হিমাচল
প্রদেশের ছোট্ট একটি জেলা কাংড়া। সেখানেই অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম সুন্দর
ধর্মশালা স্টেডিয়াম। হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এইচপিসিএ) এ
স্টেডিয়ামটিকে নিয়ে গোটা ধর্মশালা গর্ব করে। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে
কেন্দ্র করেই এ অঞ্চলের মানুষ বুনেছিল স্বপ্নের জাল। বিশেষ করে
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ তাদের বড় একটি আয়ের উৎস হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছিল।
কিন্তু সেই স্বপ্নে পানি ঠেলে দিয়েছে কঠোর রাজনীতি। তাই টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপ তাদের জন্য আশীর্বাদের পরিবর্তে অভিশাপ হয়ে এসেছে। এমনিতেই
টিকিটের দাম বেশি ও নিরাপত্তার বাড়াবাড়িতে গ্যালারিমুখী নন দর্শকরা। আর
ছোট্ট শহরে উপার্জনের অন্যতম মাধ্যম পর্যটক। গাড়ি, ট্যাক্সি, হোটেল ব্যবসা ও
নানা ধরনের সাজ পোশাকারে দোকানের ওপর নির্ভর করে জীবিকা চলে। ধারণা করা
হচ্ছিল, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে গ্যালারিজুড়ে মানুষ থাকবেন। আসবেন হাজার
হাজার পর্যটক। কিন্তু এখন চারদিকে শুধু হাহাকার। এ বিষয়ে এইচপিসির প্রচার
সম্পাদক ও মুখপাত্র মোহিত সুদের কণ্ঠে ঝরে প্রচণ্ড ক্ষোভ। তিনি বলেন, ‘আসলে
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হওয়াতে আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। বাছাই
পর্বের যতগুলো ম্যাচ হচ্ছে এ নিয়ে খুব আগ্রহ নেই দর্শকদের কারণ টিকিটির দাম
অনেক বেশি। আর সত্যি কথা বলতে কী, কাজের চাপে এ অঞ্চলের মানুষের ক্রিকেটের
প্রতি আকর্ষণও কম। এর পরও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হলে এখানে হোটেল, দোকান,
যাতায়াতের গাড়িভাড়া দিয়ে অনেক আয় হয়তো। আমাদের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা
হিসাব করা যাবে না। সেই সঙ্গে আমাদের মানসিকভাবে যে কষ্ট দিয়েছে সেটি
সবচেয়ে বেশি।’
কেন সরে গেল ধর্মশালা থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ? সন্ত্রাসীদের হামলার হুমকি! নাকি অন্য কোনো কারণ? মোহিত সুদ যা বললেন তা সরাসরি আঘাত করে হিমাচলের রাজনীতিকে। তিনি বলেন, ‘দেখেন এখানে ক্ষমতায় আছে কংগ্রেস, আমাদের মন্ত্রীও তিনি। আর এইচপিসিএর সভাপতি হলেন বিজিপির এমপি অনুরাগ ঠাকুর। এ দ্বন্দ্বেই ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়ে কংগ্রেস নোংরা চাল চেলেছে পাঠানকোটে শহীদেরকে সামনে রেখে।’ মোহিম সুদের অভিযোগ- কিছু দিন আগেই ভারতের হিমাচল প্রদেশের পাঠানকোটের বিমান বাহিনীর ঘাটিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়। সেই হামরাতে হিমাচল প্রদেশের দুই সৈনিক শহীদ হয়েছে। এই ঘটানাকে কেন্দ্র করেই হয়েছে নোংরা রাজীতি। তবে এই রাজনীতির শিকার সরাসরি সাধারণ ধর্মশালার মানুষ। হিমাচলের পুরোটা জুড়েই পাহাড় কেটে তৈরী শহর। সমতল ভূমির দেখা পাওয়াও খুবই দু:স্কর। এর মধ্যে বৃষ্টি হলে রাস্তায় চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়েন পড়ে। কারণ বাস, গাড়ি, টেক্সি ছাড়া এই পাহাড়ি এলাকাতে একমাত্র পায়ে হেটেই মানুষ চলে মাইলকে মাইল। আর সন্দের পর পরই বাস গুলো বন্ধ হয়ে গেলে একমাত্র ধনি লোক ছাড়া টেক্সি ও মোটর সাইকেল ব্যাহার করতে পারেনা সাধারণ মানুষরা। তখন তাদের পাহাড় বেয়েই হেটে হেটে ফিরতে হয় বাড়িতে। ভারতের চেরাপুঞ্জির পর এই অঞ্চলেই সব চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। সেটিও যখন তখন সেই সঙ্গে তিব্র ও হালকা শীতেই ঝড়ে তুষার।
