Tuesday, April 26, 2016

চট্টগ্রামের প্রাচীন স্থাপনা সমূহ সংস্কার-সংরক্ষন সময়ের দাবী -চট্টগ্রাম প্রেসকাবে সেমিনারে বক্তাদের অভিমত

চট্টগ্রামে হাজার বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক প্রতœ নিদর্শন সমূহ সরকারীভাবে প্রতœ আইনে সংস্কার ও সংরনের আহবান এবং বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুরের ১৮৫৭ সালে নির্মিত ১৬০ বছরের প্রাচীন দৃষ্টি নন্দন মুসলিম স্থাপনা ঐতিহ্যবাহী বদল মুন্সী জামে মসজিদ স¤প্রসারনের নামে ধ্বংসের হাতথেকে রার দাবীতে নাগরিক সেমিনারে বক্তরা বলেছেন, সভ্যতার নিদর্শন ধ্বংসকারীরা মানুষ রূপে পশু। তারা দেশ জাতি ও প্রজন্মের শত্র“। সভ্যতার নিদর্শন ধ্বংসকারীরা অর্থলোভে দেশ মানচিত্র ও দেশের ইতিহাস বুঝেনা, তারা ভোগের রাজত্বে বিশ্বাসী, অর্থলোভে তারা প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংস করেই চলছে। এই বিষয়ে সরকার দ্রুত প্রদপে গ্রহণ না করিলে চট্টগ্রাম ইতিহাস থেকে হাজারো বছরের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো চিরতরে ধ্বংস হয়ে যাবে। বক্তারা আরো বলেছেন, চট্টগ্রামের প্রাচীন স্থাপনা সমূহ বিশ্ব নন্দিত সভ্যতার ইতিহাসের অমর স্বাী। প্রতœ আইনে সংস্কার-সংরন সময়ের দাবী, বক্তারা বাঁশখালীর ১৬০ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক বদল মুন্সী জামে মসজিদ ধ্বংসের হাতথেকে রা ও ধ্বংসের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় বিচারের দাবী জানানো হয়। সভায় বক্তারা আরো বলেছেন, ইতিহাসের নন্দিত স্বাী চট্টগ্রাম হাজার হাজার বছরের স্মৃতি ও ইতিহাস ঐতিহ্যর সাথে জড়িত, সুলতানি আমল, মোঘল আমল, তুর্কি, ইংরেজী, মঘী আমলের ৫২ টি প্রাচীন স্থাপনা এখনো বিদ্ধমান। সেগুলো সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহনের জন্য দাবী জানানো হয়। সভায় বক্তরা আরো বলেছেন, বাংলাদেশ জাদুঘর বিভাগ, প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তর, সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য রা করেন। দুরভাগ্য বসত সত্য যে, বাংলাদেশের চট্টগ্রামে প্রতœ আইনে একটি মাত্র মসজিদ ছাড়া অন্য কোন স্থাপনা কিংবা প্রতœ সম্পদ আজও সরকারী উদ্যোগে সংরতি হয়নি। চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র ও চট্টগ্রাম প্রতœতাত্তি¡ক নিদর্শন রা কমিটির উদ্যোগে ২৫ এপ্রিল বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস কাব মিলনায়তনে বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক ও সিএইচআরসির সভাপতি সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিজ্ঞ আলোচকগন উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। প্রাবন্ধিক এবং ছড়াকার আবদুল্লাহ মজুমদারের সঞ্চালনায় এ সেমিনারের বিষয় ভিত্তিক ঐতিহাসিক প্রতœ নিদর্শনের গুরুত্ব অনুধাবন সহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট লেখক গবেষক প্রাবন্ধিক অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কথা সাহিত্যিক কবি অধ্যাপক কমর উদ্দিন আহমদ, ইতিহাসবিদ এবিএম ফয়েজউল্লাহ, ইতিহাস গবেষক তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সাংবাদিক কবি সাহিদ হাসান, আনসার ভিডিপি চট্টগ্রামের ডিডি এস.এম আজিম উদ্দীন, ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ মুসা কলিম উল্লাহ, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাঃ এর জয়েন্ট সেক্রেটারী নুরুল আবছার চৌধুরী, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক গবেষক আরিফ চৌধুরী, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক গবেষক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, লেখক ও রাজনীতিক মোস্তফা আনোয়ারুল ইসলাম, রাজনীতিক ও সাংবাদিক অমর কান্তি দত্ত, শিাবিদ অধ্য সফিউল কাদের চৌধুরী, সাংবাদিক সোহেল তাজ, ইতিহাস লেখক এস এম ওসমান, কবি আসিফ ইকবাল, ইমরান সোহেল, ডাঃ নাসির উদ্দীন, দিদারুল আলম চৌধুরী, শেখ নুর মোহাম্মদ চৌধুরী, ডালিম বড়–য়া, ডাঃ আর কে রুবেল, তন্ময় চৌধুরী, জামাল উদ্দীন, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক দিদারুল আলম, লেখক নয়ন বড়–য়া, কবি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, শিাবিদ মহিউদ্দীন চৌধুরী, মামুন আলম প্রমুখ।

No comments:

Post a Comment