ব্রেন
টিউমারের অপারেশন করাতে গত বছরের ২৫ জুলাই ভারতের চেন্নাইয়ে গিয়েছিলেন
দিতি। ২৭ জুলাই চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে সফল
অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা হয়। চেন্নাইয়ে টানা ৫০ দিন
চিকিৎসাসেবা নেওয়ার পর নিজ শহর ঢাকায় ফেরেন ২০ সেপ্টেম্বর। দেশে ফেরার পর
প্রথম আলোকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী
দিতি। ২০১৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোয় ‘আগে বুঝিনি, মানুষ আমাকে এত
ভালোবাসে’ শিরোনামে এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। পাঠকদের জন্য সেই
সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হলো—
‘বাংলাদেশের মানুষ আমাকে এত ভালোবাসে, তা আগে বুঝিনি। এবার অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পর মানুষের এই ভালোবাসা প্রতি মুহূর্তে অনুভব করেছি। বাংলাদেশের অনেক মানুষ, যাঁদেরকে আমি কোনো দিন দেখিনি, তাঁরা নানা উপায়ে আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন। দোয়া করেছেন, আমি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠি। বাংলাদেশের মানুষের এই ভালোবাসার ঋণ আমি কোনো দিন শোধ করতে পারব না। তাঁদের সবার ভালোবাসা আমার মানসিক শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছে।’—দীর্ঘদিন দেশের বাইরে চিকিৎসাসেবা নিয়ে দেশে ফেরার পর প্রথম আলোর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে এমনটাই বললেন বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী দিতি।
ব্রেন টিউমারের অপারেশন করাতে গত ২৫ জুলাই দিতি চেন্নাই গিয়েছিলেন। ভারতের চেন্নাইয়ে টানা ৫০ দিন চিকিৎসাসেবা নেওয়ার পর গতকাল রাতে নিজ শহর ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। ২৭ জুলাই চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর সেখানকার চিকিৎসকের পরামর্শে সম্পূর্ণ বিশ্রামে ছিলেন তিনি। এ সময় তিনি চেন্নাইয়ে পুত্র প্রান্ত আর কন্যা লামিয়ার সঙ্গে আনন্দেই কাটিয়েছেন। ঘুরে বেড়িয়েছেন চেন্নাইয়ের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলোতেও।
শারীরিক অবস্থা এখন কেমন জানতে চাইলে দিতি বলেন, ‘এখন অনেক ভালো অনুভব করছি। খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে অরুচি দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকেরা আমাকে কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। চেষ্টা করছি সেভাবেই চলার। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’
দিতি বলেন, ‘রেডিওথেরাপি দেওয়ার কারণে শরীরটা একটু দুর্বল লাগে। তাই আরও বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে। এরপর নাহয় শুটিংয়ের কথা ভাবব।’
১৯৮৪ সালে এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখের সন্ধানের প্রথম কার্যক্রম থেকে নায়িকা হিসেবে নির্বাচিত হন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। এরপর অসংখ্য নাটক আর চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এবারের ঈদে দিতি অভিনীত ‘রাজাবাবু-দ্য পাওয়ার’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে।
‘বাংলাদেশের মানুষ আমাকে এত ভালোবাসে, তা আগে বুঝিনি। এবার অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পর মানুষের এই ভালোবাসা প্রতি মুহূর্তে অনুভব করেছি। বাংলাদেশের অনেক মানুষ, যাঁদেরকে আমি কোনো দিন দেখিনি, তাঁরা নানা উপায়ে আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন। দোয়া করেছেন, আমি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠি। বাংলাদেশের মানুষের এই ভালোবাসার ঋণ আমি কোনো দিন শোধ করতে পারব না। তাঁদের সবার ভালোবাসা আমার মানসিক শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছে।’—দীর্ঘদিন দেশের বাইরে চিকিৎসাসেবা নিয়ে দেশে ফেরার পর প্রথম আলোর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে এমনটাই বললেন বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী দিতি।
ব্রেন টিউমারের অপারেশন করাতে গত ২৫ জুলাই দিতি চেন্নাই গিয়েছিলেন। ভারতের চেন্নাইয়ে টানা ৫০ দিন চিকিৎসাসেবা নেওয়ার পর গতকাল রাতে নিজ শহর ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। ২৭ জুলাই চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর সেখানকার চিকিৎসকের পরামর্শে সম্পূর্ণ বিশ্রামে ছিলেন তিনি। এ সময় তিনি চেন্নাইয়ে পুত্র প্রান্ত আর কন্যা লামিয়ার সঙ্গে আনন্দেই কাটিয়েছেন। ঘুরে বেড়িয়েছেন চেন্নাইয়ের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলোতেও।
শারীরিক অবস্থা এখন কেমন জানতে চাইলে দিতি বলেন, ‘এখন অনেক ভালো অনুভব করছি। খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে অরুচি দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকেরা আমাকে কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। চেষ্টা করছি সেভাবেই চলার। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’
দিতি বলেন, ‘রেডিওথেরাপি দেওয়ার কারণে শরীরটা একটু দুর্বল লাগে। তাই আরও বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে। এরপর নাহয় শুটিংয়ের কথা ভাবব।’
১৯৮৪ সালে এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখের সন্ধানের প্রথম কার্যক্রম থেকে নায়িকা হিসেবে নির্বাচিত হন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। এরপর অসংখ্য নাটক আর চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এবারের ঈদে দিতি অভিনীত ‘রাজাবাবু-দ্য পাওয়ার’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে।

No comments:
Post a Comment