পরিবেশবান্ধব
নির্মাণশৈলীকে প্রাধান্য দিয়ে স্থাপত্যশিল্পে দেশজ সংস্কৃতি ও অর্থনীতির
মেলবন্ধন ঘটাতে শুরু হলো স্থাপত্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘আর্কিটেকচার
নাউ নেক্সট’।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত তিন দিনের এ সম্মেলনে দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থপতি, স্থাপত্য চিন্তাবিদ, ইতিহাসবিদ, তাত্ত্বিক, শিক্ষকসহ চার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্বায়নের প্রভাব ও নগরমুখী জনসংখ্যার চাপের সঙ্গে সংকুচিত প্রাকৃতিক সম্পদের মতো বিষয়গুলো সামনে রেখে বাংলাদেশের স্থাপত্যচিন্তা কেমন হওয়া উচিত, সেটাই হবে এ সম্মেলনের আলোচনার বিষয়বস্তু। এ ছাড়া পৃথিবীর ‘কঠিনতম’ রাজধানী বিবেচনায় ঢাকার ভবিষ্যৎ নগরায়ণের বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।
উদ্বোধনী পর্বে আবুল মাল আবদুল মুহিত স্থাপত্যশিল্পকে অভিহিত করেন প্রকৌশলবিদ্যা ও অর্থনীতির যুগলবন্দী হিসেবে। এ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পে লোকজ ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অন্তর্ভুক্তির একটা ধারা তৈরি হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনায় আছে আগামী দুই শ বছরের বাংলাদেশ। এর মধ্যে বাংলাদেশের জনসংখ্যা যেখানে গিয়ে দাঁড়াবে, সেই সংখ্যাটি মাথায় রেখে সব শ্রেণির মানুষের জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করা ও সারা দেশে পরিকল্পিত নগরায়ণই আমাদের উদ্দেশ্য।’
দেশের নদীপথগুলোকে কেন্দ্র করে এ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে জানিয়ে আবুল খায়ের স্থাপত্য বিষয়ে অবদানের জন্য বেঙ্গল আর্কিটেকচার অ্যাওয়ার্ড নামের একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রণয়নের ঘোষণা দেন।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী পর্বে আরও বক্তব্য দেন বেঙ্গল ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক কাজী খালিদ আশরাফ ও একাডেমিক ডিরেক্টর মেরিনা তাবাসসুম। এ পর্বটি সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে আলোচনায় অংশ নেন অস্ট্রেলিয়ার স্থপতি পিটার স্টাচবারি। প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে স্থাপত্যের নিবিড় সংযোগের বিষয়টি তিনি তাঁর উপস্থাপনায় তুলে ধরেন।
এরপরেই স্টাচবারিসহ ‘স্থাপত্যের যথার্থতা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন স্থপতি বশীরুল হক, যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি ডিজাইন স্কুলের ডিন অ্যাডেল সান্তোস, মেক্সিকোর স্থপতি আলবার্তো কালাচ এবং যুক্তরাজ্যের স্থাপত্যবিষয়ক লেখক ও সমালোচক পিটার বুকানান। এ পর্বটি সঞ্চালনা করেন আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচারের সাবেক পরিচালক সুহা ওজকান।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত তিন দিনের এ সম্মেলনে দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থপতি, স্থাপত্য চিন্তাবিদ, ইতিহাসবিদ, তাত্ত্বিক, শিক্ষকসহ চার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্বায়নের প্রভাব ও নগরমুখী জনসংখ্যার চাপের সঙ্গে সংকুচিত প্রাকৃতিক সম্পদের মতো বিষয়গুলো সামনে রেখে বাংলাদেশের স্থাপত্যচিন্তা কেমন হওয়া উচিত, সেটাই হবে এ সম্মেলনের আলোচনার বিষয়বস্তু। এ ছাড়া পৃথিবীর ‘কঠিনতম’ রাজধানী বিবেচনায় ঢাকার ভবিষ্যৎ নগরায়ণের বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।
উদ্বোধনী পর্বে আবুল মাল আবদুল মুহিত স্থাপত্যশিল্পকে অভিহিত করেন প্রকৌশলবিদ্যা ও অর্থনীতির যুগলবন্দী হিসেবে। এ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পে লোকজ ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অন্তর্ভুক্তির একটা ধারা তৈরি হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনায় আছে আগামী দুই শ বছরের বাংলাদেশ। এর মধ্যে বাংলাদেশের জনসংখ্যা যেখানে গিয়ে দাঁড়াবে, সেই সংখ্যাটি মাথায় রেখে সব শ্রেণির মানুষের জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করা ও সারা দেশে পরিকল্পিত নগরায়ণই আমাদের উদ্দেশ্য।’
দেশের নদীপথগুলোকে কেন্দ্র করে এ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে জানিয়ে আবুল খায়ের স্থাপত্য বিষয়ে অবদানের জন্য বেঙ্গল আর্কিটেকচার অ্যাওয়ার্ড নামের একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রণয়নের ঘোষণা দেন।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী পর্বে আরও বক্তব্য দেন বেঙ্গল ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক কাজী খালিদ আশরাফ ও একাডেমিক ডিরেক্টর মেরিনা তাবাসসুম। এ পর্বটি সঞ্চালনা করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে আলোচনায় অংশ নেন অস্ট্রেলিয়ার স্থপতি পিটার স্টাচবারি। প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে স্থাপত্যের নিবিড় সংযোগের বিষয়টি তিনি তাঁর উপস্থাপনায় তুলে ধরেন।
এরপরেই স্টাচবারিসহ ‘স্থাপত্যের যথার্থতা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন স্থপতি বশীরুল হক, যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি ডিজাইন স্কুলের ডিন অ্যাডেল সান্তোস, মেক্সিকোর স্থপতি আলবার্তো কালাচ এবং যুক্তরাজ্যের স্থাপত্যবিষয়ক লেখক ও সমালোচক পিটার বুকানান। এ পর্বটি সঞ্চালনা করেন আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচারের সাবেক পরিচালক সুহা ওজকান।

No comments:
Post a Comment