![]() |
| ডায়ারের শেষ মুহূর্তের গোলেই স্মরণীয় জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। পরশু ম্যাচ জেতানো সেই গোলের পর তাঁকে ঘিরেই সতীর্থদের উদ্যাপন |
৬০
মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে। প্রতিপক্ষ তো শুধু বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন
জার্মানি নয়, বার্লিনের অলিম্পিয়াস্টাডিওনের হাজার হাজার দর্শকের প্রকম্পিত
স্লোগানও। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা জিতল
৩-২ গোলে! কোচ রয় হজসন যেটিকে বলছেন তাঁর অধীনে ইংলিশদের সেরা ম্যাচ। তা
তিনি বলতেই পারেন। ফুটবল মাঠে শেষ কবে ইংল্যান্ড এমন ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেই
প্রশ্ন তো আছেই, এক ম্যাচে এমন দুর্দান্ত সব গোল ইংল্যান্ড সর্বশেষ কবে
করেছে, এমন প্রশ্নও ঘুরে ফিরছে। ৬১ মিনিটে হ্যারি কেনের গোলটার কথাই ধরুন।
কর্নার থেকে বল পেয়েছিলেন বক্সের মধ্যে। দারুণ একটা টার্ন নিয়ে মনে করিয়ে
দিলেন সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রুইফের ‘ক্রুইফ টার্ন’। এরপর একজনকে
কাটিয়ে ডান পায়ের শটে বল জড়ালেন জালে। ৭৪ মিনিটে জেমি ভার্ডির গোলটি ছিল
আরও মুগ্ধতা ছড়ানো। নাথানিয়েল ক্লাইনের ক্রস থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত এক
ব্যাকফ্লিকে বলটা পাঠিয়ে দিলেন জালে। জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
রীতিমতো হতভম্ব। খেলার অন্তিম মুহূর্তে টটেনহামের এরিক ডায়ার হেড থেকে গোল
করে স্মরণীয় একটা জয় এনে দিয়েছেন ইংল্যান্ডকে। তবে ইংলিশ কোচ রয় হজসন এখনই
এই জয় নিয়ে অত উচ্ছ্বাসে ভেসে যাচ্ছেন না, ‘আমাদের পা মাটিতে রাখা উচিত।
প্রীতি ম্যাচকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ারও কিছু নেই।’ হজসন নিজেদের সংযত
রাখতে পারেন, তবে জোয়াকিম লোর অখুশি হওয়ার অনেক কারণ আছে। ইউরোর আগে
নিজেদের মাটিতে এমন হারে জার্মান কোচ নিজের বিরক্তিটা গোপন করেননি, ‘২-০
গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর হেরে যাওয়াটা মেনে নেওয়া কঠিন। তবে হারটা আমাদের
প্রাপ্যই ছিল।’ অধিনায়ক স্যামি খেদিরার প্রতিক্রিয়া আরও চাঁছাছোলা, ‘এটা
অপ্রয়োজনীয়, মূর্খের মতো একটা হার।’
অথচ প্রথম ৬০ মিনিট কিন্তু পুরোপুরিই ছিল জার্মানির। ৪৩ মিনিটে টনি ক্রুসের দূরপাল্লার শটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। এই গোলের জন্য ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জ্যাক বাটল্যান্ড নিজেকে দুষতে পারেন, কাছের পোস্টেই বলটা আটকাতে পারেননি। ৫৭ মিনিটে মারিও গোমেজের গোল, উৎস স্যামি খেদিরার ক্রস। তখন গোমেজের হয়তো মনে হয়েছিল, এই গোলটাই জয় নিশ্চিত করে দিয়েছে। কে জানত, নাটক তখনো শুরুই হয়নি।
অথচ প্রথম ৬০ মিনিট কিন্তু পুরোপুরিই ছিল জার্মানির। ৪৩ মিনিটে টনি ক্রুসের দূরপাল্লার শটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। এই গোলের জন্য ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জ্যাক বাটল্যান্ড নিজেকে দুষতে পারেন, কাছের পোস্টেই বলটা আটকাতে পারেননি। ৫৭ মিনিটে মারিও গোমেজের গোল, উৎস স্যামি খেদিরার ক্রস। তখন গোমেজের হয়তো মনে হয়েছিল, এই গোলটাই জয় নিশ্চিত করে দিয়েছে। কে জানত, নাটক তখনো শুরুই হয়নি।

No comments:
Post a Comment