্কিন সহযোগিতার কারণে অনেক দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি হয়। গত সপ্তাহে ওবামা প্রশাসন জানায়, তারা ডার্টি ওয়ারের সময়কার সামরিক ও গোয়েন্দা নথি প্রকাশ করবে। ওবামার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুসান রাইস বলেন, ‘একটি জাতি হিসেবে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের সহযোগিতা করতে আমরা তৎপর।’ গত শতকের আশির দশকে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে বামপন্থী এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের শায়েস্তা করতে ‘অপারেশন কনডোর’ নামে অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন দলিল প্রকাশিত হলে ওই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্ত থাকার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। ৮৪ বছর বয়সী আর্জেন্টিনার মানবাধিকারকর্মী আডোলফো পেরেজ এজকুইভাল বলেন, ওবামা যদি ওই সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন, তবে তা খুব ভালো হবে।
প্রেসিডেন্ট ওবামা অবশ্য ‘ডার্টি ওয়ার’ নামে পরিচিত সেই সামরিক নিগ্রহের শিকার নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে স্মৃতিসৌধে আজ বৃহস্পতিবার শ্রদ্ধা জানাবেন। আজ ওই সামরিক অভ্যুত্থানের ৪০তম বার্ষিকী। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত গোপন দলিল অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তৎকালীন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ওই অভ্যুত্থানকে সমর্থন করেছিলেন। গতকাল ভোরে স্ত্রী মিশেল, দুই মেয়ে ও শাশুড়িকে নিয়ে বুয়েনস এইরেসে পৌঁছান ওবামা। বিমানবন্দরে আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুসানা মালকোরা অতিথিদের স্বাগত জানান। গতকালই ওবামার আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মৌরিফিও মাকরির সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল। ব্রাসেলসে মঙ্গলবারের জঙ্গি হামলার পর কঠোর নিরাপত্তা নেওয়া হয় আর্জেন্টিনাজুড়ে। কিউবা সফরের পর ওবামার দক্ষিণ আমেরিকা সফর শুরুর অন্যতম লক্ষ্য, এ মহাদেশের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা। অতীতে বিভিন্ন সামরিক অভ্যুত্থান ও হত্যাকাণ্ডে মার্কিন সহযোগিতার কারণে অনেক দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি হয়। গত সপ্তাহে ওবামা প্রশাসন জানায়, তারা ডার্টি ওয়ারের সময়কার সামরিক ও গোয়েন্দা নথি প্রকাশ করবে। ওবামার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুসান রাইস বলেন, ‘একটি জাতি হিসেবে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের সহযোগিতা করতে আমরা তৎপর।’ গত শতকের আশির দশকে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে বামপন্থী এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের শায়েস্তা করতে ‘অপারেশন কনডোর’ নামে অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন দলিল প্রকাশিত হলে ওই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্ত থাকার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। ৮৪ বছর বয়সী আর্জেন্টিনার মানবাধিকারকর্মী আডোলফো পেরেজ এজকুইভাল বলেন, ওবামা যদি ওই সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন, তবে তা খুব ভালো হবে।

No comments:
Post a Comment