![]() |
| কেভিন ডি ব্রুইনের গোলে শুরুতেই এগিয়ে যাওয়া। পরশু প্যারিস থেকে ড্র করেও দুটি ‘অ্যাওয়ে’ গোলের হাসি নিয়ে ফিরেছে ম্যানচেস্টার সিটি |
আরব
মালিকানায় আসার পর থেকে দুটি ক্লাবই ইউরোপিয়ান ফুটবলের নব্য ধনী।
চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসও পরশু কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের আগে
কাছাকাছি নিয়ে এসেছিল প্যারিস সেন্ট-জার্মেই ও ম্যানচেস্টার সিটিকে। সিটি
কখনো ইউরোপ-শ্রেষ্ঠত্বের এই প্রতিযোগিতায় সেরা চারে যেতে পারেনি, পিএসজির
কাছেও ১৯৯৫ সালের পর থেকে স্বাদটা অচেনা। মিল ছিল পরশু দুই দলের খেলার
ফলেও। প্যারিসের পার্ক দো প্রিন্সেসে প্রথম লেগ শেষ হয়েছে ২-২ গোলে। ড্র
হলেও, দুটি মহাগুরুত্বপূর্ণ ‘অ্যাওয়ে গোল’ করে একটু এগিয়ে থাকল সিটিই। ঘরের
মাঠে আগামী মঙ্গলবার শুধু গোলশূন্য অথবা ১-১ ড্র হলেও প্রথমবারের মতো
সেমিফাইনালে চলে যাবে ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনির দল। অথচ ম্যাচটিতে বড় জয়
পিএসজিরই ভাগ্যলিখন বলে মনে হচ্ছিল। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে ও পরে
গোলকিপারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি ইব্রাহিমোভিচ। কেভিন ডি ব্রুইনের
গোলে সিটি এগিয়ে যাওয়ার পর অবশ্য সুইডিশ স্ট্রাইকারই দলকে সমতায় নিয়ে আসেন।
তবে গোলটি যতটা না তাঁর দক্ষতায়, তার চেয়েও বেশি সিটির
গোলরক্ষক-ডিফেন্ডারের ‘সৌজন্য উপহার’। দ্বিতীয়ার্ধে আদ্রিয়েন রাবিওর গোলে
এগিয়েও গিয়েছিল ফ্রেঞ্চ চ্যাম্পিয়নরা, তবু রক্ষণের ভুলে জয় আর পাওয়া হয়নি।
সিলভা-অরিয়েরের ভুলে ৭২ মিনিটে সিটিকে সমতায় নিয়ে আসেন ফার্নান্দিনহো।
সমতা? দুই লেগের লড়াইয়ে এগিয়ে তো আসলে সিটিই। তাতেও অবশ্য খুশি নন সিটির
কোচ পেলেগ্রিনি। তাঁর চোখে রাবিওর গোলটি অবৈধ, ‘পিএসজির দ্বিতীয় গোলটি
অফসাইড ছিল। এটি আমাদের রক্ষণের ভুল নয়, রেফারির ভুল।’ ইব্রাহিমোভিচের অত
কিছু নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় কোথায়! ম্যাচের পর নিজেদের ভুল নিয়ে আক্ষেপ
করেছেন পিএসজি স্ট্রাইকার, ‘আমরা কিছু ভুল করেছি, যেগুলো চাইলেই এড়িয়ে
যাওয়া যেত। আমি নিজেই তো পেনাল্টি মিস করলাম।’ দ্বিতীয় লেগের করণীয়টাও
জানেন ইব্রা, ‘আমাদের শক্তি আছে, আত্মবিশ্বাস আছে। তবে দ্বিতীয় লেগে এবারের
চেয়ে অনেক, অনেক ভালো খেলতে হবে।’ ভালো না খেললে যে সর্বশেষ তিন আসরের মতো
এবারও কোয়ার্টার ফাইনালে বাদ পড়তে হবে পিএসজিকে!

No comments:
Post a Comment