![]() |
| ইকুয়েডরের মন্টানায় চলছে উদ্ধার কাজ। গতকালের ছবি |
পরপর
দুই দিনের দুই দফা শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর জাপানে গতকাল সোমবার আবার
ভূকিকম্প হয়েছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কুমামোতো এলাকায় ৫ দশমিক ৮ মাত্রার
এই ভূমিকম্পে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
অন্যদিকে, ইকুয়েডরের ভূমিকম্পে গতকাল পর্যন্ত অন্তত ৩৫০ জন মারা যাওয়ার খবর
পাওয়া গেছে। এই সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেখানকার ধসে পড়া ভবন ও
বাড়িঘরের নিচে চাপা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। জাপানের আবহাওয়া
অধিদপ্তর সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আসছে দিনগুলোয় দেশটিতে ফের ভূমিকম্প আঘাত
হানতে পারে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু
দ্বীপে রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর এক দিন পর
শনিবার দিবাগত রাতে ৭ দশমিক ৩ মাত্রায় ফের কেঁপে ওঠে দ্বীপটি। শক্তিশালী এই
দুই ভূমিকম্পে সেখানে অন্তত ৪২ জন মারা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখনো নিখোঁজ
রয়েছে আরও অন্তত ১১ জন। সেই সঙ্গে অনেকগুলো ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়াসহ ব্যাপক
ক্ষতির মুখে পড়েছে কিউশু দ্বীপের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা। জাপানের
সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, প্রায় ৩০ হাজার উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে কাজ
করছেন। উদ্ধার হওয়া বেশ কয়েকজন খাদ্য ও পানির সংকটের অভিযোগ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বলেছেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। এদিকে,
ইকুয়েডরে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূকম্পনে মৃত ব্যক্তির সংখ্যা আরও বাড়তে
পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়া। গত
শনিবার সন্ধ্যায় রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রায় কেঁপে ওঠে ইকুয়েডর।
রাফায়েল কোরেয়া বলেছেন, ধসে পড়া ভবনগুলোর নিচে এখনো অনেক মানুষ চাপা পড়ে
আছে। তাদের কেউ কেউ বেঁচে আছে বলেও জানা গেছে। ভূমিকম্পের পরপরই আক্রান্ত
এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করে ইকুয়েডর সরকার। উদ্ধারকাজে প্রায় ১০ হাজার
সেনা ও সাড়ে তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment