Monday, April 18, 2016

আমি শেখ হাসিনারও শুভানুধ্যায়ী :জাফরুল্লাহ চৌধুরী by মিজানুর রহমান খান

সাক্ষাৎকার: দেশের কল্যাণে জনগণের স্বার্থে আমি চিন্তা করতে ভালোবাসি। খোলা মনে আমার বক্তব্য প্রকাশ করি। আমি বিএনপি, সিপিবি, বাসদ খালেকুজ্জামান, মাহমুদুর রহমান মান্না, ড. কামাল হোসেন, আ স ম রব, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর যেমন, তেমনি শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগেরও শুভানুধ্যায়ী। আমি বিশ্বাস করি, দেশে একটি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সাহসী বিরোধী দল থাকা দরকার। আর জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধু রাজনীতিকেরাই আনতে পারেন।
গোলাম হাকিম
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জীবন সত্যিই অনুসরণীয়। সত্য জানা, বোঝা এবং বলতে পারার এক অতুলনীয় গুণের অধিকারী তিনি। তাঁর মতো মানুষের অভাব আজ দেশে সবচেয়ে বেশি।
হেলাল আহমেদ
অসাধারণ ব্যক্তি, নির্ভেজাল দেশপ্রেমী, স্পষ্টভাষী। তবে ওনার ওই কথাটা আমার কাছে বেমানান লেগেছে যে, জেনারেল ওসমানী এবং জিয়ার ছবি বঙ্গবন্ধুর পায়ের কাছে রেখে দিতে বলা। কথাটা অন্যভাবে বলা যেত।
হালিম শান
স্বৈরশাসককে দিয়েও যে ভালো কাজ করিয়ে নেওয়া যায়, তার উদাহরণ হচ্ছে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও অধ্যাপক নুরুল ইসলামের পরামর্শে এরশাদের করা ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধনীতি, যার কল্যাণে দেশ আজ ওষুধ সেক্টরে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। ডা. জাফরুল্লাহর প্রদেশ–সংক্রান্ত চিন্তাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাদেশিক সরকার থাকলে তার দু–একটাতে কেন্দ্রীয় বিরোধী দল জয়ী হতোই এবং নিশ্বাস ফেলার জায়গা পেত। কেন্দ্রে অতীত কিংবা বর্তমান যুবরাজদের সীমাহীন দুর্নীতি নিয়েও প্রাদেশিক সাংসদেরা চিৎকার করতে পারতেন। দুর্ভাগ্যক্রমে দুই নেত্রীই মোসাহেব ও আমলাদের ওপর নির্ভরশীল। তাঁরা সুবিধা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় প্রাদেশিক সরকারের বিরোধী। এই সাক্ষাৎকারের মূল মেসেজটা শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার কাছে পৌঁছালে এবং তাঁরা গ্রহণ করলে দেশ উপকৃত হবে।
রাজিব
‘আপনি স্বাধীন চিন্তার মানুষ, নাকি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা?’ প্রথমেই এই প্রশ্নটি কতটা প্রাসঙ্গিক, কিংবা এই প্রশ্নটি আদৌ সাংবাদিকতার নৈতিকতার মধ্যে পড়ে কি না?

No comments:

Post a Comment