![]() |
| কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে গাইছেন বিপুল চক্রবর্তী ও অনুশ্রী চক্রবর্তী। |
‘তোমার
স্বদেশ লুট হয়ে যায় প্রতিদিন প্রতিরাতে, বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে’- এই
অসামান্য চরণ দু’টির রচয়িতা বিপুল চক্রবর্তী এবং তাঁর সংগীত ও জীবনসঙ্গী
অনুশ্রী চক্রবর্তীর বৈচিত্র্যময় পরিবেশনায় মুগ্ধ হলেন দর্শক-শ্রোতারা। আজ
রোববার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে
ছিল তাঁদের দ্বৈত সংগীত সন্ধ্যা। সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হয় ‘সংগীত
সন্ধ্যার’ আনুষ্ঠানিকতা। শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথি এবং মিলনায়তনে উপস্থিত
সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কামাল
লোহানী। এরপর ফুল, উত্তরীয়, শুভেচ্ছা স্মারক এবং উদীচীর বিভিন্ন প্রকাশনা
তুলে দিয়ে দুই গুণী শিল্পী বিপুল চক্রবর্তী ও অনুশ্রী চক্রবর্তীকে বরণ করেন
উদীচীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। দুই শিল্পীকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন উদীচীর
কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কামাল লোহানী ও উদীচী ঢাকা মহানগর সংসদের সভাপতি
কাজী মোহাম্মদ শীশ। এরপর তাঁদের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন উদীচী
কেন্দ্রীয় সংসদের দুই সহসাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন ও অমিত রঞ্জন
দে। এ ছাড়া, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উদীচীর কেন্দ্রীয় নেতা সুরাইয়া পারভীন
ও শিল্পী আক্তার। উদীচীর নানা প্রকাশনা তুলে দেন উদীচীর কেন্দ্রীয় সাধারণ
সম্পাদক প্রবীর সরদার। উদীচীর প্রতিষ্ঠাতা ‘সত্যেন সেন রচনাসমগ্র’
শিল্পীদের হাতে তুলে দেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক সংগীতা
ইমাম। আর, চারণ কবি মুকুন্দ দাস-এর জীবনের ওপর গবেষণাধর্মী প্রকাশনা গ্রন্থ
তুলে দেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি অধ্যাপক বদিউর রহমান। বরণ পর্ব
শেষে দুই শিল্পীর সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি তুলে ধরেন উদীচীর সহসভাপতি বেলায়েত
হোসেন। এরপরই শুরু হয় অনুশ্রী-বিপুল জুটির সংগীত পরিবেশন পর্ব। তাঁরা শুরু
করেন ‘আমরা দেবো বোবাকে ধ্বনি, খোঁড়াকে দ্রুত ছন্দ’ গানটি দিয়ে। এ
ছাড়াও শোনান ‘বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে,তোমার স্বদেশ লুট হয়ে যায়
প্রতিদিন প্রতিরাতে’ কিংবা ‘আন্ধারে কে গো, আন্ধারে কে,বসি একা ফেল চোখের
জল’ প্রভৃতি গান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের
সহসভাপতি শংকর সাওজাল।

No comments:
Post a Comment