ভূমিকম্পে হেলে পড়া ভবনগুলোর পরিদর্শন কাজ শেষ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) বিশেষজ্ঞ কমিটি। কমিটির সদস্যরা
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচটি এলাকায় হেলে পড়া ভবন ও পাশের ভবনগুলো পরিদর্শন করেন।
গতকাল বেলা সোয়া তিনটার দিকে কমিটির সদস্যরা নগরের ওয়াসা মোড়ের নয়তলা মীম হাসনাত টাওয়ার পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা ভবনের বিভিন্ন তলা ও ছাদের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এরপর পাশের ছয়তলা আল-আমিন টাওয়ার পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় কমিটির সদস্যরা ভবন দুটির বিভিন্ন অংশের ছবি তোলেন। কমিটির সদস্যরা দুটি ভবনের কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।
কমিটির সদস্যরা এরপর জিইসি মোড়, এনায়েত বাজার, নিউমার্কেট ও হালিশহর এলাকায় হেলে যাওয়া ও পাশাপাশি লেগে থাকা ভবনগুলো পরিদর্শন করেন।
এর আগে গত সোমবার নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা ও আতুরার ডিপোর মীরপাড়া এলাকার তিনটি ভবন পরিদর্শন করে সিডিএর বিশেষজ্ঞ কমিটি।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচটি এলাকায় হেলে পড়া ভবন ও পাশের ভবনগুলো পরিদর্শন করেন।
গতকাল বেলা সোয়া তিনটার দিকে কমিটির সদস্যরা নগরের ওয়াসা মোড়ের নয়তলা মীম হাসনাত টাওয়ার পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা ভবনের বিভিন্ন তলা ও ছাদের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এরপর পাশের ছয়তলা আল-আমিন টাওয়ার পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় কমিটির সদস্যরা ভবন দুটির বিভিন্ন অংশের ছবি তোলেন। কমিটির সদস্যরা দুটি ভবনের কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।
কমিটির সদস্যরা এরপর জিইসি মোড়, এনায়েত বাজার, নিউমার্কেট ও হালিশহর এলাকায় হেলে যাওয়া ও পাশাপাশি লেগে থাকা ভবনগুলো পরিদর্শন করেন।
এর আগে গত সোমবার নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা ও আতুরার ডিপোর মীরপাড়া এলাকার তিনটি ভবন পরিদর্শন করে সিডিএর বিশেষজ্ঞ কমিটি।
![]() |
ভূমিকম্পে চট্টগ্রামে হেলে পড়া ১২টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ
|
সিডিএর
বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
সাবেক উপাচার্য মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ভূমিকম্পে
চট্টগ্রাম নগরের হেলে পড়া ভবনগুলোর পরিদর্শনের কাজ শেষ হয়েছে। এসব ভবনের
ব্যাপারে প্রাথমিক প্রতিবেদন
তৈরি করতে দু-তিন দিন সময় লাগবে। এই প্রতিবেদন সিডিএর মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
কমিটির অন্যতম সদস্য ও ভূমিকম্প প্রকৌশল গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের প্রধান মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘কোন ভবনের কী কী কাজ করতে হবে, তা নির্ধারণের জন্য আমরা বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসব। ভবনগুলোর অবকাঠামোর ক্ষতি কতটুকু হয়েছে, তা নিরূপণ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। কোনো ভবনের যদি কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়, সেটিও করার সুপারিশ করা হবে।’
তৈরি করতে দু-তিন দিন সময় লাগবে। এই প্রতিবেদন সিডিএর মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
কমিটির অন্যতম সদস্য ও ভূমিকম্প প্রকৌশল গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের প্রধান মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘কোন ভবনের কী কী কাজ করতে হবে, তা নির্ধারণের জন্য আমরা বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসব। ভবনগুলোর অবকাঠামোর ক্ষতি কতটুকু হয়েছে, তা নিরূপণ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। কোনো ভবনের যদি কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়, সেটিও করার সুপারিশ করা হবে।’


No comments:
Post a Comment