![]() |
| ভুল কুপন |
![]() |
| সঠিক কুপন |
রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখদুম হলে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ খাবারের
কিছু কুপনে লেখা ছিল ‘মহান বিজয় দিবস ২০১৬’। প্রাধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত এসব
কুপন পেয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। প্রাধ্যক্ষ এ ঘটনার জন্য হলের
কর্মচারীকে দায়ী করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাধ্যক্ষ
পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বাধীনতা দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে
গতকাল দুপুরে আবাসিক হলগুলোতে বিশেষ খাবার পরিবেশনের কর্মসূচি নেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের ২০ টাকার বিনিময়ে কুপন নিতে বেশ কয়েক দিন আগে থেকেই প্রতিটি
হলে নোটিশ দেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন হলে শিক্ষার্থীরা কুপন সংগ্রহ করেন।
কিন্তু শাহ মখদুম হলে বিতরণ করা বেশ কিছু কুপনে ‘বিজয় দিবস ২০১৬’ লেখা
পাওয়া যায়। এই কুপনটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
শিক্ষার্থীরা হল প্রশাসনের সমালোচনা করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলের একাধিক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, কুপনটি যারা তৈরি করেছেন তাঁদের ২৬ মার্চ সম্পর্কে আদৌ কোনো ধারণা আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিবসে এ রকম ভুল কাম্য নয়। দায়িত্বহীনতার কারণে এ রকম হয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। এ ব্যাপারে শাহ মখদুম হলের প্রাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি নিজে কুপন তৈরি করে প্রিন্ট দেওয়ার জন্য হলের উচ্চমান সহকারী মোস্তাফিজুর রহমানকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি কিছু কুপনের ‘স্বাধীনতা দিবস’ লেখা পরিবর্তন করে ‘বিজয় দিবস’ লেখা বসিয়ে প্রিন্ট দেন। প্রায় ৪০০ কুপনের মধ্যে ৫০টির মতো কুপনে এই অবস্থা করা হয়।’ জাহাঙ্গীর আলমের আরও অভিযোগ, ওই কর্মচারী আজ রোববার সকালে হলে এসেই ছুটির দরখাস্ত দিয়ে চলে গেছেন। ফোনেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোস্তাফিজুর রহমানকে পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলের একাধিক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, কুপনটি যারা তৈরি করেছেন তাঁদের ২৬ মার্চ সম্পর্কে আদৌ কোনো ধারণা আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিবসে এ রকম ভুল কাম্য নয়। দায়িত্বহীনতার কারণে এ রকম হয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। এ ব্যাপারে শাহ মখদুম হলের প্রাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি নিজে কুপন তৈরি করে প্রিন্ট দেওয়ার জন্য হলের উচ্চমান সহকারী মোস্তাফিজুর রহমানকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি কিছু কুপনের ‘স্বাধীনতা দিবস’ লেখা পরিবর্তন করে ‘বিজয় দিবস’ লেখা বসিয়ে প্রিন্ট দেন। প্রায় ৪০০ কুপনের মধ্যে ৫০টির মতো কুপনে এই অবস্থা করা হয়।’ জাহাঙ্গীর আলমের আরও অভিযোগ, ওই কর্মচারী আজ রোববার সকালে হলে এসেই ছুটির দরখাস্ত দিয়ে চলে গেছেন। ফোনেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোস্তাফিজুর রহমানকে পাওয়া যায়নি।


No comments:
Post a Comment