জাতীয়
যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রায় এক লাখ যক্ষ্মার জীবাণু বহনকারী
ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারছে না। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এসব
ব্যক্তিকে ‘মিসিং কেসেস’ বলছে।
আজ সোমবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের অবহিতকরণ সভায় এ কথা বলেন সরকারি কর্মকর্তারা। ব্র্যাক, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম যৌথভাবে এই অবহিতকরণ সভার আয়োজন করে।
সভায় জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিবছর প্রায় তিন লাখ যক্ষ্মা রোগীকে শনাক্ত করার কথা। কিন্তু জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি দুই লাখ যক্ষ্মা রোগীকে শনাক্ত করতে পারছে। এ রোগে আক্রান্ত বাকি এক লাখ রোগী জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজ সোমবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের অবহিতকরণ সভায় এ কথা বলেন সরকারি কর্মকর্তারা। ব্র্যাক, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম যৌথভাবে এই অবহিতকরণ সভার আয়োজন করে।
সভায় জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিবছর প্রায় তিন লাখ যক্ষ্মা রোগীকে শনাক্ত করার কথা। কিন্তু জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি দুই লাখ যক্ষ্মা রোগীকে শনাক্ত করতে পারছে। এ রোগে আক্রান্ত বাকি এক লাখ রোগী জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

No comments:
Post a Comment