মহেশখালীর
সাত ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচনের বাকি আর দুদিন। প্রচারণাও তুঙ্গে।
চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন শেষ মুহূর্তের
প্রচারণায়। কর্মী-সমর্থকেরা নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের মন জয় করতে
জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটাররাও এখন ব্যস্ত চুলচেরা বিশ্লেষণে।
ভোটারদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, প্রতিটি ইউনিয়নে মূল লড়াই হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে।
২২ মার্চ মহেশখালীর সাত ইউনিয়ন—কুতুবজোম, বড় মহেশখালী, হোয়ানক, ধলঘাটা, ছোট মহেশখালী, মাতারবাড়ী ও কালরমারছড়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে চেয়ারম্যান পদে ৩৬, সাধারণ সদস্য পদে ৩৬৭ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৮৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গত শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রার্থীদের প্রচারণার মাইকিংয়ে মুখর কুতুবজোম ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা। কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগে ব্যস্ত প্রার্থীরা। কেউ কুশল বিনিময় করছেন। কেউ দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি। তাজিয়াকাটা গ্রামের গণসংযোগের সময় কথা হয় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’ তিনি ভোটারদের কেন্দ্র গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
একই ইউনিয়নের খোন্দকারপাড়ায় গণসংযোগের সময় কথা হয় বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান শফিউল আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ভোট সুষ্ঠু হলে বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়াও কুতুবজোমে লড়ছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ সোহেল ও বিজেপির প্রার্থী শহীদুল ইসলাম। তাঁরা গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সমানে।
তাজিয়াকাটার ভোটার রবিউল আলম বলেন, ‘প্রার্থীরা তো ভোটের আগে অনেক প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ভোটের পর আর খবর থাকে না। তাই দেখেশুনে ভোট দেব, যাঁকে ভোটের পরেও পাব।’
এ ছাড়া অন্য ছয় ইউনিয়নেরও চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাত-দিন সমানে চলছে প্রচারণা।
এদিকে প্রচারণার শুরু থেকেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কুতুবজোম, ছোট মহেশখালী, হোয়ানক, কালারমারছড়া, মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউপির বিএনপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ করেছে উপজেলা বিএনপি। ১৪ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ জানানো হয়। এতে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করা হয়। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন নেতারা।
জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম বলেন, বিএনপি প্রার্থীদের সরকারি দলীয় প্রার্থীরা নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। এ কারণে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে বিএনপির প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
হোয়ানক ইউপির বিএনপির প্রার্থী এনামুল করিম চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকেরা নানাভাবে বাধাসহ হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। এমনকি সমর্থকদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এনামুল করিম চৌধুরীর এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের বিএনপি প্রার্থীর ভরাডুবি হবে। এটা জানতে পেরে এখন থেকে তাঁর লোকজন আমার সমর্থকদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন।’
মহেশখালী থানা সূত্রে জানা যায়, সাতটি ইউপি নির্বাচনে ৭৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৯টি কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে মাতারবাড়ী, ধলঘাটা, কালারমারছড়া ও ছোট মহেশখালীতে চারটি করে, হোয়ানক ও বড় মহেশখালীতে পাঁচটি এবং কুতুবজোমের তিনটি কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য থাকবে।
পুলিশের বিরুদ্ধে বিএনপির করা হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস বলেন, মামলার আসামিদের ধরার জন্য পুলিশ যেতেই পারে। সেটার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।
ইউপি নির্বাচনে সমন্বয়কারী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটের দিন কেন্দ্রে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ, আনসার ও কোস্টগার্ড সদস্যের পাশাপাশি র্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হবে। ফলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হবে।
ভোটারদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, প্রতিটি ইউনিয়নে মূল লড়াই হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে।
২২ মার্চ মহেশখালীর সাত ইউনিয়ন—কুতুবজোম, বড় মহেশখালী, হোয়ানক, ধলঘাটা, ছোট মহেশখালী, মাতারবাড়ী ও কালরমারছড়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে চেয়ারম্যান পদে ৩৬, সাধারণ সদস্য পদে ৩৬৭ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৮৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গত শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রার্থীদের প্রচারণার মাইকিংয়ে মুখর কুতুবজোম ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা। কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগে ব্যস্ত প্রার্থীরা। কেউ কুশল বিনিময় করছেন। কেউ দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি। তাজিয়াকাটা গ্রামের গণসংযোগের সময় কথা হয় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’ তিনি ভোটারদের কেন্দ্র গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
একই ইউনিয়নের খোন্দকারপাড়ায় গণসংযোগের সময় কথা হয় বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান শফিউল আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ভোট সুষ্ঠু হলে বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়াও কুতুবজোমে লড়ছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ সোহেল ও বিজেপির প্রার্থী শহীদুল ইসলাম। তাঁরা গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সমানে।
তাজিয়াকাটার ভোটার রবিউল আলম বলেন, ‘প্রার্থীরা তো ভোটের আগে অনেক প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ভোটের পর আর খবর থাকে না। তাই দেখেশুনে ভোট দেব, যাঁকে ভোটের পরেও পাব।’
এ ছাড়া অন্য ছয় ইউনিয়নেরও চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাত-দিন সমানে চলছে প্রচারণা।
এদিকে প্রচারণার শুরু থেকেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কুতুবজোম, ছোট মহেশখালী, হোয়ানক, কালারমারছড়া, মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউপির বিএনপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ করেছে উপজেলা বিএনপি। ১৪ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ জানানো হয়। এতে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করা হয়। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন নেতারা।
জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম বলেন, বিএনপি প্রার্থীদের সরকারি দলীয় প্রার্থীরা নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। এ কারণে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে বিএনপির প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
হোয়ানক ইউপির বিএনপির প্রার্থী এনামুল করিম চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকেরা নানাভাবে বাধাসহ হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। এমনকি সমর্থকদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এনামুল করিম চৌধুরীর এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের বিএনপি প্রার্থীর ভরাডুবি হবে। এটা জানতে পেরে এখন থেকে তাঁর লোকজন আমার সমর্থকদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন।’
মহেশখালী থানা সূত্রে জানা যায়, সাতটি ইউপি নির্বাচনে ৭৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৯টি কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে মাতারবাড়ী, ধলঘাটা, কালারমারছড়া ও ছোট মহেশখালীতে চারটি করে, হোয়ানক ও বড় মহেশখালীতে পাঁচটি এবং কুতুবজোমের তিনটি কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য থাকবে।
পুলিশের বিরুদ্ধে বিএনপির করা হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস বলেন, মামলার আসামিদের ধরার জন্য পুলিশ যেতেই পারে। সেটার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।
ইউপি নির্বাচনে সমন্বয়কারী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটের দিন কেন্দ্রে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ, আনসার ও কোস্টগার্ড সদস্যের পাশাপাশি র্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হবে। ফলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হবে।

No comments:
Post a Comment