যে সময়টাতে ধর্মশালা বিশ্বকাপ আয়োজন হচ্ছে। এই সময় এখানে শীতের সঙ্গে থাকে বৃষ্টিও। মাঠে দর্শকদের আসা ও পর্যটকদের স্টেডিয়া নিয়ে আগ্রহ অনেক কম। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ থেকে আয় বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপের গোটা আয়োজনটাই ধর্মশালার জন্য অভিশাপ। এই বিষয়ে মোহিত সুদ আরও বলেন, ‘আমরা রাজনিতী বুঝিনা। আমরা ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে চাই এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এটি ভারতের ছোট ও সাধারণ মানের একটি প্রদেশ। তাই আমি মনে করি যতটুকু সুযোগ আমাদের আছে তা যেন রাজনীতির কারণে নষ্ট না হয়।’
কেন সরে গেল ধর্মশালা থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ? সন্ত্রাসীদের হামলার হুমকি! নাকি অন্য কোনো কারণ? মোহিত সুদ যা বললেন তা সরাসরি আঘাত করে হিমাচলের রাজনীতিকে। তিনি বলেন, ‘দেখেন এখানে ক্ষমতায় আছে কংগ্রেস, আমাদের মন্ত্রীও তিনি। আর এইচপিসিএর সভাপতি হলেন বিজিপির এমপি অনুরাগ ঠাকুর। এ দ্বন্দ্বেই ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়ে কংগ্রেস নোংরা চাল চেলেছে পাঠানকোটে শহীদেরকে সামনে রেখে।’ মোহিম সুদের অভিযোগ- কিছু দিন আগেই ভারতের হিমাচল প্রদেশের পাঠানকোটের বিমান বাহিনীর ঘাটিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়। সেই হামরাতে হিমাচল প্রদেশের দুই সৈনিক শহীদ হয়েছে। এই ঘটানাকে কেন্দ্র করেই হয়েছে নোংরা রাজীতি। তবে এই রাজনীতির শিকার সরাসরি সাধারণ ধর্মশালার মানুষ। হিমাচলের পুরোটা জুড়েই পাহাড় কেটে তৈরী শহর। সমতল ভূমির দেখা পাওয়াও খুবই দু:স্কর। এর মধ্যে বৃষ্টি হলে রাস্তায় চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়েন পড়ে। কারণ বাস, গাড়ি, টেক্সি ছাড়া এই পাহাড়ি এলাকাতে একমাত্র পায়ে হেটেই মানুষ চলে মাইলকে মাইল। আর সন্দের পর পরই বাস গুলো বন্ধ হয়ে গেলে একমাত্র ধনি লোক ছাড়া টেক্সি ও মোটর সাইকেল ব্যাহার করতে পারেনা সাধারণ মানুষরা। তখন তাদের পাহাড় বেয়েই হেটে হেটে ফিরতে হয় বাড়িতে। ভারতের চেরাপুঞ্জির পর এই অঞ্চলেই সব চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। সেটিও যখন তখন সেই সঙ্গে তিব্র ও হালকা শীতেই ঝড়ে তুষার।
যে সময়টাতে ধর্মশালা বিশ্বকাপ আয়োজন হচ্ছে। এই সময় এখানে শীতের সঙ্গে থাকে বৃষ্টিও। মাঠে দর্শকদের আসা ও পর্যটকদের স্টেডিয়া নিয়ে আগ্রহ অনেক কম। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ থেকে আয় বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপের গোটা আয়োজনটাই ধর্মশালার জন্য অভিশাপ। এই বিষয়ে মোহিত সুদ আরও বলেন, ‘আমরা রাজনিতী বুঝিনা। আমরা ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে চাই এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এটি ভারতের ছোট ও সাধারণ মানের একটি প্রদেশ। তাই আমি মনে করি যতটুকু সুযোগ আমাদের আছে তা যেন রাজনীতির কারণে নষ্ট না হয়।’

No comments:
Post a Comment