Monday, March 28, 2016

কয়েকটি প্রশ্ন by ড. তুহিন মালিক

রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট মামলাটি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর।
* ১৯৮৮ সালে জাতীয় সংসদে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে সংযুক্ত করা হয়।
* এ বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৮৮ সালে রিট দায়ের করা হয়।
* এই রিটের প্রধান দাবি ছিল, রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিধানটি সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘বৈষম্য মুক্ত নীতির’ সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
* কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার বিগত ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাশের  মাধ্যমে এই বৈষম্য দূর করে সকলের জন্য সমঅধিকারের বিধান যুক্ত করে বলে, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে’।
* তাই ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাশের পর, পূর্বের  বৈষম্যমূলক বিধানটি না থাকার কারণে, ২৮ বছর আগের দায়ের করা মামলাটি এখন সম্পূর্ণভাবে আইনি ভাষায় ‘ইনফ্রাকচুয়াস’ বা অকার্যকর।
* এরকম অকার্যকর কোন মামলা উচ্চ আদালতে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার  কোন নজির নেই। এরকম রিট সরাসরি খারিজযোগ্য।
* তাছাড়া গতবছরের ৭ই সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামীর দায়ের করা একইরকমের আরেকটি রিট খারিজ করে দিয়েছিল হাইকোর্ট। তাই উচ্চ আদালত কর্তৃক একবার নিষ্পত্তি করা বিষয়ে নতুন করে আবার শুনানির কোন সুযোগই নেই।

No comments:

Post a Comment