![]() |
| যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্বাধীনতা শোভাযাত্রা |
বাংলাদেশের
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য
শোভাযাত্রা ও নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুইন্সের ডাইভারসিটি প্লাজা
থেকে শুরু করে জ্যাকসন হাইটসের কয়েক ব্লক সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় একটি
পাবলিক স্কুলে এই শোভাযাত্রা শেষ হয়। শনিবার দুপুর থেকেই দূর-দূরন্ত থেকে
প্রবাসীরা ডাইভারসিটি প্লাজায় জড়ো হতে থাকেন। তাঁদের হাতে ছিল বাংলাদেশের
পতাকা, গায়ে পতাকার রঙের পোশাক। দিনভর সেখানে চলে কবিতাপাঠ ও গান। বিকেলে
অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য ও সিটির বিভিন্ন শীর্ষ
কর্মকর্তারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নিউইয়র্ক সিটির কম্পট্রলার স্কট
স্ট্রিংগার। তিনি শোভাযাত্রার গ্রান্ড মার্শালের দায়িত্ব পালন করেন।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের বিশেষ প্রতিনিধি অভিবাসনবিষয়ক
কমিশনার নিশা আগারওয়াল, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের গভর্নর এন্ড্রু কুওমোর
প্রতিনিধি হার্শ পারেখ ও সিনেটর হোসে পেরালটা। বিপুলসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধার
উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বিশেষ গাম্ভীর্য যোগ হয়। নিউইয়র্ক পুলিশের বিশেষ
প্রহরায় কয়েক শ বাংলাদেশি বর্ণিল শোভাযাত্রায় অংশ নেন। বাংলাদেশের
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গভর্নর কুওমো এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ বছর ২৬
মার্চকে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে ‘বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। আলোচনা
সভায় হার্শ পারেখ প্রজ্ঞাপনটি শোভাযাত্রার উদ্যোক্তা মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের
প্রধান নির্বাহী বিশ্বজিত সাহার হাতে তুলে দেন। একই দিন নিউইয়র্কে
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনেও এক আলোচনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা
দিবস উদযাপিত হয়।

No comments:
Post a Comment