![]() |
| বিপাশা হায়াত |
‘আমাদের
দেশে থিয়েটারের যে মান ছিল সেটা ধরে রাখা যাবে না, যদি থিয়েটারকে উন্নত
করা না হয়। এ ক্ষেত্রে ভর্তুকি দিতে হবে, অর্থের সংস্থান করতে হবে। নতুন
ছেলেমেয়েদের থিয়েটারের প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্যও অনেক পদক্ষেপ নিতে
হবে। আর এর জন্য মিডিয়াই পারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে।’ সম্প্রতি প্রথম
আলোর সঙ্গে আলাপে কথাগুলো বলছিলেন মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের প্রিয়মুখ
বিপাশা হায়াত।
টিভি ও মঞ্চ নাটকের বর্তমান অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। বিপাশা আরও বলেন, ‘কমিউনিটি থিয়েটারও চালু করা যেতে পারে। আমার বাবাকে (আবুল হায়াত) দেখেছি, মহল্লাভিত্তিক নাটক করতে। আগে কিন্তু ক্লাবে ক্লাবেও নাটকের ব্যাপারে বেশ আগ্রহ ছিল। এখন এসব আর নেই।’ বিপাশা হায়াতের মতে এখন নাকি নাটকের সংজ্ঞাই বদলে গেছে। থিয়েটারচর্চার সঙ্গে বর্তমান সময়ের টিভি নাটকের কোনো ধরনের মিল খুঁজে পান না তিনি। তাঁর ধারণা, এতে করে নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্তিতে পড়ে যাচ্ছে। বিপাশা বলেন, যে বাচ্চা থিয়েটার করতে যাবে, সে যখন বাসায় কোনো নাটক দেখছে, তখন একটা বাজে ধারণা নিয়েই বড় হচ্ছে। টিভি নাটক থেকে সে যে কী শিখছে! মঞ্চে গিয়ে যখন ভারী কিছু দেখবে, তখন ওই বাচ্চারা তো ভয় পাবে। তিনি বলেন, প্রযুক্তির কারণে এখন বাচ্চাদের সাহিত্যের প্রতি ঝোঁকটা কমে গেছে। কখন কোন গেমস বাজারে আসছে, তা নিয়েই এরা ভাবনায় ডুবে থাকে। থিয়েটারে যাওয়ার জন্য একজন তরুণের যে মনের খোরাক দরকার তা যথেষ্ট নয়। নব্বইয়ের দশকে টিভি নাটকে যাত্রা শুরু হয় মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটালেও পরে তিনি নাটকের জন্য চিত্রনাট্য লেখেন। পাশাপাশি নির্মাণেও ব্যস্ত সময় কাটান। ব্যস্ত আছেন ছবি আঁকা নিয়েও। বলা যেতে পারে, বিপাশা এখন পুরোদস্তুর চিত্রশিল্পী। কিছুদিন আগে হয়ে গেল তাঁর একক চিত্র প্রদর্শনী। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ জন্ম নেওয়া বিপাশা হায়াতের ৪৫তম জন্মদিন ছিল গতকাল।
টিভি ও মঞ্চ নাটকের বর্তমান অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। বিপাশা আরও বলেন, ‘কমিউনিটি থিয়েটারও চালু করা যেতে পারে। আমার বাবাকে (আবুল হায়াত) দেখেছি, মহল্লাভিত্তিক নাটক করতে। আগে কিন্তু ক্লাবে ক্লাবেও নাটকের ব্যাপারে বেশ আগ্রহ ছিল। এখন এসব আর নেই।’ বিপাশা হায়াতের মতে এখন নাকি নাটকের সংজ্ঞাই বদলে গেছে। থিয়েটারচর্চার সঙ্গে বর্তমান সময়ের টিভি নাটকের কোনো ধরনের মিল খুঁজে পান না তিনি। তাঁর ধারণা, এতে করে নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্তিতে পড়ে যাচ্ছে। বিপাশা বলেন, যে বাচ্চা থিয়েটার করতে যাবে, সে যখন বাসায় কোনো নাটক দেখছে, তখন একটা বাজে ধারণা নিয়েই বড় হচ্ছে। টিভি নাটক থেকে সে যে কী শিখছে! মঞ্চে গিয়ে যখন ভারী কিছু দেখবে, তখন ওই বাচ্চারা তো ভয় পাবে। তিনি বলেন, প্রযুক্তির কারণে এখন বাচ্চাদের সাহিত্যের প্রতি ঝোঁকটা কমে গেছে। কখন কোন গেমস বাজারে আসছে, তা নিয়েই এরা ভাবনায় ডুবে থাকে। থিয়েটারে যাওয়ার জন্য একজন তরুণের যে মনের খোরাক দরকার তা যথেষ্ট নয়। নব্বইয়ের দশকে টিভি নাটকে যাত্রা শুরু হয় মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটালেও পরে তিনি নাটকের জন্য চিত্রনাট্য লেখেন। পাশাপাশি নির্মাণেও ব্যস্ত সময় কাটান। ব্যস্ত আছেন ছবি আঁকা নিয়েও। বলা যেতে পারে, বিপাশা এখন পুরোদস্তুর চিত্রশিল্পী। কিছুদিন আগে হয়ে গেল তাঁর একক চিত্র প্রদর্শনী। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ জন্ম নেওয়া বিপাশা হায়াতের ৪৫তম জন্মদিন ছিল গতকাল।

No comments:
Post a Comment