Thursday, April 21, 2016

আ.লীগের বিরুদ্ধে প্রচারণায় বাধা ও হামলার অভিযোগ

মানিকগঞ্জের শিবালয় ও ঘিওর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অন্য প্রার্থীদের হুমকি-ধমকি ও প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোথাও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। ওই দুটি উপজেলার ১৪টি ইউপিতে ২৩ এপ্রিল ভোট। শিবালয়ের আরুয়া ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুব হোসেন বলেন, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গাড়ির বহর নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আক্তারুজ্জামান খান নালী বাজার থেকে মালুচীর দিকে যাওয়াল সময় মান্দাখোলা এলাকায় তাঁর সমর্থকদের ওপর লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে হামলা চালান। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। হামলায় সাত-আটজন আহত হন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে তাঁর জোয়ার দেখে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। আক্তারুজ্জামান খান বলেন, এসব অপপ্রচার। কাউকে হুমকি-ধমকি কিংবা প্রচারে বাধা দেওয়া হয়নি। শিবালয় থানার ওসি রকিবুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের কিছু সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘিওরের বরটিয়া ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী আইয়ুব আলী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রার্থী বেলায়েত হোসেন ও তাঁর বড় ভাই রেজাউল করিম আমার কর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। তাঁদের নির্বাচন না করতে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।’ আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করেন বিএনপির প্রার্থী ফরিদ হোসেনও। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে তাঁরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বেলায়েত হোসেন ও রেজাউল করিম বলেন, এসব অভিযোগ বানোয়াট। ঘিওরের সিংজুরী ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ বলেন, গত সোমবার রাতে বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা শেষে একটি মোটরসাইকেল ও দুজন কর্মী নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। রাত ১১টার দিকে চর মির্জাপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল আজিজের লোকজন তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। তাঁরা মোটরসাইকেলের চালককে লক্ষ্য করে রামদা দিয়ে কোপ দেন। আবদুল আজিজ বলেন, আবদুর রশিদের কর্মীরাই তাঁর দুই কর্মীকে মারধর করেছেন। ঘিওর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এসব বিষয় তদন্ত করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

No comments:

Post a Comment