![]() |
| মো. আবদুল হামিদ |
হাইব্রিড
প্রযুক্তির গাড়ি পরিবেশবান্ধব। এই প্রযুক্তির গাড়ি ব্যবহার করে তেল ও
গ্যাসের ওপর চাপ কমানো সম্ভব। সাধারণ গাড়ির চেয়ে হাইব্রিড গাড়িতে তিন ভাগের
এক ভাগ জ্বালানি লাগে। কারণ, উন্নত প্রযুক্তির হাইব্রিড গাড়িতে থাকা
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি দিয়েই ইঞ্জিন চলে। এ ছাড়া হাইব্রিড গাড়িতে বায়ু ও
শব্দদূষণ কম হয়। অন্যদিকে ৯০ শতাংশ গাড়িই এখন সিএনজি দিয়ে চলে। হাইব্রিড
গাড়িতে যেহেতু দুই-তৃতীয়াংশ জ্বালানি খরচ কম লাগে, তাই এসব গাড়ি কিনে আর
কেউ সিএনজিতে রূপান্তর করতে যাবেন না। এসব বিবেচনায় নিয়েই হাইব্রিড
রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ ভর্তুকি মূল্য দিয়ে শুল্কায়ন করা
দরকার। নতুন হাইব্রিড গাড়ির জন্য একটি এইচএস কোড আছে। পুরোনোর জন্য নেই। সে
জন্য কোনো ব্যবসায়ী যদি পুরোনো হাইব্রিড গাড়ি আমদানি করেন, তখন আলাদা করে
অনুমতি নিয়ে হয়। এতে বিরাট ভোগান্তিতে পড়তে হয় বলে ব্যবসায়ীরা হাইব্রিড
রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিতে যান না। তাই হাইব্রিড রিকন্ডিশন্ড গাড়ির জন্য
একটি এইচএস কোড চেয়েছি। শুল্কায়নের জন্য গাড়ির সিসির স্তর নির্ধারণে কিছু
অদ্ভুত বিষয় আছে। যেমন ২০০১ থেকে ২৭৫০ সিসির একটি স্তর করা হয়েছে। এটি কেন
২০০১ থেকে ২৭০০ বা ২৮০০ করা হলো না। আসলে নতুন কয়েকটি মডেলের গাড়ির জন্য
সুবিধা দিতেই এমনটা করা হয়। এসব বন্ধ করতেই সিসির স্তর পুনর্বিন্যাসের দাবি
আমাদের।

No comments:
Post a Comment