শরণার্থীদের
ওপর অতিরিক্ত ‘বল প্রয়োগের ঘটনায়’ মেসিডোনিয়ার সমালোচনা করেছে গ্রিস।
মেসিডোনিয়ার পুলিশ ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকালে শরণার্থীদের ওপর কাঁদানে
গ্যাস, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করায় গতকাল সোমবার এই সমালোচনা করল গ্রিস।
মেসিডোনিয়ান পুলিশ অবশ্য দাবি করেছে, গত রোববার গ্রিসের সীমান্ত বেড়া ভেঙে
প্রবেশের সময় বাধা দিলে শরণার্থীরা পুলিশের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে।
আত্মরক্ষার্থে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। মেসিডোনিয়ান কর্তৃপক্ষ
বলছে, শনিবার শরণার্থীদের মধ্যে হঠাৎ করে আরবিতে লেখা লিফলেট বিতরণ করা হয়
যে সীমান্ত খুলে দেওয়া হবে। এরপর রোববার প্রায় ৫০০ শরণার্থী সীমান্তের
তিনটি স্থানে বেড়া ভাঙার চেষ্টা করে। ফলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্বেচ্ছাসেবী ও চিকিৎসা সেবা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস জানিয়েছে,
পুলিশের হামলায় কমপক্ষে ২৬০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুই শতাধিক
শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। ৩০ জন রাবার বুলেটে আহত হয়েছেন। এদিকে গ্রিস-মেসিডোনিয়া
সীমান্তে আটকে পড়া শরণার্থীদের দুঃখ-দুর্দশা বেড়েই চলেছে। আশ্রয়সংকট ও
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানবেতর দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে হাজার হাজার
শরণার্থী। ইদোমেনি শিবিরে আটকে পড়েছে ১১ হাজারের বেশি শরণার্থী। এদের
অধিকাংশই যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া ও ইরাক থেকে পালানো। গত ফেব্রুয়ারিতে বলকান
দেশগুলো সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ায় উত্তর ইউরোপে প্রবেশের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।
তখন থেকেই ওই শিবিরে মানবেতর অবস্থায় আটকে আছে শরণার্থীরা।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment