![]() |
| ‘১৪’নম্বর জার্সিটিকে বিখ্যাত করে গেছেন তিনি। সেই জার্সি দিয়েই ইয়োহান ক্রুইফকে সম্মান জানাল স্পেনে খেলতে আসা ইতালি অনূর্ধ্ব-২১ দল। |
৪৩
বছর আগে ন্যু ক্যাম্পে প্রথম পা পড়েছিল ‘বিটলস-কাট’ চুলের নীলচোখা
ফুটবলারটির। এসেই এক আশ্চর্য জাদুতে বার্সেলোনাকে বদলে দিলেন। অন্ধকার
সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে থাকা ক্লাবটিকে দিলেন আলোর দিশা। ফুটবলার, কোচ পরিচয়
ছাপিয়ে আসলে কাতালান ক্লাবটির স্বপ্নদ্রষ্টাই ছিলেন ইয়োহান ক্রুইফ। তাই তো
পরশু বার্সেলোনায় সদ্য প্রয়াত ডাচ কিংবদন্তিকে সম্মান জানাতে ন্যু ক্যাম্পে
ছিলেন হাজার পনেরো মানুষ। ফুসফুসের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ে হার মেনে গত
বৃহস্পতিবার বার্সেলোনায় শেষনিশ্বাস ফেলেছেন ক্রুইফ। ন্যু ক্যাম্পে ডাচ
কিংবদন্তিকে সম্মান জানাতে শুধু কাতালানরাই নন, উপস্থিত ছিলেন চীনা,
মরোক্কান, জাপানিও। ট্যাক্সিচালক হোসে গিলাবার্টের কণ্ঠে এখনো বিস্ময়
ক্রুইফের জন্য, ‘তিনিই আমাদের চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে দিয়ে গেছেন। আমরা শুধু
হারছিলাম, ১৪ বছর ধরে শিরোপা জিতিনি। তিনি এলেন, আর সব বদলে গেল।’ ফুটবল
ছাপিয়ে ক্রুইফ আসলে বার্সেলোনার অস্তিত্বের সঙ্গেই জড়িয়ে। সামরিক শাসনের
সময়ে তিনিই প্রথম কাতালান পতাকার আদলে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরেছিলেন। তাই
৭০ বছর বয়সী সুরকার ফ্রাঙ্ক কার্লেস বলতে পারেন, ‘একজন ডাচ হয়েও তিনি
যেকোনো কাতালানের চেয়েও বেশি কাতালান।’
তবে শুধু কাতালান নন, আরও অনেকের মধ্যে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন বার্সার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজও। ক্রুইফ নামের মহিমাই যে এমন। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নয়, সবারই তাতে সমান মুগ্ধতা।
তবে শুধু কাতালান নন, আরও অনেকের মধ্যে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন বার্সার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজও। ক্রুইফ নামের মহিমাই যে এমন। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নয়, সবারই তাতে সমান মুগ্ধতা।

No comments:
Post a Comment