![]() |
| গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা |
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা শিশুদের উদ্দেশে বলেছেন, শিক্ষা জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ,
জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। এ সম্পদ কেউ কেড়ে নিতে পারে না, এ সম্পদ ছিনতাই করা
যায় না। এ সম্পদকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের কাজ করতে
হবে।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধুর ৯৬ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত শিশু-কিশোর সমাবেশে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এর আগে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শিশুদের ভবিষ্যতের কর্ণধার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শিশুদের মধ্যে থেকেই কেউ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী বা উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন পদে আসীন হবে। তাদের সেইভাবে তৈরি হতে হবে। দেশকে ভালোবাসতে হবে, দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে। তিনি বলেন, মন দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে, বড় হতে হবে। পিতা-মাতার কথা শুনতে হবে। অভিভাবকদের কথা শুনতে হবে। শিক্ষকদের কথা শুনতে হবে। গুরুজনদের মান্য করতে হবে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। তাহলে ছোট্ট সোনামনিরা বড় হতে পারবে, দেশকে ভালোবাসতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ও আমার বোন শেখ রেহানা আমাদের সন্তানদের বলেছি—তোমাদের কোনো সম্পদ দিয়ে যেতে পারব না। শুধু একটা সম্পদ দিয়ে যাব, সেটা হলো শিক্ষা। যেটা কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না, লুট করতে পারবে না, হাইজ্যাক করতে পারবে না। তোমার জ্ঞান ও শিক্ষা তোমার জীবনে মূল্যবান সম্পদ। আজকের শিশুদের বলব—জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো শিক্ষা।’
বঙ্গবন্ধুর কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে বারবার মৃত্যুর মুখে দাঁড়াতে হয়েছে। ষড়যন্ত্র করে, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে জাতির পিতাকে। এমনকি ফাঁসি দিয়ে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছে। কিন্তু তিনি ছিলেন অদম্য সাহসী। তিনি নীতি-আদর্শে সদা অটল থাকতেন। লক্ষ্য স্থির করে তিনি এগিয়ে গেছেন। তাঁর দেশপ্রেম ছোটবেলা থেকে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ। সভাপতিত্ব করে রাফিয়া তুর জামান নামের এক শিশু। পরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে বই মেলার উদ্বোধন ও সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধুর ৯৬ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত শিশু-কিশোর সমাবেশে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এর আগে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শিশুদের ভবিষ্যতের কর্ণধার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শিশুদের মধ্যে থেকেই কেউ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী বা উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন পদে আসীন হবে। তাদের সেইভাবে তৈরি হতে হবে। দেশকে ভালোবাসতে হবে, দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হবে। তিনি বলেন, মন দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে, বড় হতে হবে। পিতা-মাতার কথা শুনতে হবে। অভিভাবকদের কথা শুনতে হবে। শিক্ষকদের কথা শুনতে হবে। গুরুজনদের মান্য করতে হবে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। তাহলে ছোট্ট সোনামনিরা বড় হতে পারবে, দেশকে ভালোবাসতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ও আমার বোন শেখ রেহানা আমাদের সন্তানদের বলেছি—তোমাদের কোনো সম্পদ দিয়ে যেতে পারব না। শুধু একটা সম্পদ দিয়ে যাব, সেটা হলো শিক্ষা। যেটা কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না, লুট করতে পারবে না, হাইজ্যাক করতে পারবে না। তোমার জ্ঞান ও শিক্ষা তোমার জীবনে মূল্যবান সম্পদ। আজকের শিশুদের বলব—জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো শিক্ষা।’
বঙ্গবন্ধুর কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে বারবার মৃত্যুর মুখে দাঁড়াতে হয়েছে। ষড়যন্ত্র করে, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে জাতির পিতাকে। এমনকি ফাঁসি দিয়ে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছে। কিন্তু তিনি ছিলেন অদম্য সাহসী। তিনি নীতি-আদর্শে সদা অটল থাকতেন। লক্ষ্য স্থির করে তিনি এগিয়ে গেছেন। তাঁর দেশপ্রেম ছোটবেলা থেকে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ। সভাপতিত্ব করে রাফিয়া তুর জামান নামের এক শিশু। পরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে বই মেলার উদ্বোধন ও সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।

No comments:
Post a Comment