গত
ফেব্রুয়ারিতে বোর্ডের সঙ্গে খেলোয়াড়দের দ্বন্দ্ব নতুন করে সংকটেই ফেলে
দেয় ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটকে। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে গেইল-স্যামিদের টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপে খেলাটা। শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের মূল দলটিই খেলছে বিশ্বকাপে।
উঠেও গেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে। কাল ইডেনের সংবাদ সম্মেলনে
সেই পুরোনো প্রসঙ্গটিই উঠে গেল। স্যামি-গেইলরা কি তবে খেলেন শুধু টাকার
জন্য? প্রশ্নটা শুনে ড্যারেন স্যামির কণ্ঠে খানিকটা অভিমানের সুর,
‘টি-টোয়েন্টিতে সাফল্য দেখে মানুষ আমাদের শুধু অর্থলোভী ক্রিকেটার ভাবে।
কিন্তু এই সংস্করণে এখনো তারা আমাদের সম্মান করে না। আমাদের ক্রিকেট
বোর্ডও কখনো কখনো আমাদের সঙ্গে এমনটা করে।’ তবে স্যামি মনে করেন
বিশ্বকাপের আগে ওই ঘটনা শাপেবরই হয়েছে তাঁদের জন্য, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর আগে
অনেক কিছুই হয়েছে। সব সময় আমি বিশ্বাস করি, সবকিছুর পেছনেই কোনো কারণ
থাকে। টুর্নামেন্টের আগের ঝামেলাটা দল হিসেবে আমাদের আরও ঐক্যবদ্ধ করেছে।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলটিতে বিগ হিটারের অভাব নেই। ক্যালিপসো সুরের তালে
চার-ছক্কা মারতেই তাদের যত আনন্দ! এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্যারিবীয়
ব্যাটসম্যানরা ছক্কাই মেরেছেন ৩৬টি, সেখানে ফাইনালের প্রতিপক্ষ ইংলিশদের
ছয়ের সংখ্যা ৩৪। ইডেনে আজ বাউন্ডারির বৃষ্টি নামার হুংকার দিয়ে রাখলেন
ক্যারিবীয় অধিনায়ক, ‘জানি, আমরা প্রচুর চার-ছক্কা মারার দল। প্রথমেই আপনাকে
আমাদের বাউন্ডারি মারা থামাতে হবে। যদি জায়গামতো বল পেয়ে যায়,
প্রতিপক্ষের জন্য এটা করা খুবই কঠিন হবে।’ গেইলদের স্ট্রাইক বদল করায়
দুর্বলতা আছে। তবে এ নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন স্যামি, ‘অনেকে বলছে, আমরা
ভালো স্ট্রাইক বদলাতে পারছি না। কিন্তু আমরা বলব, আপনাকে আগে আমাদের
বাউন্ডারি মারা থামাতে হবে।’ বিশ্বকাপে ইডেনের উইকেট কখনো রানের বন্যা
বইতে দেখেছে, কখনো বা দেখেছে বোলারদের রাজত্ব। ফাইনালে কেমন উইকেট চাইবেন
স্যামি? উইন্ডিজ অধিনায়ক উত্তরটা দিলেন স্বভাবসুলভ রসিকতায়, ‘শুধু
দৈর্ঘ্যে ২২ গজ এবং প্রস্থে ৬ ফুট হলেই চলবে। আসলে যে ধরনের উইকেটই হোক,
আমাদের খেলতে হবে। এটা ফাইনাল। আমি এখনো উইকেট দেখিনি। অনুশীলনের সময়
দেখব।’
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment