কৃষকদের
মাথায় করে রাখা উচিত এবং তাঁদের সবচেয়ে বেশি সম্মান করা উচিত বলে মন্তব্য
করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কৃষক লীগের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
উদ্যাপন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর খামারবাড়িতে আয়োজিত আলোচনা সভায়
শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক আমাদের বেঁচে থাকার পণ্য উৎপাদন করে। খাদ্যপণ্য উৎপাদন করে, ক্ষুন্নিবৃত্তি জোগায়। ক্ষুধার জ্বালা কেমন, সেটা তো মানুষ জানেই। সে জ্বালা পূরণ করে কে? সে আমার কৃষক। কাজেই কৃষকদের মাথায় করে রাখা উচিত। সবচেয়ে সম্মান করা উচিত বলে আমি মনে করি।’
ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা স্কুলে পড়ে, কলেজে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, তাদেরও কৃষি মাঠে নিয়ে যাওয়া দরকার। কৃষিপণ্য কীভাবে উৎপাদন করা হয়, হাতে-কলমে এটা তাদের অনুশীলন করা দরকার, জানা দরকার। তারা ঘরে বসে খাবে, ওটা কোথা থেকে এসেছে তা-ও জানবে না, গাছটাও চিনবে না; ধানগাছে তক্তা হয় কি না, সেটার খোঁজ করবে। আসলে একসময় সেটাই হয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, প্রতিটি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একবার হলেও মাঠে নিয়ে যাওয়া উচিত। তাদের হাত দিয়ে কিছু কাজও করানো উচিত, হাতে-কলমে কিছু শিক্ষা দেওয়া উচিত। তার জন্য যদি এক্সট্রা নম্বর প্রয়োজন হয়, তা-ও দেওয়া উচিত। যাতে কৃষিকাজটাকে কেউ ছোট চোখে না দেখে। কৃষকের ছেলে পড়ালেখা শিখে আর মাঠে যেতে চায় না। অনেক সময় বাপের পরিচয় দিতেও লজ্জা পায় যে তার বাবা কৃষক।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি এত উর্বর যে বীজ ফেললে গাছ হয়। গাছ থেকে ফল হয়। কাজেই আমরা না খেয়ে থাকব কেন। সোনার মাটি আমাদের, এত উর্বর। আমরা কেন তা কাজে লাগাব না। আর কেন অন্যের কাছে আমাদের ভিক্ষা চাইতে হবে, সাহায্য চাইতে হবে। সাহায্যে চলতে হবে, এই চিন্তা কেন আমাদের মাথায় থাকবে?’
বাংলাদেশের পাটকলগুলো বিএনপি বন্ধ করে দিয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রায় ৩৭ প্রকার পণ্য পাট থেকে উৎপন্ন হয়। পাটকে অবহেলা করা হয়েছিল। পাটকলগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল বিএনপি। কারণ তাদের প্রতিহিংসা বা এতই পাকিপ্রেম ছিল—যে পাট নিয়ে ঝগড়া, পাট নিয়ে সংগ্রাম, সেখান থেকে স্বাধীনতা। কাজেই ওই পাটকে শেষ করো। এটাই বোধ হয় তাদের মনে ছিল।’
কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শামসুল হক রেজা প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক আমাদের বেঁচে থাকার পণ্য উৎপাদন করে। খাদ্যপণ্য উৎপাদন করে, ক্ষুন্নিবৃত্তি জোগায়। ক্ষুধার জ্বালা কেমন, সেটা তো মানুষ জানেই। সে জ্বালা পূরণ করে কে? সে আমার কৃষক। কাজেই কৃষকদের মাথায় করে রাখা উচিত। সবচেয়ে সম্মান করা উচিত বলে আমি মনে করি।’
ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা স্কুলে পড়ে, কলেজে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, তাদেরও কৃষি মাঠে নিয়ে যাওয়া দরকার। কৃষিপণ্য কীভাবে উৎপাদন করা হয়, হাতে-কলমে এটা তাদের অনুশীলন করা দরকার, জানা দরকার। তারা ঘরে বসে খাবে, ওটা কোথা থেকে এসেছে তা-ও জানবে না, গাছটাও চিনবে না; ধানগাছে তক্তা হয় কি না, সেটার খোঁজ করবে। আসলে একসময় সেটাই হয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, প্রতিটি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একবার হলেও মাঠে নিয়ে যাওয়া উচিত। তাদের হাত দিয়ে কিছু কাজও করানো উচিত, হাতে-কলমে কিছু শিক্ষা দেওয়া উচিত। তার জন্য যদি এক্সট্রা নম্বর প্রয়োজন হয়, তা-ও দেওয়া উচিত। যাতে কৃষিকাজটাকে কেউ ছোট চোখে না দেখে। কৃষকের ছেলে পড়ালেখা শিখে আর মাঠে যেতে চায় না। অনেক সময় বাপের পরিচয় দিতেও লজ্জা পায় যে তার বাবা কৃষক।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি এত উর্বর যে বীজ ফেললে গাছ হয়। গাছ থেকে ফল হয়। কাজেই আমরা না খেয়ে থাকব কেন। সোনার মাটি আমাদের, এত উর্বর। আমরা কেন তা কাজে লাগাব না। আর কেন অন্যের কাছে আমাদের ভিক্ষা চাইতে হবে, সাহায্য চাইতে হবে। সাহায্যে চলতে হবে, এই চিন্তা কেন আমাদের মাথায় থাকবে?’
বাংলাদেশের পাটকলগুলো বিএনপি বন্ধ করে দিয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রায় ৩৭ প্রকার পণ্য পাট থেকে উৎপন্ন হয়। পাটকে অবহেলা করা হয়েছিল। পাটকলগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল বিএনপি। কারণ তাদের প্রতিহিংসা বা এতই পাকিপ্রেম ছিল—যে পাট নিয়ে ঝগড়া, পাট নিয়ে সংগ্রাম, সেখান থেকে স্বাধীনতা। কাজেই ওই পাটকে শেষ করো। এটাই বোধ হয় তাদের মনে ছিল।’
কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শামসুল হক রেজা প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment