নতুন
বিদেশী শ্রমিক নেয়া স্থগিত করার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের সঙ্গে এ সংক্রান্ত
স্বাক্ষরিত চুক্তির বৈধতায় কোন প্রভাব পড়বে না। কারণ, ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত
হয়েছে ৫ বছরের জন্য। এ কথা বলেছেন, মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী
রিচার্ড রায়ট। মালয়েশিয়ার পত্রিকা দ্য স্টার এ খবর দিয়েছে। মন্ত্রী বলেছেন,
যখনই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হবে তখনই বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ওই
চুক্তির বৈধতা থাকবে। তিনি বলেন, আমরা শুধু বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়ার
চুক্তিতে স্বাক্ষর করি নি। আমরা চুক্তি স্বাক্ষর করেছি সাতটি দেশের সঙ্গে।
এখন যে স্থগিতাদেশ রয়েছে তাতে এ চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে না। তবে শনিবার
মালয়েশিয়ার উপ প্রধানমন্ত্রী ড. আহমেদ জাহিদ হামিদি বলেছেন, মালয়েশিয়ায়
বিদেশী নতুন শ্রমিক নেয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। তিনি আরও
বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের প্রয়োজন তারা মালয়েশিয়ায় কাজের অনুমতি
নেই অথবা অনুমতির সময় পেরিয়ে গেছে এমন বিদেশী শ্রমিককে বৈধতা দেয়ার জন্য
আবেদন করতে পারেন। এভাবে বিদেশী শ্রমিকদের আগামী ৩০শে জুন পর্যন্ত বৈধতা
দিতে পারবেন চাকরিদাতা সংস্থা বা ব্যক্তি। কর্মসম্পাদন বিষয়ক মন্ত্রণালয়
বলেছে, নতুন বিদেশী শ্রমিক নেয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করায় চলমান নির্মাণ
প্রকল্পের কাজ্যে কোন ব্যাঘাত ঘটবে না। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফাদিল্লাহ
ইউসুফ বলেন, এখন যে শ্রম শক্তি আছে তা দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment