![]() |
| বার্নি স্যান্ডার্স |
১৯
এপ্রিল নিউইয়র্ক প্রাইমারিতে ধরাশায়ী হওয়ার পর বার্নি স্যান্ডার্সের সামনে
অগ্রসর হওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। আগামী মঙ্গলবার যে পাঁচটি
পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে বাছাইপর্বের নির্বাচন হবে, জনমত জরিপে সেখানে হিলারি
ক্লিনটন এগিয়ে। যে ৭১৯ জন দলীয় নেতা ও নির্বাচিত প্রতিনিধি ‘সুপার ডেলিগেট’
হিসেবে নিজেদের খুশিমতো ভোট দিতে পারেন, তাঁদের অধিকাংশই হিলারির পক্ষে
সমর্থন ঘোষণা করেছেন। এমন এক অবস্থায় শুদ্ধ অঙ্কের হিসাবে স্যান্ডার্সের
জন্য মনোনয়ন লাভের সম্ভাবনা কার্যত শূন্য। অনেকেই মনে করছেন, স্যান্ডার্সের
এখন উচিত নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানো এবং ডেমোক্রেটিক
পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ হতে সাহায্য করা। দলের প্রায় এক ডজন সিনেটর, যাঁরা
হিলারির মিত্র হিসেবে পরিচিত, তাঁরা যুক্তি দেখিয়েছেন—এই দুই ডেমোক্রেটিক
প্রার্থী যদি তাঁদের বাগ্যুদ্ধ অব্যাহত রাখেন, তাহলে নিজেদের শিবিরে বিভেদই
বাড়বে। মিজৌরির সিনেটর ক্লেয়ার ম্যাককস্কেল বলেন, গত কয়েক দিনে এই দুই
প্রার্থীর বাগ্বিতণ্ডা এমন তিক্ততায় পৌঁছেছে যে রিপাবলিকানদের সঙ্গে
ডেমোক্র্যাটদের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রাইমারি নির্বাচনের ভেতর
দিয়ে তাঁর মনোনয়ন লাভের কোনো বাস্তবসম্মত পথ নেই, এমন কথা স্যান্ডার্সের
শিবিরেও বলা শুরু হয়েছে। শুধু দলের সুপার ডেলিগেটরাই তাঁকে রক্ষা করতে
পারেন। স্যান্ডার্স নিজে যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, তিনিই একমাত্র প্রার্থী
যিনি অনায়াসে অবশিষ্ট তিন রিপাবলিকান প্রার্থীকে পরাস্ত করতে সক্ষম।
শুক্রবার সিএনএনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে স্যান্ডার্স মন্তব্য করেন,
হিলারিকে তিনি সমর্থন করতে প্রস্তুত, তবে তার আগে তিনি দেখতে চান হিলারি
তাঁর রাজনৈতিক ইশতেহারে কোন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। হিলারি ক্লিনটন
নিজে অবশ্য বার্নি স্যান্ডার্স প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ান, সে কথা
বলেননি। কানেটিকাটে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে এবিসি টিভির সঙ্গে এক
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘স্যান্ডার্স সরে দাঁড়াবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত
তাঁর নিজের।’

No comments:
Post a Comment