এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে টেলিভিশন
সাংবাদিকদের প্রবেশে অনুমোদন নিতে হবে। তবে প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার
সাংবাদিকেরা নির্দিষ্ট প্রবেশ পাস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। কেন্দ্রীয়
ব্যাংকে তিন দিন ধরে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার
এ সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকে একটি মিডিয়া সেন্টার খোলার
সিদ্ধান্ত হয়েছে। জানা যায়, রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনার পর গভর্নর পদত্যাগ
করেন ও দুই ডেপুটি গভর্নরকে অপসারণ করা হয়। এরপর ২০ মার্চ থেকে নতুন গভর্নর
হিসেবে ফজলে কবির দায়িত্ব নেওয়ার পরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে
সংবাদকর্মীদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। গত সোমবার থেকে ব্যাংকের
প্রধান ও বর্ধিত ভবনে সংবাদকর্মীদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক
জিয়াউর রহমানসহ ইআরএফ নেতারা ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীর সঙ্গে দেখা
করলে তিনি বিষয়টি সুরাহার আশ্বাস দেন। গতকাল সকালে সাংবাদিকেরা কেন্দ্রীয়
ব্যাংকে গেলে আবারও বাধা দেওয়া হয়। পরে বেলা দুইটার দিকে কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা জানান, এখন থেকে
সাংবাদিকেরা প্রবেশ করতে পারবেন। তবে ছবি বা ভিডিও ধারণের জন্য কোনো
ধরনের যন্ত্র বহন করা যাবে না। পরে বিকেলে শুভঙ্কর সাহা সাংবাদিকদের জানান,
‘বাংলাদেশ ব্যাংকে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি আমাদের তদন্ত ও নিরাপত্তার স্বার্থে
গত দুদিন আমরা সব মিডিয়াকে এন্টারটেইন করতে পারিনি। যেকোনো সময় সব বিভাগে
যাওয়ার যে সুযোগ ছিল, সেটা দিতে পারিনি। আমাদের চিন্তা আছে নিচতলায় একটি
কমিউনিকেশন সেন্টার করব। তার আগ পর্যন্ত প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার
সাংবাদিকেরা নিজ প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড প্রদর্শন করে এবং নির্দিষ্ট
রেজিস্টারে বিস্তারিত জানিয়ে যেতে পারবেন। তবে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা
ক্যামেরা নিয়ে আগাম অনুমোদন ব্যতিরেকে যেতে পারবেন না।’ তিনি আরও বলেন,
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বা ঊর্ধ্বতন কারও বক্তব্যের প্রয়োজন হলে আগে
অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পেলে ক্যামেরা যাওয়ার সুযোগ পাবে। নিরাপত্তার
স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment