![]() |
| জন গোমেজ |
বাংলাদেশ
ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি যাওয়া অর্থ ফিলিপাইনের একাধিক পক্ষের কাছ থেকে
ফিরে পেতে দেরি হতে পারে। ম্যানিলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন
গোমেজ এই আশঙ্কা জানিয়েছেন। ফিলিপাইন থেকে প্রকাশিত ইনকোয়ারার পত্রিকাকে
এক সাক্ষাৎকারে জন গোমেজ বলেন, তিনি আশা করছিলেন চলতি মােস বা আগামী
মাসের মধ্যেই বাংলাদেশের প্রাপ্য অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ওই অর্থ
স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশও উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত আরও
বলেন, ‘আমরা এমন কোনো বিলম্ব চাই না, যেটা এড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে
ফিলিপাইনের বিচার বিভাগের (ডিওজে) সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। অভিযুক্ত
ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং বাজেয়াপ্ত তহবিলের মালিকানার বিষয়ে বাংলাদেশ
দূতাবাস আনুষ্ঠানিক দাবি জানাবে। বাজেয়াপ্তকরণ মামলার বিষয়ে আমাকে বলা
হয়েছে, অন্য কোনো দাবিদার না থাকলে এটি দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে।’ চুরি
হওয়া আট কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার একটি অংশ বর্তমানে ফিলিপাইনের
অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কমিশনের (এএমএলসি) সংগ্রহে রয়েছে। দেশটির আদালতে ওই
অর্থ বাজেয়াপ্তকরণ মামলা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই ম্যানিলার
কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের পাওনা অর্থ ফিরিয়ে দিতে পারবে।

No comments:
Post a Comment