আজ
২৩ এপ্রিল। শাজনীন তাসনিম রহমানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৮ বছর আগে
গুলশানের নিজ বাড়িতে পূর্ব পরিকল্পনায় শাজনীনকে ধর্ষণ ও পরে নৃশংসভাবে
হত্যা করা হয়। ১৫ বছর বয়সী শাজনীন তখন স্কলাস্টিকা স্কুলের নবম শ্রেণির
ছাত্রী। ১৯৯৮ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে শাজনীন ধর্ষণ ও খুন হওয়ার ঘটনায়
সর্বস্তরের মানুষ হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। চার বছর পর সাক্ষ্য-প্রমাণে ও বিচারে
ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ওই ঘটনায় শাজনীনের
বাড়ির সংস্কারকাজের দায়িত্ব পালনকারী ঠিকাদার সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন
হাসানকে মূল ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনাকারী হিসেবে এবং অন্য পাঁচজনকে সক্রিয়
সহযোগী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করে সবাইকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দোষী
সাব্যস্ত অন্য পাঁচজন হলেন গৃহভৃত্য শহীদুল ইসলাম শহীদ, হাসানের সহকারী
বাদল, গৃহপরিচারিকা এস্তেমা খাতুন মিনু ও পারভীন এবং কাঠমিস্ত্রি শনিরাম
মন্ডল। হাইকোর্ট ২০০৬ সালের জুলাইয়ে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ খুনি এরপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন, যা
শুনানির পর্যায়ে আছে। প্রতিবছরের মতো আজও বাদ আসর (বিকেল সাড়ে পাঁচটায়)
শাজনীনের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের বাসভবনে [বাড়ি-এন ই (জে)৪, সড়ক-৮৩,
গুলশান-২] মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। শাজনীনের বাবা ট্রান্সকম
গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান ও মা শাহনাজ রহমান সব আত্মীয়স্বজন,
বন্ধুবান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীকে মিলাদ মাহফিলে শরিক হওয়ার জন্য অনুরোধ
জানিয়েছেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment