![]() |
| ক্রিস গেইল, শহীদ আফ্রিদি, তিলকরত্নে দিলশান: প্রথম ম্যাচে রানের দেখা পেয়েছেন তিনজনই। ছবি: এএফপি |
ক্রিস
গেইল, শহীদ আফ্রিদি, তিলকরত্নে দিলশান-এই তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিল কী ?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের খবর রাখলে একটা মিল চট করেই মনে পড়বে। নিজ নিজ
দলের হয়ে প্রথম ম্যাচটা তো এই তিনজনই নিজেদের করে নিয়েছেন। তবে এর চেয়েও বড়
মিল অন্য জায়গায়। আগের শতাব্দীতে অভিষেকের পর এখনো ক্রিকেট খেলছেন এই
তিনজনই। হয়তো টি-টোয়েন্টিতে এটাই নিজেদের শেষ বিশ্বকাপ। শুরুটা বোধ হয় এর
চেয়ে রাঙিয়ে দিতে পারতেন না তিনজন।
তাঁরা যখন ক্রিকেট শুরু করেছিলেন, টি-টোয়েন্টির ধুমধাড়াক্কা ধারণার বীজটাই তখনো বোনা হয়নি। কী আশ্চর্য, এখন ছোট ক্রিকেটে এই তিনজন এখনো অন্যতম আকর্ষণ। নিজ নিজ দলের হয়ে তো বটেই। অথচ বয়স তাঁদের বলছে, এবার ব্যাট-প্যাড গুটিয়ে রাখার সময় এল বুঝি। আফ্রিদির ৩৭, গেইলের ৩৬, আর দিলশানের তো চল্লিশে চালশে হওয়ার মাত্র এক বছর বাকি। অথচ ব্যাটে বা বলে সেরকম কোনো লক্ষণই নেই।
তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তিনজন এভাবে হাসবেন, অনেকেই তা ভাবেননি। অন্তত আফ্রিদি আর দিলশানের জন্য তো নয়ই। এশিয়া কাপে ব্যর্থতার পর আফ্রিদিকে ছুড়ে ফেলা হোক, এমন একটা দাবি পাকিস্তানে জোরে শোরে উঠে গিয়েছিল। এশিয়া কাপ বাদ দিলে আফ্রিদি যে খুব খারাপ করছিলেন, তাও নয়। এই বছরেই অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। দিলশানের জন্য এশিয়া কাপের শেষ ম্যাচটাও আবার স্বস্তির উপলক্ষ হয়ে এসেছে। এর আগে টি-টোয়েন্টিতে টানা সাত ইনিংসে কোনো ফিফটি নেই, দিলশান শেষ হয়ে গেছেন-এমন একটা ধারণা ভেসে বেড়াচ্ছিল। এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সঙ্গে ৭৫ করে সেটি কিছুটা চাপা দিলেন, আর পরশু আফগানিস্তানের সঙ্গে অপরাজিত ৮৩ রানে বাকি কাজটাও সারলেন।
গেইলের সমস্যা ছিল আবার অন্য। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে অনেক দিন ধরেই সংস্রব ছিল না, গত বছর জানুয়ারিতে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন। কিন্তু কিছুদিন আগে বিগব্যাশে এক নারী সাংবাদিককে অভব্য মন্তব্য করে তুমুল সমালোচিত হন। এর মধ্যে চুটিয়ে বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে পিসিএল খেলে উড়ে এসেছেন ভারতে। তবে প্রথম ম্যাচেই ইংল্যান্ডকে এমন ছিড়েখুঁড়ে ফেলবেন, কজন ভেবেছিলেন?
অবশ্য এই তিনজন অনেক কিছুই করেছেন, যা কেউ ভাবেননি। এই টুর্নামেন্টে আরও বিস্ময় উপহার দেবেন সামনে?
তাঁরা যখন ক্রিকেট শুরু করেছিলেন, টি-টোয়েন্টির ধুমধাড়াক্কা ধারণার বীজটাই তখনো বোনা হয়নি। কী আশ্চর্য, এখন ছোট ক্রিকেটে এই তিনজন এখনো অন্যতম আকর্ষণ। নিজ নিজ দলের হয়ে তো বটেই। অথচ বয়স তাঁদের বলছে, এবার ব্যাট-প্যাড গুটিয়ে রাখার সময় এল বুঝি। আফ্রিদির ৩৭, গেইলের ৩৬, আর দিলশানের তো চল্লিশে চালশে হওয়ার মাত্র এক বছর বাকি। অথচ ব্যাটে বা বলে সেরকম কোনো লক্ষণই নেই।
তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তিনজন এভাবে হাসবেন, অনেকেই তা ভাবেননি। অন্তত আফ্রিদি আর দিলশানের জন্য তো নয়ই। এশিয়া কাপে ব্যর্থতার পর আফ্রিদিকে ছুড়ে ফেলা হোক, এমন একটা দাবি পাকিস্তানে জোরে শোরে উঠে গিয়েছিল। এশিয়া কাপ বাদ দিলে আফ্রিদি যে খুব খারাপ করছিলেন, তাও নয়। এই বছরেই অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। দিলশানের জন্য এশিয়া কাপের শেষ ম্যাচটাও আবার স্বস্তির উপলক্ষ হয়ে এসেছে। এর আগে টি-টোয়েন্টিতে টানা সাত ইনিংসে কোনো ফিফটি নেই, দিলশান শেষ হয়ে গেছেন-এমন একটা ধারণা ভেসে বেড়াচ্ছিল। এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সঙ্গে ৭৫ করে সেটি কিছুটা চাপা দিলেন, আর পরশু আফগানিস্তানের সঙ্গে অপরাজিত ৮৩ রানে বাকি কাজটাও সারলেন।
গেইলের সমস্যা ছিল আবার অন্য। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে অনেক দিন ধরেই সংস্রব ছিল না, গত বছর জানুয়ারিতে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন। কিন্তু কিছুদিন আগে বিগব্যাশে এক নারী সাংবাদিককে অভব্য মন্তব্য করে তুমুল সমালোচিত হন। এর মধ্যে চুটিয়ে বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে পিসিএল খেলে উড়ে এসেছেন ভারতে। তবে প্রথম ম্যাচেই ইংল্যান্ডকে এমন ছিড়েখুঁড়ে ফেলবেন, কজন ভেবেছিলেন?
অবশ্য এই তিনজন অনেক কিছুই করেছেন, যা কেউ ভাবেননি। এই টুর্নামেন্টে আরও বিস্ময় উপহার দেবেন সামনে?

No comments:
Post a Comment