চট্টগ্রাম
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) বিশেষজ্ঞ কমিটি ভূমিকম্পে হেলে পড়া ভবনগুলো
পরিদর্শনের কাজ শুরু করেছে। কমিটির সদস্যরা গতকাল সোমবার তিনটি ভবন
পরিদর্শন করলেও এগুলোর বর্তমান অবস্থা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
সিডিএর বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সদ্য বিদায়ী উপাচার্য ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন চুয়েটের ভূমিকম্প প্রকৌশল গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও পুরকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়া, সিডিএর প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ (ভারপ্রাপ্ত) শাহীন উল ইসলাম খান ও দুই অথরাইজড কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামীম ও মোহাম্মদ ইলিয়াছ।
সিডিএর বিশেষজ্ঞ কমিটি গতকাল চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা ও আতুরার ডিপোর মীর পাড়ার হেলে পড়া তিনটি ভবন পরিদর্শন করেন। কমিটির সদস্যরা ভবনগুলোর বিভিন্ন কক্ষ ও ছাদ ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁরা মালিকপক্ষের লোকজন ও ভাড়াটেদের সঙ্গে কথা বলেন।
গত বুধবার রাতের ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় একটি, নিউমার্কেট এলাকায় দুটি, এনায়েতবাজারে একটি, হালিশহর আবাসিক এলাকায় একটি, ওয়াসা মোড়ে একটি, ঝাউতলায় একটি, জিইসি মোড়ে একটি ও রহমতগঞ্জ এলাকায় একটি ভবন হেলে পড়ে। নয়টি ভবনের মধ্যে আবাসিক তিনটি, বাণিজ্যিক পাঁচটি ও একটি ভবনে কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। এদিকে নয়টি ভবনের বাইরে আতুরার ডিপোর মীর পাড়ায় আরও একটি ভবন হেলে পড়েছে বলে সিডিএ গতকাল জানায়। বিশেষজ্ঞ কমিটি গতকাল বিকেলে একই এলাকার আয়শা টাওয়ার ও ইনতিহাজ টাওয়ারও পরিদর্শন করেন। ভবন দুটির ছাদের কিছু অংশ লেগে গেছে।
কমিটির সদস্যরা গতকাল বিকেল সাড়ে চারটায় প্রথমে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি-ব্লকে হেলে পড়া শিরিন নিকেতন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ভবনটিতে মেজর কোনো ক্র্যাক (বড় ধরনের ফাটল) দেখা যায়নি। তবে এক পাশ ঢালু হয়ে গেছে। এটি কেন হলো তা খুঁজে বের করা হবে। তিনি আরও বলেন, হেলে পড়া প্রতিটি ভবন তাঁরা পরিদর্শন করবেন। ভবনগুলোর ইতিহাস, মৃত্তিকা পরীক্ষার প্রতিবেদন (সয়েল টেস্ট রিপোর্ট), নকশাসহ যাবতীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার কিংবা বুধবারের মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দেওয়া হবে। হেলে পড়া ভবনগুলোতে বাসিন্দারা অবস্থান করতে পারবে কি না, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাও কাল-পরশুর (মঙ্গল বা বুধবার) মধ্যে বলতে পারব।’
শিরিন নিকেতনের চতুর্থ তলার ভাড়াটে প্রবাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এই ভবনে থাকা নিরাপদ নয় বলে অন্য এলাকায় নতুন বাসা নিয়েছি। কয়েক দিনের মধ্যে বাসা ছেড়ে দেব।
শিরিন নিকেতনের মালিক প্রবাসী নুরুল আজিমের শ্যালক মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘ভবনটি আগে থেকেই হেলে ছিল। কেন এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তা বলতে পারছি না। এখন বিশেষজ্ঞরা আসছেন। তাঁরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হয়তো মূল কারণ বলতে পারবেন।’
সিডিএর বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সদ্য বিদায়ী উপাচার্য ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন চুয়েটের ভূমিকম্প প্রকৌশল গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও পুরকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়া, সিডিএর প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ (ভারপ্রাপ্ত) শাহীন উল ইসলাম খান ও দুই অথরাইজড কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামীম ও মোহাম্মদ ইলিয়াছ।
সিডিএর বিশেষজ্ঞ কমিটি গতকাল চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা ও আতুরার ডিপোর মীর পাড়ার হেলে পড়া তিনটি ভবন পরিদর্শন করেন। কমিটির সদস্যরা ভবনগুলোর বিভিন্ন কক্ষ ও ছাদ ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁরা মালিকপক্ষের লোকজন ও ভাড়াটেদের সঙ্গে কথা বলেন।
গত বুধবার রাতের ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় একটি, নিউমার্কেট এলাকায় দুটি, এনায়েতবাজারে একটি, হালিশহর আবাসিক এলাকায় একটি, ওয়াসা মোড়ে একটি, ঝাউতলায় একটি, জিইসি মোড়ে একটি ও রহমতগঞ্জ এলাকায় একটি ভবন হেলে পড়ে। নয়টি ভবনের মধ্যে আবাসিক তিনটি, বাণিজ্যিক পাঁচটি ও একটি ভবনে কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। এদিকে নয়টি ভবনের বাইরে আতুরার ডিপোর মীর পাড়ায় আরও একটি ভবন হেলে পড়েছে বলে সিডিএ গতকাল জানায়। বিশেষজ্ঞ কমিটি গতকাল বিকেলে একই এলাকার আয়শা টাওয়ার ও ইনতিহাজ টাওয়ারও পরিদর্শন করেন। ভবন দুটির ছাদের কিছু অংশ লেগে গেছে।
কমিটির সদস্যরা গতকাল বিকেল সাড়ে চারটায় প্রথমে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি-ব্লকে হেলে পড়া শিরিন নিকেতন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ভবনটিতে মেজর কোনো ক্র্যাক (বড় ধরনের ফাটল) দেখা যায়নি। তবে এক পাশ ঢালু হয়ে গেছে। এটি কেন হলো তা খুঁজে বের করা হবে। তিনি আরও বলেন, হেলে পড়া প্রতিটি ভবন তাঁরা পরিদর্শন করবেন। ভবনগুলোর ইতিহাস, মৃত্তিকা পরীক্ষার প্রতিবেদন (সয়েল টেস্ট রিপোর্ট), নকশাসহ যাবতীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার কিংবা বুধবারের মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দেওয়া হবে। হেলে পড়া ভবনগুলোতে বাসিন্দারা অবস্থান করতে পারবে কি না, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাও কাল-পরশুর (মঙ্গল বা বুধবার) মধ্যে বলতে পারব।’
শিরিন নিকেতনের চতুর্থ তলার ভাড়াটে প্রবাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এই ভবনে থাকা নিরাপদ নয় বলে অন্য এলাকায় নতুন বাসা নিয়েছি। কয়েক দিনের মধ্যে বাসা ছেড়ে দেব।
শিরিন নিকেতনের মালিক প্রবাসী নুরুল আজিমের শ্যালক মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘ভবনটি আগে থেকেই হেলে ছিল। কেন এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তা বলতে পারছি না। এখন বিশেষজ্ঞরা আসছেন। তাঁরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হয়তো মূল কারণ বলতে পারবেন।’

No comments:
Post a Comment