![]() |
| হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প |
যুক্তরাষ্ট্রের
তিনটি অঙ্গরাজ্যে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বাছাইপর্বের ভোট
হয়েছে গত মঙ্গলবার। এতে ডেমোক্রেটিক দলের হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান দলের
ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে বড় জয় পেয়েছেন।
অ্যারিজোনার প্রাইমারিতে হিলারি সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সকে অনায়াসে হারিয়ে এই অঙ্গরাজ্যের মোট ৭৫ জন ডেলিগেটের অধিকাংশ সংগ্রহ করে নেন। তবে ইউটাহ ও আইডাহোর ককাসে বিজয়ী হয়ে স্যান্ডার্স আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম। অন্যদিকে রিপাবলিকান দলের ভোটাররা দুটি অঙ্গরাজ্যে বাছাই ভোটে অংশ নেন। অ্যারিজোনার প্রাইমারিতে অভিবাসনের প্রশ্নে নিজের কট্টর অবস্থানকে ব্যবহার করে ডোনাল্ড ট্রাম্প ৫৮ জন ডেলিগেটের সবগুলো নিজের ঝুলিতে তুলে নেন। তবে ইউটাহর ককাসে বিজয়ের সুবাদে সিনেটর টেড ক্রুজ ৪০ জন ডেলিগেট সংগ্রহে সক্ষম হন। তৃতীয় প্রার্থী গভর্নর জন কেইসিক কোনো রাজ্যে বিজয় না পেলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাবেন বলে নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই মুহূর্তে দুই দলের প্রার্থীরাই জুলাই মাসে দলের কনভেনশনের আগে যত বেশিসংখ্যক সম্ভব ডেলিগেট সংগ্রহে ব্যস্ত। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার জন্য ডেমোক্রেটিক প্রার্থীকে পেতে হবে কমপক্ষে ২ হাজার ৩৮৩ জন ডেলিগেটের সমর্থন। অন্যদিকে রিপাবলিকান দলের প্রার্থীকে পেতে হবে ১ হাজার ২৩৭ জন ডেলিগেট।
মঙ্গলবারের নির্বাচনের পর, ডেলিগেট সংখ্যায় উভয় দলের প্রার্থীদের অবস্থান হলো:
অ্যারিজোনার প্রাইমারিতে হিলারি সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সকে অনায়াসে হারিয়ে এই অঙ্গরাজ্যের মোট ৭৫ জন ডেলিগেটের অধিকাংশ সংগ্রহ করে নেন। তবে ইউটাহ ও আইডাহোর ককাসে বিজয়ী হয়ে স্যান্ডার্স আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম। অন্যদিকে রিপাবলিকান দলের ভোটাররা দুটি অঙ্গরাজ্যে বাছাই ভোটে অংশ নেন। অ্যারিজোনার প্রাইমারিতে অভিবাসনের প্রশ্নে নিজের কট্টর অবস্থানকে ব্যবহার করে ডোনাল্ড ট্রাম্প ৫৮ জন ডেলিগেটের সবগুলো নিজের ঝুলিতে তুলে নেন। তবে ইউটাহর ককাসে বিজয়ের সুবাদে সিনেটর টেড ক্রুজ ৪০ জন ডেলিগেট সংগ্রহে সক্ষম হন। তৃতীয় প্রার্থী গভর্নর জন কেইসিক কোনো রাজ্যে বিজয় না পেলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাবেন বলে নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই মুহূর্তে দুই দলের প্রার্থীরাই জুলাই মাসে দলের কনভেনশনের আগে যত বেশিসংখ্যক সম্ভব ডেলিগেট সংগ্রহে ব্যস্ত। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার জন্য ডেমোক্রেটিক প্রার্থীকে পেতে হবে কমপক্ষে ২ হাজার ৩৮৩ জন ডেলিগেটের সমর্থন। অন্যদিকে রিপাবলিকান দলের প্রার্থীকে পেতে হবে ১ হাজার ২৩৭ জন ডেলিগেট।
মঙ্গলবারের নির্বাচনের পর, ডেলিগেট সংখ্যায় উভয় দলের প্রার্থীদের অবস্থান হলো:
ডেমোক্রেটিক: হিলারি ক্লিনটন (১৬৮১), বার্নি স্যান্ডার্স (৯২৭)
রিপাবলিকান: ডোনাল্ড ট্রাম্প (৭৩৯), টেড ক্রুজ (৪৬৫), জন কেইসিক (১৪৩)
অ্যারিজোনায় অশ্বেতকায় ও অভিবাসী সমর্থকদের সংখ্যাধিক্যের সুবাদে হিলারি প্রায় ২০ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে স্যান্ডার্সকে পরাজিত করেন। অন্যদিকে ইউটাহ ও আইডাহোতে অধিকাংশ ভোটার শ্বেতকায়, তাঁরাই স্যান্ডার্সকে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতে সাহায্য করেন। এই তিন রাজ্যে ভোটের ফলে আবারও প্রমাণিত হলো, শ্বেতকায় ভোটারদের মধ্যে হিলারির সমর্থন-ভিত এখনো দুর্বল। কিন্তু স্যান্ডার্স যে কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক অভিবাসীদের মধ্যে সাড়া জাগাতে পারেননি, অ্যারিজোনায় তাঁর হার সে কথাও নতুন করে প্রমাণ করল।
মঙ্গলবারের অন্য বড় খবর ছিল টেড ক্রুজের প্রতি ফ্লোরিডার গভর্নর জেব বুশের সমর্থন। রিপাবলিকান দলের অধিকাংশ নেতা ও নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আশা করেছিলেন, জেব বুশই হবেন তাঁদের দলের মনোনীত প্রার্থী। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের লাগামছাড়া আক্রমণের মুখে বুশ নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে পড়েন। দলের নেতাদের পরবর্তী কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী ছিলেন সিনেটর মার্কো রুবিও, তিনিও আর প্রতিযোগিতায় নেই। গভর্নর জেব বুশের অনুমোদন থেকে প্রমাণিত হয়, ট্রাম্পকে ঠেকানোর সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে অনেকটা বাধ্য হয়েই দলের নেতৃত্ব ধীরে ধীরে ক্রুজের প্রার্থিতার প্রতি তাঁদের সমর্থন দেওয়া শুরু করেছেন।

No comments:
Post a Comment