![]() |
| অস্ট্রেলীয় মেয়েদের হতাশায় ডুবিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয়সূচক রান নেওয়া কুপারকে নিয়ে মাঠেই জয়োৎসবে মেতে উঠলেন ক্যারিবীয় মেয়েরা। |
ম্যাচের
শেষ ওভার এলিস পেরি করবেন, এটি যেন নিয়তিনির্ধারিতই ছিল। নিজেদের ইনিংসের
শেষ ওভারেও তিনিই ছিলেন উইকেটে। ওই ওভারে চারটি বল খেলেছেন। ডট, ডট, ডট,
আউট! শেষ ওভারে বল করতে গিয়েই নিশ্চয়ই তাঁর মাথায় ঘুরছিল দেড় ঘণ্টা আগের
সেই চারটি বলের কথা। ওই বলগুলোই নির্ধারণ করে দিল ম্যাচের ফল।
অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের
শিরোপা জিতে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী দল। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ওয়েস্ট
ইন্ডিজের দরকার ছিল ৩ রান। রান মাত্র ৩ না হয়ে ৮-১০ হলেও গল্পটা অন্য রকম
হতে পারত। কিন্তু ডিয়েন্ড্রা ডটিনের শেষ ওভারে মাত্র ১ রান নিতে পারল
অস্ট্রেলিয়া। আগের ওভারগুলোতেই আগ্রাসী ব্যাটিং করা পেরি ব্যর্থ হলেন।
শিরোপা হাতছাড়া করেই মূল্য দিতে হলো অস্ট্রেলিয়াকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের
লক্ষ্যটা কিন্তু সহজ ছিল না। স্নায়ুক্ষয়ী ফাইনালে ১৪৯ রানের লক্ষ্য। এই
প্রথম কোনো বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা, প্রতিপক্ষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টানা
তিনবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু হেইলি ম্যাথুজ ও স্টেফানি টেলরকে
দেখে তা বোঝা গেল না। প্রথম শিরোপা-স্বপ্নের কাছে হার মানল সব চাপ। ১৪৮
তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই ১২০ রান। শুরুতে ঝলসে উঠেছিলেন ম্যাথুজ।
চার-ছয়ের ফুলঝুরি ছোটাতে থাকেন তিনি। একটু পরে টেলরও যোগ দেন বাউন্ডারির
উৎসবে। সঙ্গে বুদ্ধিদীপ্ত রানিং বিটুইন দ্য উইকেট তো ছিলই। এভাবেই দুজনে
ম্যাচটি নিয়ে নেন নিজেদের অধিকারে। ব্যক্তিগত ৬৬ রানে (৪৫ বল) ম্যাথুজ আউট
হলেও অন্য প্রান্তে টিকে থাকেন টেলর। জয় থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থেকে টেলর
(৫৯ রান) আউট হলেও ক্যারিবীয়রা ম্যাচ হাতছাড়া করেনি। শুরুটা কিন্তু দারুণ
হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম ওভারেই চার মেরে এলিস ভিলানি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন
দিনটি তাদের। অধিনায়ক মেগ ল্যানিংকে সঙ্গী করে রীতিমতো ঝড়ও বইয়ে দিলেন। ৬
ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১ উইকেটে ৫৪। এতে ভিলানিরই ৩৯, ৩২-ই আসে
বাউন্ডারি থেকে। উল্টো দিক থেকে আক্রমণ শুরু করেন ল্যানিংও। ভিলানিকে (৩৭
বলে ৫২) ফিরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে স্বস্তি দেন ডটিন। এরপর ল্যানিং ও পেরির
জুটিতে আসে ৪২ রান। তবে শেষের ঝড় তোলার আগে আউট ল্যানিং, ৫২ রানেই!
অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পর পেরির ব্যাটিংয়েই দেড় শ পেরোনোর ইঙ্গিত দিয়েছিল
অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু শেষ ওভারের ওই নাটক যে অপেক্ষা করছিল তাদের জন্য!
সূত্র: স্টার স্পোর্টস।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া: ২০ ওভারে ১৪৮/৫ (ভিলানি ৫২, ল্যানিং ৫২, পেরি ২৮; ডটিন ২/৩৩, ম্যাথুজ ১/১৩, মোহামেদ ১/১৯)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৯.৩ ওভারে ১৪৯/২ (ম্যাথুজ ৬৬, টেলর ৫৯, ডটিন ১৮*; বিমস ১/২৭, ফ্যারেল ১/৩৫)। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: হেইলি ম্যাথুজ।
.১ম টি-টোয়েন্টিতে নবমবারের চেষ্টায় অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম হারিয়ে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চারবার ফাইনাল খেলে অস্ট্রেলিয়া হারল প্রথমবার।
২য় ইংল্যান্ডের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে ছেলেদের ও মেয়েদের দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
১৪৯ মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় এটি। ২০০৯ সালে সেমিফাইনালে ১৬৪ রান তাড়া করে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ডের মেয়েরা।
১৮ সবচেয়ে কম বয়সে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথুজ। কাল ম্যাথুজের বয়স ছিল ১৮ বছর ১৫ দিন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া: ২০ ওভারে ১৪৮/৫ (ভিলানি ৫২, ল্যানিং ৫২, পেরি ২৮; ডটিন ২/৩৩, ম্যাথুজ ১/১৩, মোহামেদ ১/১৯)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৯.৩ ওভারে ১৪৯/২ (ম্যাথুজ ৬৬, টেলর ৫৯, ডটিন ১৮*; বিমস ১/২৭, ফ্যারেল ১/৩৫)। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: হেইলি ম্যাথুজ।
.১ম টি-টোয়েন্টিতে নবমবারের চেষ্টায় অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম হারিয়ে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চারবার ফাইনাল খেলে অস্ট্রেলিয়া হারল প্রথমবার।
২য় ইংল্যান্ডের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে ছেলেদের ও মেয়েদের দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
১৪৯ মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় এটি। ২০০৯ সালে সেমিফাইনালে ১৬৪ রান তাড়া করে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ডের মেয়েরা।
১৮ সবচেয়ে কম বয়সে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথুজ। কাল ম্যাথুজের বয়স ছিল ১৮ বছর ১৫ দিন।

No comments:
Post a Comment